টুথব্রাশ কেনার সময় কী কী বিষয় দেখা উচিত

টুথব্রাশ কেনার সময় কী কী বিষয় দেখা উচিত
লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অতি পরিচিত একটি উপাদান টুথব্রাশ। তবে বাজার থেকে সঠিক ব্রাশটি বেছে নিচ্ছেন তো? বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল টুথব্রাশ ব্যবহারের কারণে দাঁতের এনামেল ক্ষয়সহ মাড়ির নানা জটিল সমস্যা তৈরি হতে পারে।
টুথব্রাশ কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
ব্রিসলের ধরন: টুথব্রাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর ব্রিসল বা চুল। সবসময় ‘সফট’ বা ‘আল্ট্রা সফট’ ব্রিসলের ব্রাশ নির্বাচন করা উচিত। হার্ড বা মিডিয়াম ব্রিসল দাঁতের উপরিভাগের এনামেল ক্ষয় করে ফেলে এবং মাড়িকে রক্তাক্ত করতে পারে।
ব্রাশের মাথার আকৃতি: ব্রাশের সামনের অংশ বা হেড এমন আকৃতির হওয়া উচিত, যা মুখের ভেতরে ভেতরের দিকের দাঁতগুলো (মোলার) পর্যন্ত সহজেই পৌঁছাতে পারে। সাধারণত ছোট ও ডিম্বাকৃতির হেড যুক্ত ব্রাশ ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
ক্লিনিক্যাল রাউন্ডেড ব্রিসল: ভালো মানের ব্রাশের ব্রিসলের মাথাগুলো মাইক্রোস্কোপে দেখলে দেখা যায় সেগুলো গোলাকার । ধারালো বা অসমান মাথার ব্রিসল মাড়ি কেটে ফেলার জন্য দায়ী।
গ্রিপ বা হ্যান্ডেল: ব্রাশের হ্যান্ডেলটি এমন হওয়া প্রয়োজন যেন হাত থেকে পিছলে না যায় এবং ব্যবহারের সময় সঠিক নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।
ফুটপাতের কমদামী টুথব্রাশ কি স্বাস্থ্যসম্মত?
ফুটপাতে বা হকারদের কাছে অত্যন্ত কম দামে যেসব টুথব্রাশ বিক্রি হয়, চিকিৎসকদের মতে সেগুলো একদমই স্বাস্থ্যসম্মত নয় এবং ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।
অমসৃণ ও নিম্নমানের প্লাস্টিক: এসব ব্রাশে নিম্নমানের ও বিষাক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এগুলোর ব্রিসলগুলোর মাথা ধারালো ও খসখসে থাকে, যা খালি চোখে বোঝা যায় না। এটি মাড়িতে ক্ষত তৈরি করে রক্তপাতের কারণ হয়।
জীবাণু ও হাইজিন ঝুঁকি: খোলা অবস্থায় ফুটপাতে বিক্রি হওয়ায় এগুলোতে ধুলাবালি ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জমে থাকে, যা সরাসরি মুখে প্রবেশ করে ইনফেকশন তৈরি করতে পারে।
দাঁতের স্থায়ী ক্ষতি: ফুটপাতের শক্ত ও ধারালো ব্রিসলের ব্রাশ নিয়মিত ব্যবহারে দাঁতের এনামেল স্থায়ীভাবে ক্ষয়ে যায় এবং দাঁতে শিরশিরে ভাব দেখা দেয়।
একটি টুথব্রাশ কতদিন ব্যবহার করবেন
মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতি ২ থেকে ৩ মাস পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন দন্ত চিকিৎসকেরা। ফুটপাতের নিম্নমানের ব্রাশ এড়িয়ে চলাই দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক।
/এবি/

প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অতি পরিচিত একটি উপাদান টুথব্রাশ। তবে বাজার থেকে সঠিক ব্রাশটি বেছে নিচ্ছেন তো? বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল টুথব্রাশ ব্যবহারের কারণে দাঁতের এনামেল ক্ষয়সহ মাড়ির নানা জটিল সমস্যা তৈরি হতে পারে।
টুথব্রাশ কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
ব্রিসলের ধরন: টুথব্রাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর ব্রিসল বা চুল। সবসময় ‘সফট’ বা ‘আল্ট্রা সফট’ ব্রিসলের ব্রাশ নির্বাচন করা উচিত। হার্ড বা মিডিয়াম ব্রিসল দাঁতের উপরিভাগের এনামেল ক্ষয় করে ফেলে এবং মাড়িকে রক্তাক্ত করতে পারে।
ব্রাশের মাথার আকৃতি: ব্রাশের সামনের অংশ বা হেড এমন আকৃতির হওয়া উচিত, যা মুখের ভেতরে ভেতরের দিকের দাঁতগুলো (মোলার) পর্যন্ত সহজেই পৌঁছাতে পারে। সাধারণত ছোট ও ডিম্বাকৃতির হেড যুক্ত ব্রাশ ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
ক্লিনিক্যাল রাউন্ডেড ব্রিসল: ভালো মানের ব্রাশের ব্রিসলের মাথাগুলো মাইক্রোস্কোপে দেখলে দেখা যায় সেগুলো গোলাকার । ধারালো বা অসমান মাথার ব্রিসল মাড়ি কেটে ফেলার জন্য দায়ী।
গ্রিপ বা হ্যান্ডেল: ব্রাশের হ্যান্ডেলটি এমন হওয়া প্রয়োজন যেন হাত থেকে পিছলে না যায় এবং ব্যবহারের সময় সঠিক নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।
ফুটপাতের কমদামী টুথব্রাশ কি স্বাস্থ্যসম্মত?
ফুটপাতে বা হকারদের কাছে অত্যন্ত কম দামে যেসব টুথব্রাশ বিক্রি হয়, চিকিৎসকদের মতে সেগুলো একদমই স্বাস্থ্যসম্মত নয় এবং ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।
অমসৃণ ও নিম্নমানের প্লাস্টিক: এসব ব্রাশে নিম্নমানের ও বিষাক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এগুলোর ব্রিসলগুলোর মাথা ধারালো ও খসখসে থাকে, যা খালি চোখে বোঝা যায় না। এটি মাড়িতে ক্ষত তৈরি করে রক্তপাতের কারণ হয়।
জীবাণু ও হাইজিন ঝুঁকি: খোলা অবস্থায় ফুটপাতে বিক্রি হওয়ায় এগুলোতে ধুলাবালি ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জমে থাকে, যা সরাসরি মুখে প্রবেশ করে ইনফেকশন তৈরি করতে পারে।
দাঁতের স্থায়ী ক্ষতি: ফুটপাতের শক্ত ও ধারালো ব্রিসলের ব্রাশ নিয়মিত ব্যবহারে দাঁতের এনামেল স্থায়ীভাবে ক্ষয়ে যায় এবং দাঁতে শিরশিরে ভাব দেখা দেয়।
একটি টুথব্রাশ কতদিন ব্যবহার করবেন
মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতি ২ থেকে ৩ মাস পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন দন্ত চিকিৎসকেরা। ফুটপাতের নিম্নমানের ব্রাশ এড়িয়ে চলাই দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক।
/এবি/

টুথব্রাশ কেনার সময় কী কী বিষয় দেখা উচিত
লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রতিদিনের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় অতি পরিচিত একটি উপাদান টুথব্রাশ। তবে বাজার থেকে সঠিক ব্রাশটি বেছে নিচ্ছেন তো? বিশেষজ্ঞদের মতে, ভুল টুথব্রাশ ব্যবহারের কারণে দাঁতের এনামেল ক্ষয়সহ মাড়ির নানা জটিল সমস্যা তৈরি হতে পারে।
টুথব্রাশ কেনার সময় যেসব বিষয় খেয়াল রাখবেন
ব্রিসলের ধরন: টুথব্রাশের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো এর ব্রিসল বা চুল। সবসময় ‘সফট’ বা ‘আল্ট্রা সফট’ ব্রিসলের ব্রাশ নির্বাচন করা উচিত। হার্ড বা মিডিয়াম ব্রিসল দাঁতের উপরিভাগের এনামেল ক্ষয় করে ফেলে এবং মাড়িকে রক্তাক্ত করতে পারে।
ব্রাশের মাথার আকৃতি: ব্রাশের সামনের অংশ বা হেড এমন আকৃতির হওয়া উচিত, যা মুখের ভেতরে ভেতরের দিকের দাঁতগুলো (মোলার) পর্যন্ত সহজেই পৌঁছাতে পারে। সাধারণত ছোট ও ডিম্বাকৃতির হেড যুক্ত ব্রাশ ব্যবহারের জন্য সবচেয়ে উপযোগী।
ক্লিনিক্যাল রাউন্ডেড ব্রিসল: ভালো মানের ব্রাশের ব্রিসলের মাথাগুলো মাইক্রোস্কোপে দেখলে দেখা যায় সেগুলো গোলাকার । ধারালো বা অসমান মাথার ব্রিসল মাড়ি কেটে ফেলার জন্য দায়ী।
গ্রিপ বা হ্যান্ডেল: ব্রাশের হ্যান্ডেলটি এমন হওয়া প্রয়োজন যেন হাত থেকে পিছলে না যায় এবং ব্যবহারের সময় সঠিক নিয়ন্ত্রণ বজায় থাকে।
ফুটপাতের কমদামী টুথব্রাশ কি স্বাস্থ্যসম্মত?
ফুটপাতে বা হকারদের কাছে অত্যন্ত কম দামে যেসব টুথব্রাশ বিক্রি হয়, চিকিৎসকদের মতে সেগুলো একদমই স্বাস্থ্যসম্মত নয় এবং ব্যবহারের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক।
অমসৃণ ও নিম্নমানের প্লাস্টিক: এসব ব্রাশে নিম্নমানের ও বিষাক্ত প্লাস্টিক ব্যবহার করা হয়। এছাড়া এগুলোর ব্রিসলগুলোর মাথা ধারালো ও খসখসে থাকে, যা খালি চোখে বোঝা যায় না। এটি মাড়িতে ক্ষত তৈরি করে রক্তপাতের কারণ হয়।
জীবাণু ও হাইজিন ঝুঁকি: খোলা অবস্থায় ফুটপাতে বিক্রি হওয়ায় এগুলোতে ধুলাবালি ও ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া জমে থাকে, যা সরাসরি মুখে প্রবেশ করে ইনফেকশন তৈরি করতে পারে।
দাঁতের স্থায়ী ক্ষতি: ফুটপাতের শক্ত ও ধারালো ব্রিসলের ব্রাশ নিয়মিত ব্যবহারে দাঁতের এনামেল স্থায়ীভাবে ক্ষয়ে যায় এবং দাঁতে শিরশিরে ভাব দেখা দেয়।
একটি টুথব্রাশ কতদিন ব্যবহার করবেন
মুখের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে প্রতি ২ থেকে ৩ মাস পর পর ব্রাশ পরিবর্তন করার পরামর্শ দেন দন্ত চিকিৎসকেরা। ফুটপাতের নিম্নমানের ব্রাশ এড়িয়ে চলাই দাঁত ও মাড়ির সুরক্ষায় দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক।
/এবি/









