মোহাম্মদপুরে ৯ হত্যা
ট্রাইব্যুনালে তাপস-নানকের বিচার শুরুর আদেশ

ট্রাইব্যুনালে তাপস-নানকের বিচার শুরুর আদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর ফলে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারের কাজ শুরু হলো।
রবিবার (১০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আদেশ দেন। মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।
এদিন আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
প্রসিকিউশনের সূত্র মতে, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নৃশংসতা চালায়। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকতসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।
ওই ঘটনায় নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরের মামলায় ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়।
মামলার চার আসামি বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলো– নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।
পলাতকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন– তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এডিসি রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, মো. ইউনূস, মোল্লা রুবেল, আজিজুল হক, রিয়াজ মাহমুদ, হুদয়, মাইনুল হইসলাম, শেখ বজলুর রহমান, জহির উদ্দিন, আয়মান, সেন্টু মিয়া ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর ফলে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারের কাজ শুরু হলো।
রবিবার (১০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আদেশ দেন। মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।
এদিন আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
প্রসিকিউশনের সূত্র মতে, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নৃশংসতা চালায়। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকতসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।
ওই ঘটনায় নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরের মামলায় ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়।
মামলার চার আসামি বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলো– নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।
পলাতকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন– তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এডিসি রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, মো. ইউনূস, মোল্লা রুবেল, আজিজুল হক, রিয়াজ মাহমুদ, হুদয়, মাইনুল হইসলাম, শেখ বজলুর রহমান, জহির উদ্দিন, আয়মান, সেন্টু মিয়া ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম।

ট্রাইব্যুনালে তাপস-নানকের বিচার শুরুর আদেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে নয়জনকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। এর ফলে তাদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচারের কাজ শুরু হলো।
রবিবার (১০ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এ আদেশ দেন। মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ও সূচনা বক্তব্যের জন্য আগামী ৮ জুন দিন ধার্য করা হয়েছে।
এদিন আদালতে প্রসিকিউশনের পক্ষে ছিলেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
প্রসিকিউশনের সূত্র মতে, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই আন্দোলনে আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নৃশংসতা চালায়। আসামিদের উসকানি-প্ররোচনা ও প্রত্যক্ষ-পরোক্ষ উপস্থিতিতে আন্দোলনে নিরীহ ছাত্র-জনতার ওপর গুলি চালানো হয়। এতে মাহমুদুর রহমান সৈকতসহ ৯ জন নিহত হন। আহত হন আরও অনেকে।
ওই ঘটনায় নানকসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে মোহাম্মদপুরের মামলায় ফরমাল চার্জ দাখিল করা হয়।
মামলার চার আসামি বর্তমানে গ্রেপ্তার রয়েছেন। তারা হলো– নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখা সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহসভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি।
পলাতকদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন– তৎকালীন ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অ্যাডিশনাল ডিআইজি প্রলয় কুমার জোয়ারদার, ডিএমপির সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, এডিসি রওশুনুল হক, এমএ সাত্তার, তোফায়েল, তারেকুজ্জামান, আরিফুর রহমান তুহিন, আহাদ হোসাইন, মো. ইউনূস, মোল্লা রুবেল, আজিজুল হক, রিয়াজ মাহমুদ, হুদয়, মাইনুল হইসলাম, শেখ বজলুর রহমান, জহির উদ্দিন, আয়মান, সেন্টু মিয়া ও ডিএনসিসির ৩২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর সৈয়দ হাসান নূর ইসলাম।




