কফি পানের পর শরীরে কী ঘটে, গবেষণায় মিলল নতুন তথ্য

কফি পানের পর শরীরে কী ঘটে, গবেষণায় মিলল নতুন তথ্য
লাইফস্টাইল ডেস্ক

সকালের ক্লান্তি কাটাতে কিংবা কাজের ব্যস্ততায় এক কাপ কফি অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। কফি আমাদের সাময়িকভাবে চাঙা করে—এ তথ্য সবার জানা থাকলেও, অন্ত্রের (পেটের) উপকারী অণুজীবের ওপর এর প্রভাব কতখানি গভীর, তা নিয়ে উঠে এসেছে নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য। আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজ কর্কের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কফি পানের মাধ্যমে শরীরের ‘অন্ত্র-মস্তিষ্ক অক্ষ’ সরাসরি প্রভাবিত হয়।
অন্ত্রে কফির প্রভাব ও গবেষণার ধরন
অন্ত্রের কোটি কোটি অণুজীব খাবার ভেঙে এমন কিছু রাসায়নিক যৌগ তৈরি করে, যা মানুষের মানসিক চাপ, আবেগ ও চিন্তাশক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। কফিতে ক্যাফেইনের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ পলিফেনলসহ নানা জৈব-সক্রিয় উপাদান থাকে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে।
গবেষকেরা ৬২ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর এই পরীক্ষা চালান। অংশগ্রহণকারীদের দুই সপ্তাহে কফি থেকে দূরে রাখার পর তিন সপ্তাহের জন্য ক্যাফেইনযুক্ত ও ক্যাফেইনমুক্ত—এই দুই দলে ভাগ করে কফি পান করানো হয়। রক্ত, মল ও প্রস্রাবের নমুনা এবং নানা মানসিক মূল্যায়নের পর দেখা যায়, কফি পানের পর অন্ত্রের অণুজীবের গঠনে স্পষ্ট পরিবর্তন ঘটে।
ক্যাফেইনযুক্ত ও ক্যাফেইনমুক্ত কফির ভিন্নতা
গবেষণায় ক্যাফেইনযুক্ত এবং ক্যাফেইনমুক্ত—দুই ধরনের কফির ক্ষেত্রেই আলাদা কিছু ইতিবাচক দিক পরিলক্ষিত হয়েছে:
ক্যাফেইনযুক্ত কফি: তাৎক্ষণিক মনোযোগ, সতর্কতা বৃদ্ধি এবং উদ্বেগ কমানোর ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।
ক্যাফেইনমুক্ত কফি: এটি নতুন কিছু শেখা ও স্মৃতির কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
যৌথ প্রভাব: উভয় ধরনের কফি পানকারীদের মধ্যেই মানসিক চাপ ও বিষণ্নতার লক্ষণ তুলনামূলক কম দেখা গেছে।
সতর্কতা
গবেষণায় কফির ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতাও উঠে এসেছে। প্রতিনিয়ত কফি পানকারীদের মধ্যে আবেগপ্রবণতা বা হঠকারিতার প্রবণতা কিছুটা বেশি দেখা গেছে। অন্যদিকে, যারা একেবারেই কফি পান করেন না, তারা কিছু নির্দিষ্ট স্মৃতিশক্তি-নির্ভর পরীক্ষায় ভালো ফল করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ অনিদ্রা, বুক ধড়ফড় করা, হজমের সমস্যা বা মানসিক অস্থিরতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই মানসিক বিষণ্নতা বা স্মৃতিশক্তির চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে কফি পান শুরু করার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কফিকে একটি বিশেষ জৈব উপাদান সমৃদ্ধ পানীয় হিসেবে বিবেচনা করে পরিমিত মাত্রায় গ্রহণ করাই শ্রেয়।
/এবি/

সকালের ক্লান্তি কাটাতে কিংবা কাজের ব্যস্ততায় এক কাপ কফি অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। কফি আমাদের সাময়িকভাবে চাঙা করে—এ তথ্য সবার জানা থাকলেও, অন্ত্রের (পেটের) উপকারী অণুজীবের ওপর এর প্রভাব কতখানি গভীর, তা নিয়ে উঠে এসেছে নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য। আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজ কর্কের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কফি পানের মাধ্যমে শরীরের ‘অন্ত্র-মস্তিষ্ক অক্ষ’ সরাসরি প্রভাবিত হয়।
অন্ত্রে কফির প্রভাব ও গবেষণার ধরন
অন্ত্রের কোটি কোটি অণুজীব খাবার ভেঙে এমন কিছু রাসায়নিক যৌগ তৈরি করে, যা মানুষের মানসিক চাপ, আবেগ ও চিন্তাশক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। কফিতে ক্যাফেইনের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ পলিফেনলসহ নানা জৈব-সক্রিয় উপাদান থাকে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে।
গবেষকেরা ৬২ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর এই পরীক্ষা চালান। অংশগ্রহণকারীদের দুই সপ্তাহে কফি থেকে দূরে রাখার পর তিন সপ্তাহের জন্য ক্যাফেইনযুক্ত ও ক্যাফেইনমুক্ত—এই দুই দলে ভাগ করে কফি পান করানো হয়। রক্ত, মল ও প্রস্রাবের নমুনা এবং নানা মানসিক মূল্যায়নের পর দেখা যায়, কফি পানের পর অন্ত্রের অণুজীবের গঠনে স্পষ্ট পরিবর্তন ঘটে।
ক্যাফেইনযুক্ত ও ক্যাফেইনমুক্ত কফির ভিন্নতা
গবেষণায় ক্যাফেইনযুক্ত এবং ক্যাফেইনমুক্ত—দুই ধরনের কফির ক্ষেত্রেই আলাদা কিছু ইতিবাচক দিক পরিলক্ষিত হয়েছে:
ক্যাফেইনযুক্ত কফি: তাৎক্ষণিক মনোযোগ, সতর্কতা বৃদ্ধি এবং উদ্বেগ কমানোর ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।
ক্যাফেইনমুক্ত কফি: এটি নতুন কিছু শেখা ও স্মৃতির কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
যৌথ প্রভাব: উভয় ধরনের কফি পানকারীদের মধ্যেই মানসিক চাপ ও বিষণ্নতার লক্ষণ তুলনামূলক কম দেখা গেছে।
সতর্কতা
গবেষণায় কফির ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতাও উঠে এসেছে। প্রতিনিয়ত কফি পানকারীদের মধ্যে আবেগপ্রবণতা বা হঠকারিতার প্রবণতা কিছুটা বেশি দেখা গেছে। অন্যদিকে, যারা একেবারেই কফি পান করেন না, তারা কিছু নির্দিষ্ট স্মৃতিশক্তি-নির্ভর পরীক্ষায় ভালো ফল করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ অনিদ্রা, বুক ধড়ফড় করা, হজমের সমস্যা বা মানসিক অস্থিরতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই মানসিক বিষণ্নতা বা স্মৃতিশক্তির চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে কফি পান শুরু করার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কফিকে একটি বিশেষ জৈব উপাদান সমৃদ্ধ পানীয় হিসেবে বিবেচনা করে পরিমিত মাত্রায় গ্রহণ করাই শ্রেয়।
/এবি/

কফি পানের পর শরীরে কী ঘটে, গবেষণায় মিলল নতুন তথ্য
লাইফস্টাইল ডেস্ক

সকালের ক্লান্তি কাটাতে কিংবা কাজের ব্যস্ততায় এক কাপ কফি অনেকেরই নিত্যসঙ্গী। কফি আমাদের সাময়িকভাবে চাঙা করে—এ তথ্য সবার জানা থাকলেও, অন্ত্রের (পেটের) উপকারী অণুজীবের ওপর এর প্রভাব কতখানি গভীর, তা নিয়ে উঠে এসেছে নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য। আয়ারল্যান্ডের ইউনিভার্সিটি কলেজ কর্কের এক গবেষণায় দেখা গেছে, কফি পানের মাধ্যমে শরীরের ‘অন্ত্র-মস্তিষ্ক অক্ষ’ সরাসরি প্রভাবিত হয়।
অন্ত্রে কফির প্রভাব ও গবেষণার ধরন
অন্ত্রের কোটি কোটি অণুজীব খাবার ভেঙে এমন কিছু রাসায়নিক যৌগ তৈরি করে, যা মানুষের মানসিক চাপ, আবেগ ও চিন্তাশক্তিকে প্রভাবিত করতে পারে। কফিতে ক্যাফেইনের পাশাপাশি প্রচুর পরিমাণ পলিফেনলসহ নানা জৈব-সক্রিয় উপাদান থাকে, যা অন্ত্রের উপকারী ব্যাকটেরিয়ার খাদ্য হিসেবে কাজ করে।
গবেষকেরা ৬২ জন প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তির ওপর এই পরীক্ষা চালান। অংশগ্রহণকারীদের দুই সপ্তাহে কফি থেকে দূরে রাখার পর তিন সপ্তাহের জন্য ক্যাফেইনযুক্ত ও ক্যাফেইনমুক্ত—এই দুই দলে ভাগ করে কফি পান করানো হয়। রক্ত, মল ও প্রস্রাবের নমুনা এবং নানা মানসিক মূল্যায়নের পর দেখা যায়, কফি পানের পর অন্ত্রের অণুজীবের গঠনে স্পষ্ট পরিবর্তন ঘটে।
ক্যাফেইনযুক্ত ও ক্যাফেইনমুক্ত কফির ভিন্নতা
গবেষণায় ক্যাফেইনযুক্ত এবং ক্যাফেইনমুক্ত—দুই ধরনের কফির ক্ষেত্রেই আলাদা কিছু ইতিবাচক দিক পরিলক্ষিত হয়েছে:
ক্যাফেইনযুক্ত কফি: তাৎক্ষণিক মনোযোগ, সতর্কতা বৃদ্ধি এবং উদ্বেগ কমানোর ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর।
ক্যাফেইনমুক্ত কফি: এটি নতুন কিছু শেখা ও স্মৃতির কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়ক ভূমিকা রাখে।
যৌথ প্রভাব: উভয় ধরনের কফি পানকারীদের মধ্যেই মানসিক চাপ ও বিষণ্নতার লক্ষণ তুলনামূলক কম দেখা গেছে।
সতর্কতা
গবেষণায় কফির ইতিবাচক দিকের পাশাপাশি কিছু সীমাবদ্ধতাও উঠে এসেছে। প্রতিনিয়ত কফি পানকারীদের মধ্যে আবেগপ্রবণতা বা হঠকারিতার প্রবণতা কিছুটা বেশি দেখা গেছে। অন্যদিকে, যারা একেবারেই কফি পান করেন না, তারা কিছু নির্দিষ্ট স্মৃতিশক্তি-নির্ভর পরীক্ষায় ভালো ফল করেছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণ অনিদ্রা, বুক ধড়ফড় করা, হজমের সমস্যা বা মানসিক অস্থিরতা বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই মানসিক বিষণ্নতা বা স্মৃতিশক্তির চিকিৎসার বিকল্প হিসেবে কফি পান শুরু করার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। কফিকে একটি বিশেষ জৈব উপাদান সমৃদ্ধ পানীয় হিসেবে বিবেচনা করে পরিমিত মাত্রায় গ্রহণ করাই শ্রেয়।
/এবি/









