হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযান শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র

হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযান শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

পরমাণু আলোচনা ও হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আলোচনায় না ফিরলে ইরানিদের শেষ করে দেওয়ার হুমকির পর এবার যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে ‘মুক্ত করতে সাহায্য’ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে মার্কিন প্রশাসন কৌশলগত এই জলপথে ইরানের অবরোধ ভেঙে দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৪ এপ্রিল) থেকেই শুরু হবে এই কার্যক্রম। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ট্রাম্প জানান, যাদের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়েছে, সেইসব দেশের অনুরোধে তিনি ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে এই অভিযান শুরু করছেন। এই জাহাজগুলোকে ‘নিরপেক্ষ এবং নির্দোষ দর্শক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইরানের মঙ্গলের জন্য আমরা এই দেশগুলোকে বলেছি তাদের জাহাজগুলোকে নিরাপদে এই নিষিদ্ধ জলপথ থেকে বের করে আনব। যাতে তারা দক্ষতার সঙ্গে এবং অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে।’
যদিও কোন দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাহায্য চেয়েছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে তিনি কিছু বলেননি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আটকে পড়া এসব জাহাজের অনেকটিতেই খাবার এবং বিশাল ক্রু সদস্যদের সুস্থ ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসের অভাব দেখা দিচ্ছে।’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই অভিযানে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হলে তা ‘দুর্ভাগ্যবশত কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’
এই অভিযানকে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। যদিও কীভাবে এটা পরিচালিত হবে বা তেহরানের সঙ্গে কোনো সমন্বয় করা হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে এটি ইরানি প্রতিরোধের মুখে পড়লে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
এদিকে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, প্রণালিতে যেকোনো ধরনের ‘মার্কিন হস্তক্ষেপ’ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি এবং পারস্য উপসাগর ট্রাম্পের কাল্পনিক পোস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে না! দোষারোপের এই নাটক কেউ বিশ্বাস করবে না!’
সূত্র: আল জাজিরা

পরমাণু আলোচনা ও হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আলোচনায় না ফিরলে ইরানিদের শেষ করে দেওয়ার হুমকির পর এবার যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে ‘মুক্ত করতে সাহায্য’ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে মার্কিন প্রশাসন কৌশলগত এই জলপথে ইরানের অবরোধ ভেঙে দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৪ এপ্রিল) থেকেই শুরু হবে এই কার্যক্রম। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ট্রাম্প জানান, যাদের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়েছে, সেইসব দেশের অনুরোধে তিনি ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে এই অভিযান শুরু করছেন। এই জাহাজগুলোকে ‘নিরপেক্ষ এবং নির্দোষ দর্শক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইরানের মঙ্গলের জন্য আমরা এই দেশগুলোকে বলেছি তাদের জাহাজগুলোকে নিরাপদে এই নিষিদ্ধ জলপথ থেকে বের করে আনব। যাতে তারা দক্ষতার সঙ্গে এবং অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে।’
যদিও কোন দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাহায্য চেয়েছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে তিনি কিছু বলেননি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আটকে পড়া এসব জাহাজের অনেকটিতেই খাবার এবং বিশাল ক্রু সদস্যদের সুস্থ ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসের অভাব দেখা দিচ্ছে।’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই অভিযানে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হলে তা ‘দুর্ভাগ্যবশত কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’
এই অভিযানকে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। যদিও কীভাবে এটা পরিচালিত হবে বা তেহরানের সঙ্গে কোনো সমন্বয় করা হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে এটি ইরানি প্রতিরোধের মুখে পড়লে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
এদিকে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, প্রণালিতে যেকোনো ধরনের ‘মার্কিন হস্তক্ষেপ’ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি এবং পারস্য উপসাগর ট্রাম্পের কাল্পনিক পোস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে না! দোষারোপের এই নাটক কেউ বিশ্বাস করবে না!’
সূত্র: আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালিতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ অভিযান শুরু করছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

পরমাণু আলোচনা ও হরমুজ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের উত্তেজনা দিন দিন বেড়েই চলেছে। আলোচনায় না ফিরলে ইরানিদের শেষ করে দেওয়ার হুমকির পর এবার যুক্তরাষ্ট্র হরমুজ প্রণালিতে আটকে পড়া জাহাজগুলোকে ‘মুক্ত করতে সাহায্য’ করবে বলে জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেইসঙ্গে মার্কিন প্রশাসন কৌশলগত এই জলপথে ইরানের অবরোধ ভেঙে দেবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
সোমবার (৪ এপ্রিল) থেকেই শুরু হবে এই কার্যক্রম। কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।
ট্রাম্প জানান, যাদের জাহাজ হরমুজ প্রণালিতে আটকা পড়েছে, সেইসব দেশের অনুরোধে তিনি ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামে এই অভিযান শুরু করছেন। এই জাহাজগুলোকে ‘নিরপেক্ষ এবং নির্দোষ দর্শক’ হিসেবে অভিহিত করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।
নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র, মধ্যপ্রাচ্য এবং ইরানের মঙ্গলের জন্য আমরা এই দেশগুলোকে বলেছি তাদের জাহাজগুলোকে নিরাপদে এই নিষিদ্ধ জলপথ থেকে বের করে আনব। যাতে তারা দক্ষতার সঙ্গে এবং অবাধে ব্যবসা চালিয়ে যেতে পারে।’
যদিও কোন দেশগুলো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে সাহায্য চেয়েছে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট করে তিনি কিছু বলেননি।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, ‘আটকে পড়া এসব জাহাজের অনেকটিতেই খাবার এবং বিশাল ক্রু সদস্যদের সুস্থ ও স্বাস্থ্যসম্মতভাবে থাকার জন্য প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসের অভাব দেখা দিচ্ছে।’
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, এই অভিযানে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ করা হলে তা ‘দুর্ভাগ্যবশত কঠোরভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’
এই অভিযানকে মানবিক পদক্ষেপ হিসেবে বর্ণনা করেছেন ট্রাম্প। যদিও কীভাবে এটা পরিচালিত হবে বা তেহরানের সঙ্গে কোনো সমন্বয় করা হবে কি না, তা এখনো স্পষ্ট নয়। অন্যদিকে এটি ইরানি প্রতিরোধের মুখে পড়লে যুদ্ধবিরতি ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হবে।
এদিকে ট্রাম্পের এই ঘোষণার পর হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা কমিশনের প্রধান ইব্রাহিম আজিজি বলেছেন, প্রণালিতে যেকোনো ধরনের ‘মার্কিন হস্তক্ষেপ’ যুদ্ধবিরতির লঙ্ঘন হিসেবে বিবেচিত হবে।
সামাজিকমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘হরমুজ প্রণালি এবং পারস্য উপসাগর ট্রাম্পের কাল্পনিক পোস্টের মাধ্যমে পরিচালিত হবে না! দোষারোপের এই নাটক কেউ বিশ্বাস করবে না!’
সূত্র: আল জাজিরা

যুক্তরাষ্ট্রকে নতুন হুমকি ইরানের


