চা-কফি পান নিয়ে ৫টি ভুল ধারণা, যা আমরা সত্যি মনে করি

চা-কফি পান নিয়ে ৫টি ভুল ধারণা, যা আমরা সত্যি মনে করি
লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রতিদিনের ক্লান্তি দূর করতে কিংবা আড্ডার আমেজ জমাতে চা বা কফির জুড়ি নেই। তবে এই জনপ্রিয় দুই পানীয় নিয়ে আমাদের মধ্যে নানা ধরনের ভুল ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। জেনে নেওয়া যাক চা ও কফি পান নিয়ে প্রচলিত এমনই কিছু ভুল ধারণা এবং সেগুলোর আসল সত্যি-
১. কফি পানে শরীর ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা তৈরি করে
ভুল ধারণা: অতিরিক্ত কফি খেলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়।
সত্যি: কফিতে থাকা ক্যাফেইনের কারণে মৃদু মূত্রবর্ধক প্রভাব থাকলেও, নিয়মিত পরিমিত কফি পান করার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয় না। কফি বানাতে যে পানি ব্যবহার করা হয়, তা শরীরের দৈনিক তরলের চাহিদাই পূরণ করে।
২. গ্রিন টি পান করলেই হু হু করে ওজন কমে
ভুল ধারণা: প্রতিদিন প্রচুর গ্রিন টি খেলে কোনো ব্যায়াম বা ডায়েট ছাড়াই দ্রুত মেদ কমে।
সত্যি: গ্রিন টি হজমপ্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম সামান্য বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, তবে তা ওজন কমানোর মূল চাবিকাঠি নয়। সঠিক খাদ্যভ্যাস এবং শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া শুধু গ্রিন টি পান করে ওজন কমানো সম্ভব নয়।
৩. রাতে কফি পান করলে একদম ঘুম হয় না
ভুল ধারণা: ক্যাফেইন সবার ক্ষেত্রেই ঘুমের বড় শত্রু।
সত্যি: ক্যাফেইনের প্রভাব একেক মানুষের শরীরে একেক রকম হয়। কেউ কেউ সন্ধ্যার পর কফি খেলেও আরামে ঘুমাতে পারেন, আবার অনেকের সামান্য ক্যাফেইনেই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এটি মূলত জিনগত মেটাবলিজমের ওপর নির্ভর করে।
৪. চা বা কফি হাড়ের ক্ষয় বাড়ায়
ভুল ধারণা: কফি খেলে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।
সত্যি: পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে দৈনিক ২–৩ কাপ চা বা কফি হাড়ের স্বাস্থ্যের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলে না।
৫. ব্ল্যাক কফিই স্বাস্থ্যকর, দুধে পুষ্টি নষ্ট হয়
ভুল ধারণা: চা বা কফিতে দুধ মেশালে তার সব ভেষজ ও স্বাস্থ্যকর গুণ নষ্ট হয়ে যায়।
সত্যি: দুধ মেশালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের শোষণ কিছুটা ধীর হতে পারে, তবে এতে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম যুক্ত হয়। তবে অতিরিক্ত চিনি মেশানোই আসল সমস্যা, দুধ নয়।
পরামর্শ
চা কিংবা কফি—যেকোনও পানীয়ই পরিমিত পরিমাণে পান করা স্বাস্থ্যকর। দৈনিক ২–৩ কাপ চা বা কফি সাধারণ সুস্থ মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ ও উপকারী।
/এবি/

প্রতিদিনের ক্লান্তি দূর করতে কিংবা আড্ডার আমেজ জমাতে চা বা কফির জুড়ি নেই। তবে এই জনপ্রিয় দুই পানীয় নিয়ে আমাদের মধ্যে নানা ধরনের ভুল ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। জেনে নেওয়া যাক চা ও কফি পান নিয়ে প্রচলিত এমনই কিছু ভুল ধারণা এবং সেগুলোর আসল সত্যি-
১. কফি পানে শরীর ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা তৈরি করে
ভুল ধারণা: অতিরিক্ত কফি খেলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়।
সত্যি: কফিতে থাকা ক্যাফেইনের কারণে মৃদু মূত্রবর্ধক প্রভাব থাকলেও, নিয়মিত পরিমিত কফি পান করার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয় না। কফি বানাতে যে পানি ব্যবহার করা হয়, তা শরীরের দৈনিক তরলের চাহিদাই পূরণ করে।
২. গ্রিন টি পান করলেই হু হু করে ওজন কমে
ভুল ধারণা: প্রতিদিন প্রচুর গ্রিন টি খেলে কোনো ব্যায়াম বা ডায়েট ছাড়াই দ্রুত মেদ কমে।
সত্যি: গ্রিন টি হজমপ্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম সামান্য বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, তবে তা ওজন কমানোর মূল চাবিকাঠি নয়। সঠিক খাদ্যভ্যাস এবং শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া শুধু গ্রিন টি পান করে ওজন কমানো সম্ভব নয়।
৩. রাতে কফি পান করলে একদম ঘুম হয় না
ভুল ধারণা: ক্যাফেইন সবার ক্ষেত্রেই ঘুমের বড় শত্রু।
সত্যি: ক্যাফেইনের প্রভাব একেক মানুষের শরীরে একেক রকম হয়। কেউ কেউ সন্ধ্যার পর কফি খেলেও আরামে ঘুমাতে পারেন, আবার অনেকের সামান্য ক্যাফেইনেই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এটি মূলত জিনগত মেটাবলিজমের ওপর নির্ভর করে।
৪. চা বা কফি হাড়ের ক্ষয় বাড়ায়
ভুল ধারণা: কফি খেলে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।
সত্যি: পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে দৈনিক ২–৩ কাপ চা বা কফি হাড়ের স্বাস্থ্যের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলে না।
৫. ব্ল্যাক কফিই স্বাস্থ্যকর, দুধে পুষ্টি নষ্ট হয়
ভুল ধারণা: চা বা কফিতে দুধ মেশালে তার সব ভেষজ ও স্বাস্থ্যকর গুণ নষ্ট হয়ে যায়।
সত্যি: দুধ মেশালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের শোষণ কিছুটা ধীর হতে পারে, তবে এতে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম যুক্ত হয়। তবে অতিরিক্ত চিনি মেশানোই আসল সমস্যা, দুধ নয়।
পরামর্শ
চা কিংবা কফি—যেকোনও পানীয়ই পরিমিত পরিমাণে পান করা স্বাস্থ্যকর। দৈনিক ২–৩ কাপ চা বা কফি সাধারণ সুস্থ মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ ও উপকারী।
/এবি/

চা-কফি পান নিয়ে ৫টি ভুল ধারণা, যা আমরা সত্যি মনে করি
লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রতিদিনের ক্লান্তি দূর করতে কিংবা আড্ডার আমেজ জমাতে চা বা কফির জুড়ি নেই। তবে এই জনপ্রিয় দুই পানীয় নিয়ে আমাদের মধ্যে নানা ধরনের ভুল ধারণা ও কুসংস্কার প্রচলিত রয়েছে। জেনে নেওয়া যাক চা ও কফি পান নিয়ে প্রচলিত এমনই কিছু ভুল ধারণা এবং সেগুলোর আসল সত্যি-
১. কফি পানে শরীর ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা তৈরি করে
ভুল ধারণা: অতিরিক্ত কফি খেলে শরীরে পানির ঘাটতি দেখা দেয়।
সত্যি: কফিতে থাকা ক্যাফেইনের কারণে মৃদু মূত্রবর্ধক প্রভাব থাকলেও, নিয়মিত পরিমিত কফি পান করার ফলে শরীরে পানিশূন্যতা তৈরি হয় না। কফি বানাতে যে পানি ব্যবহার করা হয়, তা শরীরের দৈনিক তরলের চাহিদাই পূরণ করে।
২. গ্রিন টি পান করলেই হু হু করে ওজন কমে
ভুল ধারণা: প্রতিদিন প্রচুর গ্রিন টি খেলে কোনো ব্যায়াম বা ডায়েট ছাড়াই দ্রুত মেদ কমে।
সত্যি: গ্রিন টি হজমপ্রক্রিয়া বা মেটাবলিজম সামান্য বাড়াতে সাহায্য করতে পারে, তবে তা ওজন কমানোর মূল চাবিকাঠি নয়। সঠিক খাদ্যভ্যাস এবং শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া শুধু গ্রিন টি পান করে ওজন কমানো সম্ভব নয়।
৩. রাতে কফি পান করলে একদম ঘুম হয় না
ভুল ধারণা: ক্যাফেইন সবার ক্ষেত্রেই ঘুমের বড় শত্রু।
সত্যি: ক্যাফেইনের প্রভাব একেক মানুষের শরীরে একেক রকম হয়। কেউ কেউ সন্ধ্যার পর কফি খেলেও আরামে ঘুমাতে পারেন, আবার অনেকের সামান্য ক্যাফেইনেই ঘুমের ব্যাঘাত ঘটে। এটি মূলত জিনগত মেটাবলিজমের ওপর নির্ভর করে।
৪. চা বা কফি হাড়ের ক্ষয় বাড়ায়
ভুল ধারণা: কফি খেলে হাড় দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যায়।
সত্যি: পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করলে দৈনিক ২–৩ কাপ চা বা কফি হাড়ের স্বাস্থ্যের ওপর কোনো বিরূপ প্রভাব ফেলে না।
৫. ব্ল্যাক কফিই স্বাস্থ্যকর, দুধে পুষ্টি নষ্ট হয়
ভুল ধারণা: চা বা কফিতে দুধ মেশালে তার সব ভেষজ ও স্বাস্থ্যকর গুণ নষ্ট হয়ে যায়।
সত্যি: দুধ মেশালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের শোষণ কিছুটা ধীর হতে পারে, তবে এতে প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম যুক্ত হয়। তবে অতিরিক্ত চিনি মেশানোই আসল সমস্যা, দুধ নয়।
পরামর্শ
চা কিংবা কফি—যেকোনও পানীয়ই পরিমিত পরিমাণে পান করা স্বাস্থ্যকর। দৈনিক ২–৩ কাপ চা বা কফি সাধারণ সুস্থ মানুষের শরীরের জন্য নিরাপদ ও উপকারী।
/এবি/

কফি পানের পর শরীরে কী ঘটে, গবেষণায় মিলল নতুন তথ্য
টুথব্রাশ কেনার সময় কী কী বিষয় দেখা উচিত







