শিরোনাম

অন্য কারো প্রতি দুর্বল কিনা বুঝবেন যেভাবে

সিজেডএন ডেস্ক
সিজেডএন ডেস্ক
অন্য কারো প্রতি দুর্বল কিনা বুঝবেন যেভাবে
প্রতীকী ছবি

সম্পর্ক সাধারণত দুই ধরনের হয়ে থাকে। একটি শারিরীক, আরেকটি মানসিক। আপনি হয়তো কোনো সম্পর্কে আছেন বা বিবাহিত, কিন্তু তার সঙ্গে সবকিছু শেয়ার করেন না। আবার এমন কিছু মানুষ আছে যাদেরকে ক্ষুদ্র বিষয়ও জানাতে ভালো লাগে। অথবা তার একটি ছোট্ট ক্ষুদেবার্তাও আপনাকে আনন্দ দেয়।

অনেকেই একে মানসিক সম্পর্ক বলে থাকেন। তবে মানসিক শান্তি নাকি অন্য কিছু সেটা শনাক্ত করা অনেক কঠিন। কারণ এমন কোনো নির্দিষ্ট মুহূর্ত নেই যেখানে এটি স্পষ্টভাবে শুরু হয়। এখানে কয়েকটি সূক্ষ্ম লক্ষণ দেওয়া হলো যা থেকে বোঝা যায় আপনি মানসিকভাবে এমন কারও প্রতি নির্ভরশীল হয়ে উঠছেন, যিনি আপনার সঙ্গী নন-

তাকে আপনি সবকিছু বলতে চান

আপনার ভালো লাগা, মন্দ লাগা এমনকি মজার কিছু ঘটলে কিছু না ভেবেই আপনার সঙ্গীর নামের আগে আপনার আঙুল তাদের নাম টাইপ করে ফেলে। সম্পর্কের বাইরে ঘনিষ্ঠ বন্ধু থাকাটা স্বাভাবিক। তবে পার্থক্যটা হলো, কে আপনার মানসিক আশ্রয় হয়ে উঠেছে। যদি অন্য কেউ ধারাবাহিকভাবে প্রথম ব্যক্তি হয়ে ওঠে, তবে নিজেকে প্রশ্ন করুন কেন?

সবকিছু শেয়ার করেন

প্রতিটি সম্পর্কই শেয়ারিং ও কেয়ারিংয়ের মাধ্যমে গভীর হয়। কিন্তু এমন কিছু কথা আছে যা আপনার সঙ্গীর চেয়ে তাকে বলতে স্বাচ্ছন্দবোধ করেন। তবে ধরে নিন অজান্তেই আপনাদের দুজনের মধ্যে মানসিক দূরত্ব বেড়ে চলেছে।

তার মেসেজের জন্য অপেক্ষা

আপনার জীবনসঙ্গী বা প্রেমিকের চেয়ে অন্য কারো সঙ্গে কথা বলতে ভালো লাগে। তার মেসেজের জন্য অপেক্ষা করেন। অথবা তার ছোট একটা মেসেজও আপনাকে আনন্দ দেয়। যদি কোনো একজনের মেসেজ ক্রমাগত আপনার মন ভালো করে দেয়, আপনার মনোযোগে ব্যাঘাত ঘটায় বা এমন কিছুতে পরিণত হয় যার জন্য আপনি সারাদিন নীরবে অপেক্ষা করেন, তবে বিষয়টি মনোযোগ দেওয়ার যোগ্য। এটি হয়তো রোমান্স সম্পর্কিত নয়, এটি মানসিক নির্ভরতা সম্পর্কিত। যখন আপনার সঙ্গীর চেয়ে অন্য কারো মনোযোগ আপনার মেজাজকে বেশি প্রভাবিত করতে শুরু করে, তখন সম্পর্কের গতিপ্রকৃতিতে পরিবর্তন আসতে পারে।

বন্ধুত্বটি লুকিয়ে রাখেন

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো আপনি কী লুকাচ্ছেন। হয়তো আপনার সঙ্গী দেখে ফেলতে পারে এজন্য তার চ্যাট মুছে ফেলছেন। অথবা তার সঙ্গে কথা বলেন সেটা লুকান। হয়তো আপনি বন্ধুত্বটিকে ছোট করে দেখেন কারণ আপনি জানেন যে পুরো ঘটনাটি শুনলে আপনার সঙ্গী অস্বস্তি বোধ করবে। এটি ইঙ্গিত দেয় যে আপনি ঠিক করছেন না।

তার সঙ্গে জীবন কাটানোর কল্পনা করেন

এই সম্পর্ককে আপনি নিরীহ বলতে চান, আবার তার সঙ্গে আপনার সঙ্গীর তুলনা করেন। আপনি কল্পনা করেন পরিস্থিতি ভিন্ন হলে জীবন কতটা আলাদা হতে পারতো। এমন চিন্তু মাথায় আসলে ধরে নিতে পারেন আপনি আগের জায়গায় নেই।

/জেএইচ/