যুক্তরাষ্ট্রের ১০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে নতুন নাটকীয়তা
সিটিজেন ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের ১০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে নতুন নাটকীয়তা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১৯: ২৪

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তটি এক নতুন আইনি মোড় নিয়েছে। গত ৭ মে আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে এই শুল্কের ওপর আংশিক স্থগিতাদেশ দেওয়া হলেও, এটি সাধারণ আমদানিকারকদের জন্য পুরোপুরি সুখবর বয়ে আনেনি। বরং আদালতের এই বিশেষ আদেশের ফলে বর্তমানে এক জটিল ও দ্বিমুখী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি আদালতের দেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের ওপর যে স্থগিতাদেশ এসেছে, তা সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হচ্ছে না। এই রায়ে আদালত স্পষ্ট করেছে যে, ১০ শতাংশ গ্লোবাল ট্যারিফ বা বৈশ্বিক শুল্কটি বর্তমানে স্থগিত করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট একটি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন বাদীর ক্ষেত্রে শুল্কের অর্থ ফেরত দেওয়ার (রিফান্ড) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ সুবিধা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—স্টেট অব ওয়াশিংটন, খেলনা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেসিক ফান এবং মশলা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বারল্যাপ অ্যান্ড ব্যারেল।
তবে আইনি জটিলতার কারণে এই রায়টি শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট মামলার বাদীদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানিতে নিয়োজিত অন্য সকল সাধারণ আমদানিকারকদের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক এখনো আইনগতভাবে বহাল রয়েছে।
বিজিএমইএ সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেছেন, এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে কেবল দুটি উপায়ে। প্রথমত, যদি কোনো উচ্চ আদালত এই রায়ের পরিধি বাড়িয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেয়। অথবা, যদি অন্য আমদানিকারকরাও একইভাবে মামলা করে এই রায়ের আওতায় আসার আইনি লড়াই শুরু করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি স্পষ্ট যে, মার্কিন বাজারে পণ্য প্রবেশের ক্ষেত্রে শুল্কের এই কাঁটা এখনই পুরোপুরি সরে যাচ্ছে না, বরং এটি আইনি লড়াইয়ের এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল।

বিশ্ব বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তটি এক নতুন আইনি মোড় নিয়েছে। গত ৭ মে আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে এই শুল্কের ওপর আংশিক স্থগিতাদেশ দেওয়া হলেও, এটি সাধারণ আমদানিকারকদের জন্য পুরোপুরি সুখবর বয়ে আনেনি। বরং আদালতের এই বিশেষ আদেশের ফলে বর্তমানে এক জটিল ও দ্বিমুখী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি আদালতের দেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের ওপর যে স্থগিতাদেশ এসেছে, তা সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হচ্ছে না। এই রায়ে আদালত স্পষ্ট করেছে যে, ১০ শতাংশ গ্লোবাল ট্যারিফ বা বৈশ্বিক শুল্কটি বর্তমানে স্থগিত করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট একটি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন বাদীর ক্ষেত্রে শুল্কের অর্থ ফেরত দেওয়ার (রিফান্ড) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ সুবিধা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—স্টেট অব ওয়াশিংটন, খেলনা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেসিক ফান এবং মশলা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বারল্যাপ অ্যান্ড ব্যারেল।
তবে আইনি জটিলতার কারণে এই রায়টি শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট মামলার বাদীদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানিতে নিয়োজিত অন্য সকল সাধারণ আমদানিকারকদের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক এখনো আইনগতভাবে বহাল রয়েছে।
বিজিএমইএ সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেছেন, এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে কেবল দুটি উপায়ে। প্রথমত, যদি কোনো উচ্চ আদালত এই রায়ের পরিধি বাড়িয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেয়। অথবা, যদি অন্য আমদানিকারকরাও একইভাবে মামলা করে এই রায়ের আওতায় আসার আইনি লড়াই শুরু করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি স্পষ্ট যে, মার্কিন বাজারে পণ্য প্রবেশের ক্ষেত্রে শুল্কের এই কাঁটা এখনই পুরোপুরি সরে যাচ্ছে না, বরং এটি আইনি লড়াইয়ের এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল।

যুক্তরাষ্ট্রের ১০ শতাংশ শুল্ক নিয়ে নতুন নাটকীয়তা
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ১০ মে ২০২৬, ১৯: ২৪

ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ব বাণিজ্যে যুক্তরাষ্ট্রের বহুল আলোচিত ১০ শতাংশ শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তটি এক নতুন আইনি মোড় নিয়েছে। গত ৭ মে আদালতের একটি গুরুত্বপূর্ণ রায়ে এই শুল্কের ওপর আংশিক স্থগিতাদেশ দেওয়া হলেও, এটি সাধারণ আমদানিকারকদের জন্য পুরোপুরি সুখবর বয়ে আনেনি। বরং আদালতের এই বিশেষ আদেশের ফলে বর্তমানে এক জটিল ও দ্বিমুখী পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
সম্প্রতি আদালতের দেওয়া সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১০ শতাংশ বৈশ্বিক শুল্কের ওপর যে স্থগিতাদেশ এসেছে, তা সবার জন্য সমানভাবে কার্যকর হচ্ছে না। এই রায়ে আদালত স্পষ্ট করেছে যে, ১০ শতাংশ গ্লোবাল ট্যারিফ বা বৈশ্বিক শুল্কটি বর্তমানে স্থগিত করা হয়েছে এবং নির্দিষ্ট একটি মামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট তিন বাদীর ক্ষেত্রে শুল্কের অর্থ ফেরত দেওয়ার (রিফান্ড) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই বিশেষ সুবিধা পাওয়া প্রতিষ্ঠানগুলো হলো—স্টেট অব ওয়াশিংটন, খেলনা প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান বেসিক ফান এবং মশলা আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান বারল্যাপ অ্যান্ড ব্যারেল।
তবে আইনি জটিলতার কারণে এই রায়টি শুধুমাত্র সংশ্লিষ্ট মামলার বাদীদের ক্ষেত্রেই সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য আমদানিতে নিয়োজিত অন্য সকল সাধারণ আমদানিকারকদের জন্য ১০ শতাংশ শুল্ক এখনো আইনগতভাবে বহাল রয়েছে।
বিজিএমইএ সাবেক পরিচালক মহিউদ্দিন রুবেল বলেছেন, এই পরিস্থিতির পরিবর্তন হতে পারে কেবল দুটি উপায়ে। প্রথমত, যদি কোনো উচ্চ আদালত এই রায়ের পরিধি বাড়িয়ে সবার জন্য উন্মুক্ত করার নির্দেশ দেয়। অথবা, যদি অন্য আমদানিকারকরাও একইভাবে মামলা করে এই রায়ের আওতায় আসার আইনি লড়াই শুরু করেন।
তিনি বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে এটি স্পষ্ট যে, মার্কিন বাজারে পণ্য প্রবেশের ক্ষেত্রে শুল্কের এই কাঁটা এখনই পুরোপুরি সরে যাচ্ছে না, বরং এটি আইনি লড়াইয়ের এক নতুন দিগন্ত খুলে দিল।
/এমআর/



