জামিন দিতে বিচারককে ভাবতে হচ্ছে: সারা হোসেন

জামিন দিতে বিচারককে ভাবতে হচ্ছে: সারা হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামিন দেবেন কি না, তার জন্য বিচারককে দশবার ভাবতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী সারা হোসেন। রবিবার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে আয়োজিত এক সেশনে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনের তৃতীয় সেশনে ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার: বর্তমান ঝুঁকি ও করণীয়’ শীর্ষক এ আলোচনার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ।
সেশনে বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আশরাফ কায়সার, সাংবাদিক ও অ্যাকটিভিস্ট জায়মা ইসলাম, গুম (প্রতিরোধ) কমিশনের সাবেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস, জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এবং মানবাধিকার কর্মী মিনহাজ আমান। সেশনটি সঞ্চালনা করেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘মানবাধিকার শুধু নিজের দল ও মতাদর্শের মানুষের জন্য নয়। বরং এটি সবার জন্য সমান। যাদের ভিন্ন মতাদর্শ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক এবয় সামাজিক অধিকার প্রযোজ্য হবে। বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেককেই প্রমাণিত হওয়া ছাড়া আটক রাখা হচ্ছে। জামিনই পাওয়া যাচ্ছে না। বিচারককে দশবার ভাবতে হয়, তিনি আসলে জামিন দেবে কি না। আমরাও চাই, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার সঠিকভাবে হোক। কিন্তু তদন্ত শেষ হচ্ছে না।’
সভাপতির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া বলেন, ‘৫ আগস্টের পর যখন সংবাদমাধ্যম দখল হওয়া শুরু করে, তবে সেগুলো শুধু হাতবদল হয়েছে। গণমাধ্যমের নিয়ে কাজ করতে গেলে যেকোনো সরকার চিন্তায় পড়ে যায়। সাংবাদিকেরা, মালিকেরা খেপে যেতে পারে এবং সরকারের বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভ্যুত্থানের সময় যখন মূলধারায় থেকে আমাদের কণ্ঠ প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন নতুন গণমাধ্যম অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘মানবাধিকার সর্বজনীন বিষয় হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের যথেষ্ট আইনি কাঠামো না থাকায়, আমরা তা অনুশীলন করতে পারছি না। সাংবাদিকদের অনেকেই গ্রেপ্তার অবস্থায় আছেন, আওয়ামী লীগের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে আছেন, যথাযথ আইনি কাঠামো না থাকায় যারা ফ্যাসিবাদ হয়ে উঠতে সহায়তা করেছেন, তাদের এখন একটা হিরো ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। অথচ তাদের আরও ভয়াবহ শাস্তি হওয়া দরকার ছিল।’
ড. নাবিলা ইদ্রিস বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময়ে মাত্র ২২ দিনে পাঁচজনকে শুধু সরকারে বিরুদ্ধে লেখালেখির জন্য আটকের ঘটনা দেখেছি। অনেকে মনে করেন, আটকের পর জামিন দিলেই বোধ হয় শেষ। আসলে এটি হয়রানির শুরু। কারণ এরপর মামলাগুলো চলতে থাকে। তাকে ভাড়া দিয়ে মামলার হাজিরা এবং একজন উকিল নিয়োগ দিতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘এই সরকার যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তারা তারা কেউই খুব গুরুত্বপূর্ণ ফিগার নন। তাহলে তাদেরকে আটক করার কারণ কী? কারণ সেই পুরোনো প্যাটার্ন, ভয় তৈরি করা।’
সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘যারা গুমের শিকার হয়েছেন বা যারা বেঁচে ফিরেছেন, তাদের সবার এবং তাদের পরিবারের আলাদা দুঃখের কাহিনি আছে। কিন্তু সেগুলো প্রচার হয়নি। ফলে আমি আয়নাঘরের কথা বললে, ফেসবুকে আমাকে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে হয়। তাই বিগত সরকারের সময়ের হাজার হাজার গুমের ঘটনার বিচার করতে হবে। সেগুলো যদি বিচার না হয়, তাহলে বর্তমানরাও একই পথে পা বাড়ানোর সাহস পাবে।’

জামিন দেবেন কি না, তার জন্য বিচারককে দশবার ভাবতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী সারা হোসেন। রবিবার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে আয়োজিত এক সেশনে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনের তৃতীয় সেশনে ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার: বর্তমান ঝুঁকি ও করণীয়’ শীর্ষক এ আলোচনার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ।
সেশনে বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আশরাফ কায়সার, সাংবাদিক ও অ্যাকটিভিস্ট জায়মা ইসলাম, গুম (প্রতিরোধ) কমিশনের সাবেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস, জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এবং মানবাধিকার কর্মী মিনহাজ আমান। সেশনটি সঞ্চালনা করেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘মানবাধিকার শুধু নিজের দল ও মতাদর্শের মানুষের জন্য নয়। বরং এটি সবার জন্য সমান। যাদের ভিন্ন মতাদর্শ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক এবয় সামাজিক অধিকার প্রযোজ্য হবে। বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেককেই প্রমাণিত হওয়া ছাড়া আটক রাখা হচ্ছে। জামিনই পাওয়া যাচ্ছে না। বিচারককে দশবার ভাবতে হয়, তিনি আসলে জামিন দেবে কি না। আমরাও চাই, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার সঠিকভাবে হোক। কিন্তু তদন্ত শেষ হচ্ছে না।’
সভাপতির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া বলেন, ‘৫ আগস্টের পর যখন সংবাদমাধ্যম দখল হওয়া শুরু করে, তবে সেগুলো শুধু হাতবদল হয়েছে। গণমাধ্যমের নিয়ে কাজ করতে গেলে যেকোনো সরকার চিন্তায় পড়ে যায়। সাংবাদিকেরা, মালিকেরা খেপে যেতে পারে এবং সরকারের বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভ্যুত্থানের সময় যখন মূলধারায় থেকে আমাদের কণ্ঠ প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন নতুন গণমাধ্যম অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘মানবাধিকার সর্বজনীন বিষয় হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের যথেষ্ট আইনি কাঠামো না থাকায়, আমরা তা অনুশীলন করতে পারছি না। সাংবাদিকদের অনেকেই গ্রেপ্তার অবস্থায় আছেন, আওয়ামী লীগের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে আছেন, যথাযথ আইনি কাঠামো না থাকায় যারা ফ্যাসিবাদ হয়ে উঠতে সহায়তা করেছেন, তাদের এখন একটা হিরো ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। অথচ তাদের আরও ভয়াবহ শাস্তি হওয়া দরকার ছিল।’
ড. নাবিলা ইদ্রিস বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময়ে মাত্র ২২ দিনে পাঁচজনকে শুধু সরকারে বিরুদ্ধে লেখালেখির জন্য আটকের ঘটনা দেখেছি। অনেকে মনে করেন, আটকের পর জামিন দিলেই বোধ হয় শেষ। আসলে এটি হয়রানির শুরু। কারণ এরপর মামলাগুলো চলতে থাকে। তাকে ভাড়া দিয়ে মামলার হাজিরা এবং একজন উকিল নিয়োগ দিতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘এই সরকার যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তারা তারা কেউই খুব গুরুত্বপূর্ণ ফিগার নন। তাহলে তাদেরকে আটক করার কারণ কী? কারণ সেই পুরোনো প্যাটার্ন, ভয় তৈরি করা।’
সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘যারা গুমের শিকার হয়েছেন বা যারা বেঁচে ফিরেছেন, তাদের সবার এবং তাদের পরিবারের আলাদা দুঃখের কাহিনি আছে। কিন্তু সেগুলো প্রচার হয়নি। ফলে আমি আয়নাঘরের কথা বললে, ফেসবুকে আমাকে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে হয়। তাই বিগত সরকারের সময়ের হাজার হাজার গুমের ঘটনার বিচার করতে হবে। সেগুলো যদি বিচার না হয়, তাহলে বর্তমানরাও একই পথে পা বাড়ানোর সাহস পাবে।’

জামিন দিতে বিচারককে ভাবতে হচ্ছে: সারা হোসেন
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামিন দেবেন কি না, তার জন্য বিচারককে দশবার ভাবতে হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন আইনজীবী ও মানবাধিকার কর্মী সারা হোসেন। রবিবার (৩ মে) রাজধানীর কাকরাইলে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটের মুক্তিযোদ্ধা হলে আয়োজিত এক সেশনে তিনি এ কথা বলেন।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংস্কার বাস্তবায়ন কমিটি আয়োজিত ‘জ্বালানি, অর্থনীতি, মানবাধিকার, সংস্কার ও গণভোট’ শীর্ষক জাতীয় কনভেনশনের তৃতীয় সেশনে ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার: বর্তমান ঝুঁকি ও করণীয়’ শীর্ষক এ আলোচনার আয়োজন করা হয়। এতে সভাপতিত্ব করেন এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ।
সেশনে বক্তব্য দেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আশরাফ কায়সার, সাংবাদিক ও অ্যাকটিভিস্ট জায়মা ইসলাম, গুম (প্রতিরোধ) কমিশনের সাবেক সদস্য নাবিলা ইদ্রিস, জাতীয় যুবশক্তির সভাপতি অ্যাডভোকেট তারিকুল ইসলাম, এবং মানবাধিকার কর্মী মিনহাজ আমান। সেশনটি সঞ্চালনা করেন এনসিপির যুগ্ম সদস্যসচিব ও সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ব্যারিস্টার সারা হোসেন বলেন, ‘মানবাধিকার শুধু নিজের দল ও মতাদর্শের মানুষের জন্য নয়। বরং এটি সবার জন্য সমান। যাদের ভিন্ন মতাদর্শ রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রেও অর্থনৈতিক এবয় সামাজিক অধিকার প্রযোজ্য হবে। বর্তমানে আমরা দেখতে পাচ্ছি, অনেককেই প্রমাণিত হওয়া ছাড়া আটক রাখা হচ্ছে। জামিনই পাওয়া যাচ্ছে না। বিচারককে দশবার ভাবতে হয়, তিনি আসলে জামিন দেবে কি না। আমরাও চাই, জুলাইয়ের হত্যাকাণ্ডের বিচার সঠিকভাবে হোক। কিন্তু তদন্ত শেষ হচ্ছে না।’
সভাপতির বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ সজিব ভুঁইয়া বলেন, ‘৫ আগস্টের পর যখন সংবাদমাধ্যম দখল হওয়া শুরু করে, তবে সেগুলো শুধু হাতবদল হয়েছে। গণমাধ্যমের নিয়ে কাজ করতে গেলে যেকোনো সরকার চিন্তায় পড়ে যায়। সাংবাদিকেরা, মালিকেরা খেপে যেতে পারে এবং সরকারের বিরুদ্ধে চলে যেতে পারে। এটা অন্তর্বর্তী সরকারের সময়েও হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘অভ্যুত্থানের সময় যখন মূলধারায় থেকে আমাদের কণ্ঠ প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয়, তখন নতুন গণমাধ্যম অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে।’
আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘মানবাধিকার সর্বজনীন বিষয় হওয়া উচিত। কিন্তু আমাদের যথেষ্ট আইনি কাঠামো না থাকায়, আমরা তা অনুশীলন করতে পারছি না। সাংবাদিকদের অনেকেই গ্রেপ্তার অবস্থায় আছেন, আওয়ামী লীগের অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে আছেন, যথাযথ আইনি কাঠামো না থাকায় যারা ফ্যাসিবাদ হয়ে উঠতে সহায়তা করেছেন, তাদের এখন একটা হিরো ট্রিটমেন্ট দেওয়া হচ্ছে। অথচ তাদের আরও ভয়াবহ শাস্তি হওয়া দরকার ছিল।’
ড. নাবিলা ইদ্রিস বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সময়ে মাত্র ২২ দিনে পাঁচজনকে শুধু সরকারে বিরুদ্ধে লেখালেখির জন্য আটকের ঘটনা দেখেছি। অনেকে মনে করেন, আটকের পর জামিন দিলেই বোধ হয় শেষ। আসলে এটি হয়রানির শুরু। কারণ এরপর মামলাগুলো চলতে থাকে। তাকে ভাড়া দিয়ে মামলার হাজিরা এবং একজন উকিল নিয়োগ দিতে হয়।’
তিনি বলেন, ‘এই সরকার যাদের গ্রেপ্তার করেছে, তারা তারা কেউই খুব গুরুত্বপূর্ণ ফিগার নন। তাহলে তাদেরকে আটক করার কারণ কী? কারণ সেই পুরোনো প্যাটার্ন, ভয় তৈরি করা।’
সাবেক চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, ‘যারা গুমের শিকার হয়েছেন বা যারা বেঁচে ফিরেছেন, তাদের সবার এবং তাদের পরিবারের আলাদা দুঃখের কাহিনি আছে। কিন্তু সেগুলো প্রচার হয়নি। ফলে আমি আয়নাঘরের কথা বললে, ফেসবুকে আমাকে সাইবার বুলিংয়ের শিকার হতে হয়। তাই বিগত সরকারের সময়ের হাজার হাজার গুমের ঘটনার বিচার করতে হবে। সেগুলো যদি বিচার না হয়, তাহলে বর্তমানরাও একই পথে পা বাড়ানোর সাহস পাবে।’

এনসিপিকে বিদায় জানানোর সময় হয়েছে: শাহরিয়ার কবির


