ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২
সিজেডএন ডেস্ক

সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভেনেজুয়েলা, মেক্সিকো, কলম্বিয়া, জাপানের পর এবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত ২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি)। এ ঘটনায় দেশটির হাজার হাজার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর পরে দুটি আফটারশক হয়, যার মধ্যে একটির মাত্রা ছিল ৬.১।
ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় বাসিন্দাদের সমুদ্রসৈকত ও নদীর তীর থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর কারণে ভূমিকম্পটির কারণে পূর্ব নুসা তেংগারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি ও পশ্চিম নুসা তেংগারা প্রদেশে সুনামি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমকেজি।
সুনামির সতর্কতায় শূন্য দশমিক ৫ মিটার থেকে ৩ মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে ভূমিকম্প ও সুনামি সতর্কতার পর ফ্লোরেস দ্বীপের মাউমেরে শহরের বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য উঁচু এলাকায় চলে যেতে শুরু করেন। ওই এলাকায় সমুদ্রের পানি কিছুটা সরে যেতে দেখা গেছে-যা সম্ভাব্য সুনামির লক্ষ্যণ।
ইন্দোনেশিয়ার টেলিভিশনে প্রচারিত বিভিন্ন ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এবং নিকটবর্তী নাগেওকেও রিজেন্সির হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা যায়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কয়েকটি এলাকায় ১৯ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামির ঢেউ শনাক্ত করা হয়েছে।
১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতপ্রবণ দেশ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকার আগ্নেয়গিরি ও ভূতাত্ত্বিক চ্যুতির বিস্তৃত বলয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ দেশটির অবস্থান। সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির কার্যক্রম দেখা যায়।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ায় ৯.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই ভূমিকম্প ও তার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি

সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভেনেজুয়েলা, মেক্সিকো, কলম্বিয়া, জাপানের পর এবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত ২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি)। এ ঘটনায় দেশটির হাজার হাজার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর পরে দুটি আফটারশক হয়, যার মধ্যে একটির মাত্রা ছিল ৬.১।
ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় বাসিন্দাদের সমুদ্রসৈকত ও নদীর তীর থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর কারণে ভূমিকম্পটির কারণে পূর্ব নুসা তেংগারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি ও পশ্চিম নুসা তেংগারা প্রদেশে সুনামি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমকেজি।
সুনামির সতর্কতায় শূন্য দশমিক ৫ মিটার থেকে ৩ মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে ভূমিকম্প ও সুনামি সতর্কতার পর ফ্লোরেস দ্বীপের মাউমেরে শহরের বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য উঁচু এলাকায় চলে যেতে শুরু করেন। ওই এলাকায় সমুদ্রের পানি কিছুটা সরে যেতে দেখা গেছে-যা সম্ভাব্য সুনামির লক্ষ্যণ।
ইন্দোনেশিয়ার টেলিভিশনে প্রচারিত বিভিন্ন ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এবং নিকটবর্তী নাগেওকেও রিজেন্সির হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা যায়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কয়েকটি এলাকায় ১৯ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামির ঢেউ শনাক্ত করা হয়েছে।
১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতপ্রবণ দেশ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকার আগ্নেয়গিরি ও ভূতাত্ত্বিক চ্যুতির বিস্তৃত বলয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ দেশটির অবস্থান। সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির কার্যক্রম দেখা যায়।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ায় ৯.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই ভূমিকম্প ও তার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি

ইন্দোনেশিয়ায় ৭.৭ মাত্রার ভূমিকম্প, নিহত ২
সিজেডএন ডেস্ক

সম্প্রতি বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ভেনেজুয়েলা, মেক্সিকো, কলম্বিয়া, জাপানের পর এবার ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলে ৭.৭ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। এতে এখন পর্যন্ত ২ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। স্থানীয় সময় শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে আঘাত হানা ভূমিকম্পের পর সুনামি সতর্কতা জারি করেছে দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ু ও ভূ-পদার্থবিদ্যা সংস্থা (বিএমকেজি)। এ ঘটনায় দেশটির হাজার হাজার মানুষ আতঙ্কিত হয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য ছুটছেন।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৫টা ৫৮ মিনিটে ইন্দোনেশিয়ার ফ্লোরেস অঞ্চলে ১০ কিলোমিটার গভীরে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর পরে দুটি আফটারশক হয়, যার মধ্যে একটির মাত্রা ছিল ৬.১।
ভূমিকম্পের পর উপকূলীয় বাসিন্দাদের সমুদ্রসৈকত ও নদীর তীর থেকে দূরে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর কারণে ভূমিকম্পটির কারণে পূর্ব নুসা তেংগারা, দক্ষিণ সুলাওয়েসি ও পশ্চিম নুসা তেংগারা প্রদেশে সুনামি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বিএমকেজি।
সুনামির সতর্কতায় শূন্য দশমিক ৫ মিটার থেকে ৩ মিটার উচ্চতার ঢেউয়ের আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
এদিকে ভূমিকম্প ও সুনামি সতর্কতার পর ফ্লোরেস দ্বীপের মাউমেরে শহরের বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ের জন্য উঁচু এলাকায় চলে যেতে শুরু করেন। ওই এলাকায় সমুদ্রের পানি কিছুটা সরে যেতে দেখা গেছে-যা সম্ভাব্য সুনামির লক্ষ্যণ।
ইন্দোনেশিয়ার টেলিভিশনে প্রচারিত বিভিন্ন ছবিতে ক্ষতিগ্রস্ত ভবন এবং নিকটবর্তী নাগেওকেও রিজেন্সির হাজার হাজার মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরে যেতে দেখা যায়।
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, কয়েকটি এলাকায় ১৯ থেকে ৩০ সেন্টিমিটার উচ্চতার সুনামির ঢেউ শনাক্ত করা হয়েছে।
১৭ হাজারেরও বেশি দ্বীপ নিয়ে গঠিত ইন্দোনেশিয়া ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির অগ্ন্যুৎপাতপ্রবণ দেশ। প্রশান্ত মহাসাগরীয় অববাহিকার আগ্নেয়গিরি ও ভূতাত্ত্বিক চ্যুতির বিস্তৃত বলয় ‘রিং অব ফায়ার’-এ দেশটির অবস্থান। সেখানে প্রায়ই ভূমিকম্প ও আগ্নেয়গিরির কার্যক্রম দেখা যায়।
প্রসঙ্গত, ২০০৪ সালে ইন্দোনেশিয়ায় ৯.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হানে। সেই ভূমিকম্প ও তার ফলে সৃষ্ট সুনামিতে দেশটিতে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছিল।
সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান, বিবিসি

কলম্বিয়ায় ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২৬৫
জাপানে ৭.১ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প, সুনামির সতর্কতা জারি







