বিজেপি না তৃণমূল কংগ্রেস কে যাচ্ছে ক্ষমতায় জানা যাবে সোমবার

বিজেপি না তৃণমূল কংগ্রেস কে যাচ্ছে ক্ষমতায় জানা যাবে সোমবার
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল জানার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীসহ অনেকেই অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। অবশেষে তাদের এই অপেক্ষার পালা শেষ হতে চলেছে। কারণ আগামীকাল সোমবারই ভোট গণনা হবে।
ফলাফল ঘিরে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনার পাশাপাশি উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এই রাজ্যের প্রধান দুই দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস-উভয়ই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
আগামীকাল সকাল ৮টায় কলকাতাসহ ২৩ জেলার ৭৭টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গণনা শুরু হবে। গত নির্বাচনে এই কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০৮টি। দুপুর ১২টার মধ্যে বিভিন্ন আসনে কোন দল বা জোটের জয়–পরাজয় হবে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।। তবে গণনা পুরোপুরি শেষ হতে কোনো কোনো কেন্দ্রে রাতও হয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে ব্যালট। ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নজরদারির। কারচুপির আশঙ্কায় রাজ্যের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রের বাইরে পাহারা বসিয়েছে তৃণমূল ও বিজেপি। এমন আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যদিও ভোট গণনা নিরপেক্ষভাবে করার জন্য নির্বাচন কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। কোনো ‘কাউন্টিং এজেন্ট’ গণনাকেন্দ্রে মুঠোফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অনেকেই বিশেষভাবে নজর থাকবে ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ফলাফলের ওপর। এ ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা বন্দর আসনে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারীতে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা, উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা আসনে মধুপর্ণা ঠাকুরের কী ফলাফল করবেন তা নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ থাকবে।
বিজেপির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, পানিহাটিতে আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথের ফলাফলে চোখ থাকবে সাধারণ মানুষের।
এ ছাড়া বাম জোটের প্রার্থীদের মধ্যে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদ্বীপ মিত্র; কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম ও আবদুর রাজ্জাক মোল্লা এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) নওশাদ সিদ্দিকী কেমন ফল করছেন, তা নিয়ে আগ্রহ থাকবে।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনে গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণ করা হয়। এবারের প্রথম দফা নির্বাচনে ১৫২ আসনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৪৭৮ জন। দ্বিতীয় দফার ১৪২ আসনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৪৪৮ জন। নির্বাচনে কে বিজয়ীর হাসি হাসবেন আর কে হেরে যাবেন তা জানা যাবে আগামীকাল সোমবার।

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল জানার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীসহ অনেকেই অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। অবশেষে তাদের এই অপেক্ষার পালা শেষ হতে চলেছে। কারণ আগামীকাল সোমবারই ভোট গণনা হবে।
ফলাফল ঘিরে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনার পাশাপাশি উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এই রাজ্যের প্রধান দুই দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস-উভয়ই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
আগামীকাল সকাল ৮টায় কলকাতাসহ ২৩ জেলার ৭৭টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গণনা শুরু হবে। গত নির্বাচনে এই কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০৮টি। দুপুর ১২টার মধ্যে বিভিন্ন আসনে কোন দল বা জোটের জয়–পরাজয় হবে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।। তবে গণনা পুরোপুরি শেষ হতে কোনো কোনো কেন্দ্রে রাতও হয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে ব্যালট। ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নজরদারির। কারচুপির আশঙ্কায় রাজ্যের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রের বাইরে পাহারা বসিয়েছে তৃণমূল ও বিজেপি। এমন আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যদিও ভোট গণনা নিরপেক্ষভাবে করার জন্য নির্বাচন কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। কোনো ‘কাউন্টিং এজেন্ট’ গণনাকেন্দ্রে মুঠোফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অনেকেই বিশেষভাবে নজর থাকবে ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ফলাফলের ওপর। এ ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা বন্দর আসনে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারীতে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা, উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা আসনে মধুপর্ণা ঠাকুরের কী ফলাফল করবেন তা নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ থাকবে।
বিজেপির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, পানিহাটিতে আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথের ফলাফলে চোখ থাকবে সাধারণ মানুষের।
এ ছাড়া বাম জোটের প্রার্থীদের মধ্যে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদ্বীপ মিত্র; কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম ও আবদুর রাজ্জাক মোল্লা এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) নওশাদ সিদ্দিকী কেমন ফল করছেন, তা নিয়ে আগ্রহ থাকবে।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনে গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণ করা হয়। এবারের প্রথম দফা নির্বাচনে ১৫২ আসনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৪৭৮ জন। দ্বিতীয় দফার ১৪২ আসনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৪৪৮ জন। নির্বাচনে কে বিজয়ীর হাসি হাসবেন আর কে হেরে যাবেন তা জানা যাবে আগামীকাল সোমবার।

বিজেপি না তৃণমূল কংগ্রেস কে যাচ্ছে ক্ষমতায় জানা যাবে সোমবার
সিটিজেন ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল জানার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীসহ অনেকেই অধীর আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছেন। অবশেষে তাদের এই অপেক্ষার পালা শেষ হতে চলেছে। কারণ আগামীকাল সোমবারই ভোট গণনা হবে।
ফলাফল ঘিরে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রার্থীদের পাশাপাশি তাদের সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনার পাশাপাশি উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে। এই রাজ্যের প্রধান দুই দল ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) এবং ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস-উভয়ই জয়ের ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী।
আগামীকাল সকাল ৮টায় কলকাতাসহ ২৩ জেলার ৭৭টি কেন্দ্রে একযোগে ভোট গণনা শুরু হবে। গত নির্বাচনে এই কেন্দ্রের সংখ্যা ছিল ১০৮টি। দুপুর ১২টার মধ্যে বিভিন্ন আসনে কোন দল বা জোটের জয়–পরাজয় হবে সে সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে।। তবে গণনা পুরোপুরি শেষ হতে কোনো কোনো কেন্দ্রে রাতও হয়ে যেতে পারে।
বর্তমানে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে রাখা হয়েছে ব্যালট। ব্যবস্থা করা হয়েছে কড়া নজরদারির। কারচুপির আশঙ্কায় রাজ্যের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রের বাইরে পাহারা বসিয়েছে তৃণমূল ও বিজেপি। এমন আশঙ্কার কথা আগেই জানিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
যদিও ভোট গণনা নিরপেক্ষভাবে করার জন্য নির্বাচন কমিশন পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিয়েছে। তিন স্তরের নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছে গণনাকেন্দ্র। কোনো ‘কাউন্টিং এজেন্ট’ গণনাকেন্দ্রে মুঠোফোন নিয়ে ঢুকতে পারবেন না। কেবল নির্বাচনী কর্মকর্তাদের মুঠোফোন ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অনেকেই বিশেষভাবে নজর থাকবে ভবানীপুরে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী বিধানসভার বিরোধীদলীয় নেতা শুভেন্দু অধিকারীর ফলাফলের ওপর। এ ছাড়া তৃণমূলের তারকা প্রার্থীদের মধ্যে কলকাতা বন্দর আসনে ফিরহাদ হাকিম, রাসবিহারীতে দেবাশীষ কুমার, চৌরঙ্গীতে নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটায় কুণাল ঘোষ, শ্যামপুকুরে শশী পাঁজা, উত্তর চব্বিশ পরগনার বাগদা আসনে মধুপর্ণা ঠাকুরের কী ফলাফল করবেন তা নিয়ে ভোটারদের আগ্রহ থাকবে।
বিজেপির অন্য প্রার্থীদের মধ্যে শিবপুরে রুদ্রনীল ঘোষ, আসানসোল দক্ষিণে অগ্নিমিত্রা পাল, নোয়াপাড়ায় অর্জুন সিং, রাজারহাট-গোপালপুরে তরুণজ্যোতি তিওয়ারি, পানিহাটিতে আর জি কর হাসপাতালে খুন হওয়া ছাত্রীর মা রত্না দেবনাথের ফলাফলে চোখ থাকবে সাধারণ মানুষের।
এ ছাড়া বাম জোটের প্রার্থীদের মধ্যে বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ও সায়নদ্বীপ মিত্র; কংগ্রেসের প্রার্থীদের মধ্যে অধীর চৌধুরী, মৌসুম বেনজীর নূর, শুভংকর সরকার, মনোজ চক্রবর্তী, শাহনাজ বেগম ও আবদুর রাজ্জাক মোল্লা এবং ইন্ডিয়ান সেক্যুলার ফ্রন্টের (আইএসএফ) নওশাদ সিদ্দিকী কেমন ফল করছেন, তা নিয়ে আগ্রহ থাকবে।
এর আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ২৯৪ আসনে গত ২৩ ও ২৯ এপ্রিল ভোট গ্রহণ করা হয়। এবারের প্রথম দফা নির্বাচনে ১৫২ আসনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৪৭৮ জন। দ্বিতীয় দফার ১৪২ আসনে প্রার্থী ছিলেন ১ হাজার ৪৪৮ জন। নির্বাচনে কে বিজয়ীর হাসি হাসবেন আর কে হেরে যাবেন তা জানা যাবে আগামীকাল সোমবার।




