সকালে না দুপুরে, কখন পেট ভরে খাবেন

সকালে না দুপুরে, কখন পেট ভরে খাবেন
সিজেডএন ডেস্ক

তীব্র গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি, আবার কখনো রোদের মধ্যেই বৃষ্টির দেখা- আবহাওয়ার এমন বৈচিত্র্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অস্বস্তিও। প্রচণ্ড গরমে ঘাম হওয়া, শরীর ভারী লাগা এবং বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর গোসলের প্রয়োজনীয়তা যেন নিত্যদিনের বিষয়। এমন পরিস্থিতিতে খাবার গ্রহণের সময় ও পরিমাণ নিয়েও অনেকের মনে তৈরি হয় নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে গরমের দিনে সকালে, দুপুরে নাকি রাতে তুলনামূলক বেশি খাবার খাওয়া উচিত-এ নিয়ে দ্বিধা থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, গরমের সময়ে একবারে বেশি পরিমাণ খাবার খাওয়া শরীরের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। এতে শরীরে অস্বস্তি বাড়ার পাশাপাশি হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। অ্যাসিডিটিসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই একসঙ্গে অনেকটা না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবার খাবার খাওয়াই ভালো।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু গরমকাল নয়, সারা বছরই দিনের শুরুটা পুষ্টিকর নাশতা দিয়ে করা উচিত। সকালের খাবার তুলনামূলকভাবে ভারী হতে পারে। এরপর দুপুরের খাবারে পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে আনা ভালো। রাতের খাবারও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত হওয়া উচিত। এভাবে খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও শক্তি পেতে পারে।
অনেকে ওজন কমানোর আশায় সকালের নাশতা বাদ দেন। কিন্তু এই অভ্যাস উপকারী নয় বলেই মনে করেন পুষ্টিবিদরা। দিনের প্রথম খাবার হিসেবে সকালের নাশতা শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায় এবং দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত নাশতা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতেও ভূমিকা রাখে। বিপরীতে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে বিপাকীয় কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যও ব্যাহত হতে পারে। তাই ওজন কমানোর চেষ্টা করলেও সকালের খাবার বাদ না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
দিনের প্রধান তিনটি খাবার-নাশতা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য রাখা জরুরি। খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকা প্রয়োজন। ডিম, মাছ, মাংস ও সয়াবিন হতে পারে প্রোটিনের ভালো উৎস। অন্যদিকে, তেল ও বিভিন্ন খাদ্য উপাদান থেকে প্রয়োজনীয় ফ্যাট পাওয়া যায়।
কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা পূরণে ভাত, রুটি, ওটস, ডালিয়া ও বিভিন্ন শস্যজাতীয় খাবার রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি শরীরের ভিটামিন ও খনিজের প্রয়োজন মেটাতে নিয়মিত শাকসবজি ও মৌসুমি ফল খাওয়া দরকার। এতে খাবারে বৈচিত্র্য ও পুষ্টির ভারসাম্য দুটিই বজায় থাকে।
গরমের সময়ে খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীর থেকে পানি কমে গিয়ে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই তৃষ্ণার অপেক্ষা না করে নিয়মিত পানি পান করা উচিত। সাধারণভাবে দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হলেও, ব্যক্তিভেদে পানির প্রয়োজন ভিন্ন হতে পারে। বিশেষ করে কিডনির সমস্যা বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি পান করাই নিরাপদ।

তীব্র গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি, আবার কখনো রোদের মধ্যেই বৃষ্টির দেখা- আবহাওয়ার এমন বৈচিত্র্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অস্বস্তিও। প্রচণ্ড গরমে ঘাম হওয়া, শরীর ভারী লাগা এবং বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর গোসলের প্রয়োজনীয়তা যেন নিত্যদিনের বিষয়। এমন পরিস্থিতিতে খাবার গ্রহণের সময় ও পরিমাণ নিয়েও অনেকের মনে তৈরি হয় নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে গরমের দিনে সকালে, দুপুরে নাকি রাতে তুলনামূলক বেশি খাবার খাওয়া উচিত-এ নিয়ে দ্বিধা থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, গরমের সময়ে একবারে বেশি পরিমাণ খাবার খাওয়া শরীরের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। এতে শরীরে অস্বস্তি বাড়ার পাশাপাশি হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। অ্যাসিডিটিসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই একসঙ্গে অনেকটা না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবার খাবার খাওয়াই ভালো।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু গরমকাল নয়, সারা বছরই দিনের শুরুটা পুষ্টিকর নাশতা দিয়ে করা উচিত। সকালের খাবার তুলনামূলকভাবে ভারী হতে পারে। এরপর দুপুরের খাবারে পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে আনা ভালো। রাতের খাবারও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত হওয়া উচিত। এভাবে খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও শক্তি পেতে পারে।
অনেকে ওজন কমানোর আশায় সকালের নাশতা বাদ দেন। কিন্তু এই অভ্যাস উপকারী নয় বলেই মনে করেন পুষ্টিবিদরা। দিনের প্রথম খাবার হিসেবে সকালের নাশতা শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায় এবং দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত নাশতা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতেও ভূমিকা রাখে। বিপরীতে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে বিপাকীয় কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যও ব্যাহত হতে পারে। তাই ওজন কমানোর চেষ্টা করলেও সকালের খাবার বাদ না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
দিনের প্রধান তিনটি খাবার-নাশতা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য রাখা জরুরি। খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকা প্রয়োজন। ডিম, মাছ, মাংস ও সয়াবিন হতে পারে প্রোটিনের ভালো উৎস। অন্যদিকে, তেল ও বিভিন্ন খাদ্য উপাদান থেকে প্রয়োজনীয় ফ্যাট পাওয়া যায়।
কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা পূরণে ভাত, রুটি, ওটস, ডালিয়া ও বিভিন্ন শস্যজাতীয় খাবার রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি শরীরের ভিটামিন ও খনিজের প্রয়োজন মেটাতে নিয়মিত শাকসবজি ও মৌসুমি ফল খাওয়া দরকার। এতে খাবারে বৈচিত্র্য ও পুষ্টির ভারসাম্য দুটিই বজায় থাকে।
গরমের সময়ে খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীর থেকে পানি কমে গিয়ে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই তৃষ্ণার অপেক্ষা না করে নিয়মিত পানি পান করা উচিত। সাধারণভাবে দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হলেও, ব্যক্তিভেদে পানির প্রয়োজন ভিন্ন হতে পারে। বিশেষ করে কিডনির সমস্যা বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি পান করাই নিরাপদ।

সকালে না দুপুরে, কখন পেট ভরে খাবেন
সিজেডএন ডেস্ক

তীব্র গরমের পর হঠাৎ বৃষ্টি, আবার কখনো রোদের মধ্যেই বৃষ্টির দেখা- আবহাওয়ার এমন বৈচিত্র্যের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অস্বস্তিও। প্রচণ্ড গরমে ঘাম হওয়া, শরীর ভারী লাগা এবং বাইরে থেকে ঘরে ফেরার পর গোসলের প্রয়োজনীয়তা যেন নিত্যদিনের বিষয়। এমন পরিস্থিতিতে খাবার গ্রহণের সময় ও পরিমাণ নিয়েও অনেকের মনে তৈরি হয় নানা প্রশ্ন। বিশেষ করে গরমের দিনে সকালে, দুপুরে নাকি রাতে তুলনামূলক বেশি খাবার খাওয়া উচিত-এ নিয়ে দ্বিধা থাকে।
পুষ্টিবিদদের মতে, গরমের সময়ে একবারে বেশি পরিমাণ খাবার খাওয়া শরীরের জন্য স্বস্তিদায়ক নয়। এতে শরীরে অস্বস্তি বাড়ার পাশাপাশি হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে। অ্যাসিডিটিসহ বিভিন্ন শারীরিক জটিলতার ঝুঁকিও বাড়তে পারে। তাই একসঙ্গে অনেকটা না খেয়ে অল্প অল্প করে কয়েকবার খাবার খাওয়াই ভালো।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু গরমকাল নয়, সারা বছরই দিনের শুরুটা পুষ্টিকর নাশতা দিয়ে করা উচিত। সকালের খাবার তুলনামূলকভাবে ভারী হতে পারে। এরপর দুপুরের খাবারে পরিমাণ কিছুটা কমিয়ে আনা ভালো। রাতের খাবারও প্রয়োজন অনুযায়ী পরিমিত হওয়া উচিত। এভাবে খাবারের ভারসাম্য বজায় রাখলে শরীর প্রয়োজনীয় প্রোটিন, ভিটামিন, খনিজ ও শক্তি পেতে পারে।
অনেকে ওজন কমানোর আশায় সকালের নাশতা বাদ দেন। কিন্তু এই অভ্যাস উপকারী নয় বলেই মনে করেন পুষ্টিবিদরা। দিনের প্রথম খাবার হিসেবে সকালের নাশতা শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তি জোগায় এবং দুর্বলতা কমাতে সাহায্য করে। নিয়মিত নাশতা শরীরের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতেও ভূমিকা রাখে। বিপরীতে, দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে বিপাকীয় কার্যক্রমে নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে এবং ওজন নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যও ব্যাহত হতে পারে। তাই ওজন কমানোর চেষ্টা করলেও সকালের খাবার বাদ না দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।
দিনের প্রধান তিনটি খাবার-নাশতা, দুপুরের খাবার ও রাতের খাবারে পুষ্টির ভারসাম্য রাখা জরুরি। খাদ্যতালিকায় প্রোটিন, স্বাস্থ্যকর ফ্যাট, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকা প্রয়োজন। ডিম, মাছ, মাংস ও সয়াবিন হতে পারে প্রোটিনের ভালো উৎস। অন্যদিকে, তেল ও বিভিন্ন খাদ্য উপাদান থেকে প্রয়োজনীয় ফ্যাট পাওয়া যায়।
কার্বোহাইড্রেটের চাহিদা পূরণে ভাত, রুটি, ওটস, ডালিয়া ও বিভিন্ন শস্যজাতীয় খাবার রাখা যেতে পারে। পাশাপাশি শরীরের ভিটামিন ও খনিজের প্রয়োজন মেটাতে নিয়মিত শাকসবজি ও মৌসুমি ফল খাওয়া দরকার। এতে খাবারে বৈচিত্র্য ও পুষ্টির ভারসাম্য দুটিই বজায় থাকে।
গরমের সময়ে খাবারের পাশাপাশি পর্যাপ্ত পানি পান করাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ঘাম হলে শরীর থেকে পানি কমে গিয়ে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই তৃষ্ণার অপেক্ষা না করে নিয়মিত পানি পান করা উচিত। সাধারণভাবে দিনে পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করার পরামর্শ দেওয়া হলেও, ব্যক্তিভেদে পানির প্রয়োজন ভিন্ন হতে পারে। বিশেষ করে কিডনির সমস্যা বা অন্য কোনো শারীরিক জটিলতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পানি পান করাই নিরাপদ।

রাতে ভাত খেলেই কি ওজন বাড়ে






