বিশ্বকাপে জঙ্গি হামলার শঙ্কা, চ্যালেঞ্জের মুখে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক

বিশ্বকাপে জঙ্গি হামলার শঙ্কা, চ্যালেঞ্জের মুখে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২০: ৫৭

ক্লজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি দেখছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মার্কিন ফেডারেল সংস্থাগুলোর সন্ত্রাসবিরোধী সক্ষমতায় সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা এ শঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশেষ করে লোন উলফ বা একক আক্রমণকারীদের মাধ্যমে সম্ভাব্য নাশকতার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠেয় এ বিশ্বকাপ চলবে প্রায় ছয় সপ্তাহ জুড়ে। ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে ৭৮টিই আয়োজিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা, বোস্টন, ডালাস, হিউস্টন, লস অ্যাঞ্জেলেস, মিয়ামি ও নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ১১টি শহরে। বিশাল আয়তন ও বিপুল জনসমাগমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফাইনাল ম্যাচটিকে ন্যাশনাল স্পেশাল সিকিউরিটি ইভেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ প্রটোকল দেওয়া হলেও অন্যান্য ম্যাচগুলোকেও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে ফেডারেল নজরদারিতে রাখা হবে। এ বিশাল কর্মযজ্ঞের নিরাপত্তা ও জরুরি প্রস্তুতি বাবদ ইতোমধ্যে প্রায় ৬২৫ মিলিয়ন ডলারের বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মূল স্টেডিয়ামগুলো হার্ড টার্গেট হিসেবে যথেষ্ট সুরক্ষিত থাকলেও হোটেল, গণপরিবহন কেন্দ্র এবং ফিফার অফিসিয়াল ফ্যান ফেস্টের মতো সফট টার্গেট গুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। হাজার হাজার মানুষের অনানুষ্ঠানিক ওয়াচ পার্টি ও সরাসরি খেলা দেখার আয়োজনগুলোর নিরাপত্তা রক্ষা করা হবে অত্যন্ত জটিল কাজ। পাশাপাশি বর্তমানে ড্রোন হামলা এবং সাইবার আক্রমণের মতো প্রযুক্তিগত হুমকিও নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সাবেক সিআইএ ও এফবিআই কর্মকর্তা ট্রেসি ওয়াল্ডার বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সম্ভাব্য ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা অতীতেও বড় ধরনের ব্যর্থতার কারণ হয়েছিল। বিশেষভাবে আগামী ৩ জুলাই টেক্সাসে অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচটি নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে, কারণ এর ঠিক পরের দিনই দেশটির স্বাধীনতা দিবস। একই সময়ে হিউস্টনে সৌদি রাজপরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের উপস্থিতির খবর ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে। যদিও এফবিআই ইতোমধ্যে দেশজুড়ে বিশেষ মহড়া পরিচালনা করছে এবং বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয় করছে, তবুও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সামান্যতম দুর্বলতাও বড় কোনো হামলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি দেখছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মার্কিন ফেডারেল সংস্থাগুলোর সন্ত্রাসবিরোধী সক্ষমতায় সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা এ শঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশেষ করে লোন উলফ বা একক আক্রমণকারীদের মাধ্যমে সম্ভাব্য নাশকতার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠেয় এ বিশ্বকাপ চলবে প্রায় ছয় সপ্তাহ জুড়ে। ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে ৭৮টিই আয়োজিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা, বোস্টন, ডালাস, হিউস্টন, লস অ্যাঞ্জেলেস, মিয়ামি ও নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ১১টি শহরে। বিশাল আয়তন ও বিপুল জনসমাগমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফাইনাল ম্যাচটিকে ন্যাশনাল স্পেশাল সিকিউরিটি ইভেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ প্রটোকল দেওয়া হলেও অন্যান্য ম্যাচগুলোকেও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে ফেডারেল নজরদারিতে রাখা হবে। এ বিশাল কর্মযজ্ঞের নিরাপত্তা ও জরুরি প্রস্তুতি বাবদ ইতোমধ্যে প্রায় ৬২৫ মিলিয়ন ডলারের বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মূল স্টেডিয়ামগুলো হার্ড টার্গেট হিসেবে যথেষ্ট সুরক্ষিত থাকলেও হোটেল, গণপরিবহন কেন্দ্র এবং ফিফার অফিসিয়াল ফ্যান ফেস্টের মতো সফট টার্গেট গুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। হাজার হাজার মানুষের অনানুষ্ঠানিক ওয়াচ পার্টি ও সরাসরি খেলা দেখার আয়োজনগুলোর নিরাপত্তা রক্ষা করা হবে অত্যন্ত জটিল কাজ। পাশাপাশি বর্তমানে ড্রোন হামলা এবং সাইবার আক্রমণের মতো প্রযুক্তিগত হুমকিও নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সাবেক সিআইএ ও এফবিআই কর্মকর্তা ট্রেসি ওয়াল্ডার বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সম্ভাব্য ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা অতীতেও বড় ধরনের ব্যর্থতার কারণ হয়েছিল। বিশেষভাবে আগামী ৩ জুলাই টেক্সাসে অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচটি নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে, কারণ এর ঠিক পরের দিনই দেশটির স্বাধীনতা দিবস। একই সময়ে হিউস্টনে সৌদি রাজপরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের উপস্থিতির খবর ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে। যদিও এফবিআই ইতোমধ্যে দেশজুড়ে বিশেষ মহড়া পরিচালনা করছে এবং বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয় করছে, তবুও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সামান্যতম দুর্বলতাও বড় কোনো হামলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

বিশ্বকাপে জঙ্গি হামলার শঙ্কা, চ্যালেঞ্জের মুখে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ২০: ৫৭

ক্লজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বড় ধরনের সন্ত্রাসী হামলার ঝুঁকি দেখছেন নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। মধ্যপ্রাচ্যে ইরানকে কেন্দ্র করে ক্রমবর্ধমান ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং মার্কিন ফেডারেল সংস্থাগুলোর সন্ত্রাসবিরোধী সক্ষমতায় সম্ভাব্য সীমাবদ্ধতা এ শঙ্কাকে আরও ঘনীভূত করেছে। বিশেষ করে লোন উলফ বা একক আক্রমণকারীদের মাধ্যমে সম্ভাব্য নাশকতার বিষয়ে সর্বোচ্চ সতর্কতা জারির পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠেয় এ বিশ্বকাপ চলবে প্রায় ছয় সপ্তাহ জুড়ে। ১০৪টি ম্যাচের মধ্যে ৭৮টিই আয়োজিত হবে যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা, বোস্টন, ডালাস, হিউস্টন, লস অ্যাঞ্জেলেস, মিয়ামি ও নিউ জার্সির ইস্ট রাদারফোর্ডের মতো গুরুত্বপূর্ণ ১১টি শহরে। বিশাল আয়তন ও বিপুল জনসমাগমের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে আইনপ্রয়োগকারী সংস্থাগুলোর জন্য এক কঠিন চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ফাইনাল ম্যাচটিকে ন্যাশনাল স্পেশাল সিকিউরিটি ইভেন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে সর্বোচ্চ প্রটোকল দেওয়া হলেও অন্যান্য ম্যাচগুলোকেও উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করে ফেডারেল নজরদারিতে রাখা হবে। এ বিশাল কর্মযজ্ঞের নিরাপত্তা ও জরুরি প্রস্তুতি বাবদ ইতোমধ্যে প্রায় ৬২৫ মিলিয়ন ডলারের বাজেট বরাদ্দ করা হয়েছে। নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের মতে, মূল স্টেডিয়ামগুলো হার্ড টার্গেট হিসেবে যথেষ্ট সুরক্ষিত থাকলেও হোটেল, গণপরিবহন কেন্দ্র এবং ফিফার অফিসিয়াল ফ্যান ফেস্টের মতো সফট টার্গেট গুলো অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় রয়েছে। হাজার হাজার মানুষের অনানুষ্ঠানিক ওয়াচ পার্টি ও সরাসরি খেলা দেখার আয়োজনগুলোর নিরাপত্তা রক্ষা করা হবে অত্যন্ত জটিল কাজ। পাশাপাশি বর্তমানে ড্রোন হামলা এবং সাইবার আক্রমণের মতো প্রযুক্তিগত হুমকিও নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সাবেক সিআইএ ও এফবিআই কর্মকর্তা ট্রেসি ওয়াল্ডার বিভিন্ন নিরাপত্তা সংস্থার মধ্যে তথ্য আদান-প্রদানের সম্ভাব্য ঘাটতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা অতীতেও বড় ধরনের ব্যর্থতার কারণ হয়েছিল। বিশেষভাবে আগামী ৩ জুলাই টেক্সাসে অনুষ্ঠেয় সম্ভাব্য ইরান বনাম যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাচটি নিয়ে দুশ্চিন্তা বাড়ছে, কারণ এর ঠিক পরের দিনই দেশটির স্বাধীনতা দিবস। একই সময়ে হিউস্টনে সৌদি রাজপরিবারের সদস্যদের বড় ধরনের উপস্থিতির খবর ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও স্পর্শকাতর করে তুলেছে। যদিও এফবিআই ইতোমধ্যে দেশজুড়ে বিশেষ মহড়া পরিচালনা করছে এবং বিভিন্ন সংস্থার সাথে সমন্বয় করছে, তবুও বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলছেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সামান্যতম দুর্বলতাও বড় কোনো হামলার কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান
/এমএকে/

১৩ বলে ফিফটি, আইপিএলে উর্ভিলের রেকর্ড
বার্সা শিরোপা জিতবে, নাকি রিয়াল রং বদলাবে


