ইরানের ‘লাইফলাইন’ খারগ দ্বীপ কেন গুরুত্বপূর্ণ

ইরানের ‘লাইফলাইন’ খারগ দ্বীপ কেন গুরুত্বপূর্ণ
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের জ্বালানি তেলকেন্দ্রের ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা হামলার একটি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, খারগ দ্বীপে সামরিক স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে এই খারগ দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ভদ্রতার খাতিরে আমি দ্বীপটির জ্বালানি তেল অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দিলে আমি এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করব।’
এর প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা হামলার হুমকি দিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বলেছে, তারাও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট তেল ও জ্বালানি স্থাপনা ধ্বংস করে দেবে।
খারগ দ্বীপ কেন গুরুত্বপূর্ণ
বুশেহর প্রদেশের ২২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই ক্ষুদ্র প্রবালদ্বীপ ইরানিদের কাছে ‘নিষিদ্ধ দ্বীপ’ নামে পরিচিত। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কঠোর পাহারায় থাকা এই দ্বীপে কেবল বিশেষ অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিরাই যেতে পারেন।
তবে ইস্পাতের বেড়া আর প্রহরীদের নজরদারির বাইরে এখানে লুকিয়ে আছে কয়েক হাজার বছরের মানব ইতিহাস। এখন সেটি ইরানের আধুনিক জ্বালানি সাম্রাজ্যের প্রাণকেন্দ্র। এখানে পারস্য উপসাগরের তপ্ত রোদের নিচে সমুদ্রতলের পাইপলাইন দিয়ে সরবরাহ করা হয় লাখ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল।
ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড
বুশেহর বন্দর থেকে ৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খারগ দ্বীপ ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে হয়। বছরে প্রায় ৯৫ কোটি ব্যারেল তেল এখান থেকে বিদেশে যায়।
দ্বীপটির চারপাশের গভীর পানি জ্বালানি তেলের বিশাল জাহাজগুলো নোঙর করার জন্য এক প্রাকৃতিক আশীর্বাদ। এখান থেকেই প্রধানত এশিয়ার বাজারে, বিশেষ করে চীনে তেল রপ্তানি করা হয়। ইরানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের মতে, তিনটি প্রধান তেলক্ষেত্র– আবোজার, ফোরুজান ও দোরুদ থেকে তেল এখানে আসে এবং প্রক্রিয়াজাত হয়ে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান এই দ্বীপের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন দুটি বিশাল ট্যাংক সংস্কারের মাধ্যমে এর ধারণক্ষমতা আরও ২০ লাখ ব্যারেল বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ইরানের দৈনিক রপ্তানি ১৬ লাখ ব্যারেলের আশপাশে হলেও এই টার্মিনালের সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিনে ৭০ লাখ ব্যারেল।

ইরানের জ্বালানি তেলকেন্দ্রের ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা হামলার একটি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, খারগ দ্বীপে সামরিক স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে এই খারগ দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ভদ্রতার খাতিরে আমি দ্বীপটির জ্বালানি তেল অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দিলে আমি এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করব।’
এর প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা হামলার হুমকি দিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বলেছে, তারাও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট তেল ও জ্বালানি স্থাপনা ধ্বংস করে দেবে।
খারগ দ্বীপ কেন গুরুত্বপূর্ণ
বুশেহর প্রদেশের ২২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই ক্ষুদ্র প্রবালদ্বীপ ইরানিদের কাছে ‘নিষিদ্ধ দ্বীপ’ নামে পরিচিত। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কঠোর পাহারায় থাকা এই দ্বীপে কেবল বিশেষ অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিরাই যেতে পারেন।
তবে ইস্পাতের বেড়া আর প্রহরীদের নজরদারির বাইরে এখানে লুকিয়ে আছে কয়েক হাজার বছরের মানব ইতিহাস। এখন সেটি ইরানের আধুনিক জ্বালানি সাম্রাজ্যের প্রাণকেন্দ্র। এখানে পারস্য উপসাগরের তপ্ত রোদের নিচে সমুদ্রতলের পাইপলাইন দিয়ে সরবরাহ করা হয় লাখ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল।
ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড
বুশেহর বন্দর থেকে ৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খারগ দ্বীপ ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে হয়। বছরে প্রায় ৯৫ কোটি ব্যারেল তেল এখান থেকে বিদেশে যায়।
দ্বীপটির চারপাশের গভীর পানি জ্বালানি তেলের বিশাল জাহাজগুলো নোঙর করার জন্য এক প্রাকৃতিক আশীর্বাদ। এখান থেকেই প্রধানত এশিয়ার বাজারে, বিশেষ করে চীনে তেল রপ্তানি করা হয়। ইরানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের মতে, তিনটি প্রধান তেলক্ষেত্র– আবোজার, ফোরুজান ও দোরুদ থেকে তেল এখানে আসে এবং প্রক্রিয়াজাত হয়ে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান এই দ্বীপের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন দুটি বিশাল ট্যাংক সংস্কারের মাধ্যমে এর ধারণক্ষমতা আরও ২০ লাখ ব্যারেল বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ইরানের দৈনিক রপ্তানি ১৬ লাখ ব্যারেলের আশপাশে হলেও এই টার্মিনালের সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিনে ৭০ লাখ ব্যারেল।

ইরানের ‘লাইফলাইন’ খারগ দ্বীপ কেন গুরুত্বপূর্ণ
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের জ্বালানি তেলকেন্দ্রের ‘লাইফলাইন’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে ব্যাপক বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এটিকে মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে সবচেয়ে শক্তিশালী বোমা হামলার একটি বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি দাবি করেছেন, খারগ দ্বীপে সামরিক স্থাপনাগুলো সম্পূর্ণভাবে ধ্বংস হয়ে গেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) ভোরে এই খারগ দ্বীপে হামলা চালায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল।
নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘ভদ্রতার খাতিরে আমি দ্বীপটির জ্বালানি তেল অবকাঠামো পুরোপুরি ধ্বংস না করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তবে ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দিলে আমি এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করব।’
এর প্রতিক্রিয়ায় পাল্টা হামলার হুমকি দিয়ে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী বলেছে, তারাও মধ্যপ্রাচ্যে থাকা যুক্তরাষ্ট্র সংশ্লিষ্ট তেল ও জ্বালানি স্থাপনা ধ্বংস করে দেবে।
খারগ দ্বীপ কেন গুরুত্বপূর্ণ
বুশেহর প্রদেশের ২২ বর্গকিলোমিটার আয়তনের এই ক্ষুদ্র প্রবালদ্বীপ ইরানিদের কাছে ‘নিষিদ্ধ দ্বীপ’ নামে পরিচিত। ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) কঠোর পাহারায় থাকা এই দ্বীপে কেবল বিশেষ অনুমতি পাওয়া ব্যক্তিরাই যেতে পারেন।
তবে ইস্পাতের বেড়া আর প্রহরীদের নজরদারির বাইরে এখানে লুকিয়ে আছে কয়েক হাজার বছরের মানব ইতিহাস। এখন সেটি ইরানের আধুনিক জ্বালানি সাম্রাজ্যের প্রাণকেন্দ্র। এখানে পারস্য উপসাগরের তপ্ত রোদের নিচে সমুদ্রতলের পাইপলাইন দিয়ে সরবরাহ করা হয় লাখ লাখ ব্যারেল অপরিশোধিত তেল।
ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড
বুশেহর বন্দর থেকে ৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে অবস্থিত খারগ দ্বীপ ইরানের অর্থনীতির মেরুদণ্ড। দেশের মোট অপরিশোধিত তেল রপ্তানির ৯০ শতাংশই এই দ্বীপের মাধ্যমে হয়। বছরে প্রায় ৯৫ কোটি ব্যারেল তেল এখান থেকে বিদেশে যায়।
দ্বীপটির চারপাশের গভীর পানি জ্বালানি তেলের বিশাল জাহাজগুলো নোঙর করার জন্য এক প্রাকৃতিক আশীর্বাদ। এখান থেকেই প্রধানত এশিয়ার বাজারে, বিশেষ করে চীনে তেল রপ্তানি করা হয়। ইরানের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের মতে, তিনটি প্রধান তেলক্ষেত্র– আবোজার, ফোরুজান ও দোরুদ থেকে তেল এখানে আসে এবং প্রক্রিয়াজাত হয়ে বিশ্ববাজারে ছড়িয়ে পড়ে।
আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও ইরান এই দ্বীপের সক্ষমতা বাড়িয়েছে। ২০২৫ সালের মে মাসের এক প্রতিবেদন অনুযায়ী, নতুন দুটি বিশাল ট্যাংক সংস্কারের মাধ্যমে এর ধারণক্ষমতা আরও ২০ লাখ ব্যারেল বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ইরানের দৈনিক রপ্তানি ১৬ লাখ ব্যারেলের আশপাশে হলেও এই টার্মিনালের সর্বোচ্চ সক্ষমতা দিনে ৭০ লাখ ব্যারেল।




