ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় যারা

ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় যারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কমিটি যে কোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে। এর মধ্য দিয়ে অবসান ঘটতে যাচ্ছে রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও নাছির উদ্দীন নাছির নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটির।
এদিকে নতুন কমিটিতে কারা জায়গা পেতে যাচ্ছেন, সেটা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। জানা গেছে, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠের ভূমিকা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিকে এবার ছাত্রদলের নেতৃত্বের মূল মাপকাঠি নির্ধারণ করা হয়েছে। শীর্ষ পদগুলোতে আসার দৌড়ে বেশ কয়েকজন পরীক্ষিত ও পরিচিত মুখ জোড়ালোভাবে আলোচনায় রয়েছেন।
সভাপতি পদে আলোচনায় যারা
নতুন কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির, সহসভাপতি জহির রায়হান আহমেদ, সহসভাপতি মঞ্জরুল আলম রিয়াদ, খোরশেদ আলম সোহেল, তৌহিদুর রহমান আউয়াল, মোঃ কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান।
সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা
কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং ১ নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামিম আকতার শুভ।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে
এ ছাড়া নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন ২০১০-১১ সেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, সোহেল রানা ও ইব্রাহিম খলিল। অন্যদিকে গাজী সাদ্দামও আলোচনায় রয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রদলের বিদায়ী শীর্ষ ছয় নেতা। বৈঠকে সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ও সরকারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বিদায়ী নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনে তোমরা অসামান্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছো। রাজপথের এই লড়াই ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে নিয়মানুযায়ী ছাত্রদলে তোমাদের সময় শেষ। এখন সময় এসেছে নতুনদের সুযোগ করে দেওয়ার এবং মূল দলের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার।
জানা যায়, এ সময় তিনি ভবিষ্যৎ রাজনীতিতেও পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও ত্যাগী মানসিকতা বজায় রাখার তাগিদ দেন। বিদায়ী নেতারাও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে দলের যেকোনো দায়িত্ব পালনে নিজেদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, নিয়ম অনুযায়ী ছাত্রদলে আমাদের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়েছে। এখন সময় এসেছে নতুনদের সুযোগ করে দেওয়ার এবং মূল দলের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার।

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কমিটি যে কোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে। এর মধ্য দিয়ে অবসান ঘটতে যাচ্ছে রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও নাছির উদ্দীন নাছির নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটির।
এদিকে নতুন কমিটিতে কারা জায়গা পেতে যাচ্ছেন, সেটা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। জানা গেছে, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠের ভূমিকা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিকে এবার ছাত্রদলের নেতৃত্বের মূল মাপকাঠি নির্ধারণ করা হয়েছে। শীর্ষ পদগুলোতে আসার দৌড়ে বেশ কয়েকজন পরীক্ষিত ও পরিচিত মুখ জোড়ালোভাবে আলোচনায় রয়েছেন।
সভাপতি পদে আলোচনায় যারা
নতুন কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির, সহসভাপতি জহির রায়হান আহমেদ, সহসভাপতি মঞ্জরুল আলম রিয়াদ, খোরশেদ আলম সোহেল, তৌহিদুর রহমান আউয়াল, মোঃ কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান।
সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা
কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং ১ নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামিম আকতার শুভ।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে
এ ছাড়া নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন ২০১০-১১ সেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, সোহেল রানা ও ইব্রাহিম খলিল। অন্যদিকে গাজী সাদ্দামও আলোচনায় রয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রদলের বিদায়ী শীর্ষ ছয় নেতা। বৈঠকে সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ও সরকারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বিদায়ী নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনে তোমরা অসামান্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছো। রাজপথের এই লড়াই ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে নিয়মানুযায়ী ছাত্রদলে তোমাদের সময় শেষ। এখন সময় এসেছে নতুনদের সুযোগ করে দেওয়ার এবং মূল দলের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার।
জানা যায়, এ সময় তিনি ভবিষ্যৎ রাজনীতিতেও পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও ত্যাগী মানসিকতা বজায় রাখার তাগিদ দেন। বিদায়ী নেতারাও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে দলের যেকোনো দায়িত্ব পালনে নিজেদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, নিয়ম অনুযায়ী ছাত্রদলে আমাদের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়েছে। এখন সময় এসেছে নতুনদের সুযোগ করে দেওয়ার এবং মূল দলের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার।

ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আলোচনায় যারা
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের কার্যক্রম প্রায় শেষ পর্যায়ে। দলীয় সূত্র জানিয়েছে, বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় কমিটি যে কোনো মুহূর্তে ঘোষণা হতে পারে। এর মধ্য দিয়ে অবসান ঘটতে যাচ্ছে রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও নাছির উদ্দীন নাছির নেতৃত্বাধীন বর্তমান কমিটির।
এদিকে নতুন কমিটিতে কারা জায়গা পেতে যাচ্ছেন, সেটা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। জানা গেছে, বিগত আন্দোলন-সংগ্রামে মাঠের ভূমিকা এবং পরিচ্ছন্ন ভাবমূর্তিকে এবার ছাত্রদলের নেতৃত্বের মূল মাপকাঠি নির্ধারণ করা হয়েছে। শীর্ষ পদগুলোতে আসার দৌড়ে বেশ কয়েকজন পরীক্ষিত ও পরিচিত মুখ জোড়ালোভাবে আলোচনায় রয়েছেন।
সভাপতি পদে আলোচনায় যারা
নতুন কমিটির কেন্দ্রীয় সভাপতি পদে আলোচনায় আছেন বর্তমান কমিটির সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির, সহসভাপতি জহির রায়হান আহমেদ, সহসভাপতি মঞ্জরুল আলম রিয়াদ, খোরশেদ আলম সোহেল, তৌহিদুর রহমান আউয়াল, মোঃ কাজী জিয়া উদ্দিন বাসিত ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম জিসান।
সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় যারা
কমিটির সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মালুম, সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, ১ নম্বর যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফারুক হোসেন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস এবং ১ নম্বর যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ শামিম আকতার শুভ।
সাংগঠনিক সম্পাদক পদে
এ ছাড়া নতুন কমিটিতে সাংগঠনিক সম্পাদক পদে আলোচনায় আছেন ২০১০-১১ সেশনের কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাজু আহমেদ, সোহেল রানা ও ইব্রাহিম খলিল। অন্যদিকে গাজী সাদ্দামও আলোচনায় রয়েছেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপির চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রদলের বিদায়ী শীর্ষ ছয় নেতা। বৈঠকে সাম্প্রতিক বৈষম্যবিরোধী ও সরকারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদলের সাহসী ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন বিএনপির চেয়ারম্যান।
বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বিদায়ী নেতাদের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেছেন, বিগত ফ্যাসিস্ট সরকারের পতনে তোমরা অসামান্য আন্দোলন ও সংগ্রাম করেছো। রাজপথের এই লড়াই ইতিহাসে স্মরণীয় হয়ে থাকবে। তবে নিয়মানুযায়ী ছাত্রদলে তোমাদের সময় শেষ। এখন সময় এসেছে নতুনদের সুযোগ করে দেওয়ার এবং মূল দলের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার।
জানা যায়, এ সময় তিনি ভবিষ্যৎ রাজনীতিতেও পেশাদারত্ব, শৃঙ্খলা ও ত্যাগী মানসিকতা বজায় রাখার তাগিদ দেন। বিদায়ী নেতারাও কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তকে পূর্ণ শ্রদ্ধা জানিয়ে দলের যেকোনো দায়িত্ব পালনে নিজেদের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।
সাক্ষাৎ শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক বার্তায় বিদায়ের ইঙ্গিত দিয়েছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব।
পোস্টে তিনি লিখেছেন, নিয়ম অনুযায়ী ছাত্রদলে আমাদের প্রয়োজনীয়তা শেষ হয়েছে। এখন সময় এসেছে নতুনদের সুযোগ করে দেওয়ার এবং মূল দলের রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ার।

যেকোনো মুহূর্তে ছাত্রদলের নতুন কমিটি ঘোষণা






