মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
ইরানের সামরিক সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সামরিক সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ২০

ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাতের পর মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন প্রকাশ্যে এসেছে। সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা টানা মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পূর্ববর্তী দাবির সাথে এ গোয়েন্দা তথ্যের সুস্পষ্ট বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে। এর আগে অপারেশন এপিক ফিউরির মাধ্যমে ইরানের সামরিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার দাবি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি মার্কিন যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথ এ অভিযানকে বিশাল জয় উল্লেখ করে দাবি করেছিলেন, আগামী কয়েক বছরের জন্য তেহরান যুদ্ধ করার সক্ষমতা হারিয়েছে। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিআইএ এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস অ্যাডামসের লিখিত বক্তব্য এবং গোপন গোয়েন্দা রিপোর্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।
গোয়েন্দা তথ্যমতে, গত ৭ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন, তখন পর্যন্ত ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং লঞ্চ সিস্টেমের প্রায় অর্ধেকই পুরোপুরি সচল ছিল। এছাড়া আইআরজিসির নৌবাহিনীর অত্যন্ত কার্যকর ফাস্ট-অ্যাটাক স্পিডবোটসহ প্রায় ৬০ শতাংশ সরঞ্জাম এখনও যুদ্ধক্ষেত্রে সক্রিয় রয়েছে। জেনারেল অ্যাডামস জানিয়েছেন, ইরানের হাতে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র এবং আত্মঘাতী ড্রোন মজুদ রয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন এসব দাবির কড়া জবাব দিয়েছে ইরানের সামরিক কমান্ড। আইআরজিসির নৌবাহিনী বুধবার (২২ এপ্রিল) জানিয়েছে, কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তারা ইসরায়েলি মালিকানাধীন দুটি জাহাজ এমএসসি ফ্রান্সেসকা এবং এপামিনোডস আটক করে নিজেদের জলসীমায় নিয়ে গেছে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবিকে পুরোপুরি মিথ্যা ও কাল্পনিক আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে ইরান সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং ওয়াশিংটনের কোনো মিথ্যা প্রচারণাকে তারা আমল দিচ্ছে না।
এছাড়া ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবৈধ নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ থাকবে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রবল চাপের মুখেও তেহরানের এমন অনমনীয় ও কঠোর অবস্থান প্রমাণ করে, নিজেদের সামরিক ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর তাদের এখনও অগাধ আস্থা রয়েছে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ

সম্প্রতি ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাতের পর মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন প্রকাশ্যে এসেছে। সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা টানা মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পূর্ববর্তী দাবির সাথে এ গোয়েন্দা তথ্যের সুস্পষ্ট বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে। এর আগে অপারেশন এপিক ফিউরির মাধ্যমে ইরানের সামরিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার দাবি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি মার্কিন যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথ এ অভিযানকে বিশাল জয় উল্লেখ করে দাবি করেছিলেন, আগামী কয়েক বছরের জন্য তেহরান যুদ্ধ করার সক্ষমতা হারিয়েছে। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিআইএ এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস অ্যাডামসের লিখিত বক্তব্য এবং গোপন গোয়েন্দা রিপোর্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।
গোয়েন্দা তথ্যমতে, গত ৭ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন, তখন পর্যন্ত ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং লঞ্চ সিস্টেমের প্রায় অর্ধেকই পুরোপুরি সচল ছিল। এছাড়া আইআরজিসির নৌবাহিনীর অত্যন্ত কার্যকর ফাস্ট-অ্যাটাক স্পিডবোটসহ প্রায় ৬০ শতাংশ সরঞ্জাম এখনও যুদ্ধক্ষেত্রে সক্রিয় রয়েছে। জেনারেল অ্যাডামস জানিয়েছেন, ইরানের হাতে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র এবং আত্মঘাতী ড্রোন মজুদ রয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন এসব দাবির কড়া জবাব দিয়েছে ইরানের সামরিক কমান্ড। আইআরজিসির নৌবাহিনী বুধবার (২২ এপ্রিল) জানিয়েছে, কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তারা ইসরায়েলি মালিকানাধীন দুটি জাহাজ এমএসসি ফ্রান্সেসকা এবং এপামিনোডস আটক করে নিজেদের জলসীমায় নিয়ে গেছে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবিকে পুরোপুরি মিথ্যা ও কাল্পনিক আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে ইরান সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং ওয়াশিংটনের কোনো মিথ্যা প্রচারণাকে তারা আমল দিচ্ছে না।
এছাড়া ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবৈধ নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ থাকবে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রবল চাপের মুখেও তেহরানের এমন অনমনীয় ও কঠোর অবস্থান প্রমাণ করে, নিজেদের সামরিক ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর তাদের এখনও অগাধ আস্থা রয়েছে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ

ইরানের সামরিক সক্ষমতা অক্ষুণ্ণ রয়েছে
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ১৩: ২০

ছবি: সংগৃহীত
সম্প্রতি ওয়াশিংটন-তেহরানের মধ্যকার তীব্র সামরিক সংঘাতের পর মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর একটি চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন প্রকাশ্যে এসেছে। সিবিএস নিউজের এক প্রতিবেদনে যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে জানানো হয়েছে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা টানা মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলার পরও ইরানের সামরিক সক্ষমতা ব্যাপকভাবে অক্ষুণ্ণ রয়েছে।
হোয়াইট হাউস ও মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের পূর্ববর্তী দাবির সাথে এ গোয়েন্দা তথ্যের সুস্পষ্ট বৈপরীত্য দেখা যাচ্ছে। এর আগে অপারেশন এপিক ফিউরির মাধ্যমে ইরানের সামরিক কাঠামো ভেঙে দেওয়ার দাবি করেছিল যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প নিজেই ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের নৌ ও বিমানবাহিনী সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। এমনকি মার্কিন যুদ্ধ সচিব পিট হেগসেথ এ অভিযানকে বিশাল জয় উল্লেখ করে দাবি করেছিলেন, আগামী কয়েক বছরের জন্য তেহরান যুদ্ধ করার সক্ষমতা হারিয়েছে। তবে মার্কিন প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা ডিআইএ এর প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেমস অ্যাডামসের লিখিত বক্তব্য এবং গোপন গোয়েন্দা রিপোর্ট সম্পূর্ণ ভিন্ন চিত্র তুলে ধরছে।
গোয়েন্দা তথ্যমতে, গত ৭ এপ্রিল প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেন, তখন পর্যন্ত ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং লঞ্চ সিস্টেমের প্রায় অর্ধেকই পুরোপুরি সচল ছিল। এছাড়া আইআরজিসির নৌবাহিনীর অত্যন্ত কার্যকর ফাস্ট-অ্যাটাক স্পিডবোটসহ প্রায় ৬০ শতাংশ সরঞ্জাম এখনও যুদ্ধক্ষেত্রে সক্রিয় রয়েছে। জেনারেল অ্যাডামস জানিয়েছেন, ইরানের হাতে এখনও হাজার হাজার ক্ষেপণাস্ত্র এবং আত্মঘাতী ড্রোন মজুদ রয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন এসব দাবির কড়া জবাব দিয়েছে ইরানের সামরিক কমান্ড। আইআরজিসির নৌবাহিনী বুধবার (২২ এপ্রিল) জানিয়েছে, কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে তারা ইসরায়েলি মালিকানাধীন দুটি জাহাজ এমএসসি ফ্রান্সেসকা এবং এপামিনোডস আটক করে নিজেদের জলসীমায় নিয়ে গেছে।
ইরানের খাতাম আল-আম্বিয়া কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের কমান্ডার মেজর জেনারেল আলী আবদোল্লাহি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের দাবিকে পুরোপুরি মিথ্যা ও কাল্পনিক আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেন, যুদ্ধক্ষেত্রে ইরান সুবিধাজনক অবস্থানে রয়েছে এবং ওয়াশিংটনের কোনো মিথ্যা প্রচারণাকে তারা আমল দিচ্ছে না।
এছাড়া ইরানের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের অবৈধ নৌ-অবরোধ প্রত্যাহার না করা পর্যন্ত কৌশলগত হরমুজ প্রণালিতে সব ধরনের নৌ চলাচল বন্ধ থাকবে। সামরিক বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের এই প্রবল চাপের মুখেও তেহরানের এমন অনমনীয় ও কঠোর অবস্থান প্রমাণ করে, নিজেদের সামরিক ও প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ওপর তাদের এখনও অগাধ আস্থা রয়েছে।
সূত্র: সিবিএস নিউজ
/এমএকে/




