মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত গতিতে সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক

প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত গতিতে সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৫: ৫১

এপ্রিলে শুরু হওয়া ৬ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইরান ইতোমধ্যে তাদের ড্রোন উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের সাথে যুক্ত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সক্ষমতা ইরান আগের ধারণার চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে পুনর্গঠন করছে।
ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র, লঞ্চার এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করে তোলার অর্থ হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি পুনরায় হামলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়েই থাকবে। ইরানের এ দ্রুত পুনর্গঠন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির যে দাবি করা হয়েছিল তাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, বিভিন্ন অস্ত্রের যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সময়সীমা ভিন্ন হলেও, ইরান মাত্র ছয় মাসের মধ্যে তাদের ড্রোন হামলার সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে পেতে পারে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গোয়েন্দাদের অনুমান করা পুনর্গঠনের সকল সময়সীমা ইতোমধ্যে পার করে ফেলেছে দেশটি।
ড্রোন হামলা আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ। যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্রের অভাব পূরণে ইরান আরও বেশি ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েল ও প্রতিবেশি দেশগুলোতে হামলা অব্যাহত রাখতে পারে। যুদ্ধ শেষ করার চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানে আবারও বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে ইরান মূলত রাশিয়া ও চীনের সহায়তায় এত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বলে মার্কিন গোয়েন্দারা মনে করছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন, চীন ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম দিচ্ছে। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইরানের হাতে এখনও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থার মজুত রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যমতে, চলমান যুদ্ধবিরতির কারণে মাটির নিচে থাকা অস্ত্রগুলো বের করার সুযোগ পাওয়ায় ইরানের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং অর্ধেক ড্রোন সক্ষমতা এখনও অক্ষত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হুমকি তৈরি করার মতো উপকূলীয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর বড় অংশই সুরক্ষিত রয়েছে।
মার্কিন সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সম্প্রতি কংগ্রেসে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় দাবি করেন, হামলায় ইরানের ৯০ শতাংশ প্রতিরক্ষা শিল্প ধ্বংস হয়েছে এবং তাদের ঘুরে দাঁড়াতে কয়েক বছর সময় লাগবে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো তার এ দাবির ঠিক বিপরীত চিত্রই তুলে ধরছে। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, কয়েক বছর নয়, মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠিত হতে পারে। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এক মুখপাত্র গোয়েন্দা বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। কিন্তু পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং যেকোনো সময়ে প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পালনে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: সিএনএন

এপ্রিলে শুরু হওয়া ৬ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইরান ইতোমধ্যে তাদের ড্রোন উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের সাথে যুক্ত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সক্ষমতা ইরান আগের ধারণার চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে পুনর্গঠন করছে।
ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র, লঞ্চার এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করে তোলার অর্থ হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি পুনরায় হামলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়েই থাকবে। ইরানের এ দ্রুত পুনর্গঠন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির যে দাবি করা হয়েছিল তাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, বিভিন্ন অস্ত্রের যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সময়সীমা ভিন্ন হলেও, ইরান মাত্র ছয় মাসের মধ্যে তাদের ড্রোন হামলার সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে পেতে পারে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গোয়েন্দাদের অনুমান করা পুনর্গঠনের সকল সময়সীমা ইতোমধ্যে পার করে ফেলেছে দেশটি।
ড্রোন হামলা আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ। যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্রের অভাব পূরণে ইরান আরও বেশি ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েল ও প্রতিবেশি দেশগুলোতে হামলা অব্যাহত রাখতে পারে। যুদ্ধ শেষ করার চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানে আবারও বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে ইরান মূলত রাশিয়া ও চীনের সহায়তায় এত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বলে মার্কিন গোয়েন্দারা মনে করছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন, চীন ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম দিচ্ছে। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইরানের হাতে এখনও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থার মজুত রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যমতে, চলমান যুদ্ধবিরতির কারণে মাটির নিচে থাকা অস্ত্রগুলো বের করার সুযোগ পাওয়ায় ইরানের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং অর্ধেক ড্রোন সক্ষমতা এখনও অক্ষত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হুমকি তৈরি করার মতো উপকূলীয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর বড় অংশই সুরক্ষিত রয়েছে।
মার্কিন সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সম্প্রতি কংগ্রেসে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় দাবি করেন, হামলায় ইরানের ৯০ শতাংশ প্রতিরক্ষা শিল্প ধ্বংস হয়েছে এবং তাদের ঘুরে দাঁড়াতে কয়েক বছর সময় লাগবে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো তার এ দাবির ঠিক বিপরীত চিত্রই তুলে ধরছে। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, কয়েক বছর নয়, মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠিত হতে পারে। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এক মুখপাত্র গোয়েন্দা বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। কিন্তু পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং যেকোনো সময়ে প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পালনে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: সিএনএন

প্রত্যাশার চেয়ে দ্রুত গতিতে সামরিক শক্তি পুনর্গঠন করছে ইরান
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৫: ৫১

এপ্রিলে শুরু হওয়া ৬ সপ্তাহের যুদ্ধবিরতির সুযোগ কাজে লাগিয়ে ইরান ইতোমধ্যে তাদের ড্রোন উৎপাদন পুনরায় শুরু করেছে। মার্কিন গোয়েন্দা মূল্যায়নের সাথে যুক্ত একাধিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত সামরিক সক্ষমতা ইরান আগের ধারণার চেয়ে অনেক দ্রুতগতিতে পুনর্গঠন করছে।
ধ্বংস হওয়া ক্ষেপণাস্ত্র কেন্দ্র, লঞ্চার এবং গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র উৎপাদন ব্যবস্থা দ্রুত কার্যকর করে তোলার অর্থ হলো, ডোনাল্ড ট্রাম্প যদি পুনরায় হামলা শুরু করার সিদ্ধান্ত নেন, তবে ইরান যুক্তরাষ্ট্রের আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য বড় ধরনের হুমকি হয়েই থাকবে। ইরানের এ দ্রুত পুনর্গঠন মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ইরানের সামরিক বাহিনীর দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতির যে দাবি করা হয়েছিল তাকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের মতে, বিভিন্ন অস্ত্রের যন্ত্রাংশ উৎপাদনের সময়সীমা ভিন্ন হলেও, ইরান মাত্র ছয় মাসের মধ্যে তাদের ড্রোন হামলার সক্ষমতা পুরোপুরি ফিরে পেতে পারে। এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গোয়েন্দাদের অনুমান করা পুনর্গঠনের সকল সময়সীমা ইতোমধ্যে পার করে ফেলেছে দেশটি।
ড্রোন হামলা আঞ্চলিক মিত্রদের জন্য একটি বড় উদ্বেগের কারণ। যুদ্ধ পুনরায় শুরু হলে ক্ষতিগ্রস্ত ক্ষেপণাস্ত্রের অভাব পূরণে ইরান আরও বেশি ড্রোন ব্যবহার করে ইসরায়েল ও প্রতিবেশি দেশগুলোতে হামলা অব্যাহত রাখতে পারে। যুদ্ধ শেষ করার চুক্তিতে না পৌঁছালে ইরানে আবারও বোমা হামলার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। তবে ইরান মূলত রাশিয়া ও চীনের সহায়তায় এত দ্রুত ঘুরে দাঁড়াতে পেরেছে বলে মার্কিন গোয়েন্দারা মনে করছেন। ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু সম্প্রতি অভিযোগ করেছেন, চীন ইরানকে ক্ষেপণাস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম দিচ্ছে। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে প্রত্যাখ্যান করেছে।
মার্কিন-ইসরায়েলি হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হলেও ইরানের হাতে এখনও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ড্রোন এবং বিমান বিধ্বংসী ব্যবস্থার মজুত রয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যমতে, চলমান যুদ্ধবিরতির কারণে মাটির নিচে থাকা অস্ত্রগুলো বের করার সুযোগ পাওয়ায় ইরানের প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার এবং অর্ধেক ড্রোন সক্ষমতা এখনও অক্ষত আছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এছাড়া হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে হুমকি তৈরি করার মতো উপকূলীয় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রগুলোর বড় অংশই সুরক্ষিত রয়েছে।
মার্কিন সেন্টকম কমান্ডার অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার সম্প্রতি কংগ্রেসে সাক্ষ্য দেওয়ার সময় দাবি করেন, হামলায় ইরানের ৯০ শতাংশ প্রতিরক্ষা শিল্প ধ্বংস হয়েছে এবং তাদের ঘুরে দাঁড়াতে কয়েক বছর সময় লাগবে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদনগুলো তার এ দাবির ঠিক বিপরীত চিত্রই তুলে ধরছে। গোয়েন্দা সূত্রগুলো বলছে, কয়েক বছর নয়, মাত্র কয়েক মাসের মধ্যেই ইরানের সামরিক সক্ষমতা পুনর্গঠিত হতে পারে। ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের এক মুখপাত্র গোয়েন্দা বিষয়ে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। কিন্তু পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, মার্কিন সামরিক বাহিনী বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং যেকোনো সময়ে প্রেসিডেন্টের নির্দেশ পালনে তারা পুরোপুরি প্রস্তুত।
সূত্র: সিএনএন
/এমএকে/

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, তীব্র মতবিরোধ

