ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, তীব্র মতবিরোধ
সিটিজেন ডেস্ক

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, তীব্র মতবিরোধ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৫: ২৭

ইরান যুদ্ধ ও পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ ও ফোনালাপে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউসের একটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা স্থগিত রেখে ট্রাম্পের কূটনৈতিক পথ খোঁজার সিদ্ধান্তে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নেতানিয়াহু। ট্রাম্পের এ আকস্মিক নীতি পরিবর্তন দুই দেশের দীর্ঘদিনের যুদ্ধ কৌশলে স্পষ্ট ফাটল ধরেছে।
এর আগে রবিবার (১৭ মে) দুই নেতার আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ইরানে অপারেশন স্লেজহ্যামার নামে নতুন ও সুনির্দিষ্ট সামরিক হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশ কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষ অনুরোধে মঙ্গলবার (১৯ মে) পরিকল্পিত সে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। বর্তমানে হোয়াইট হাউস ও পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় উপসাগরীয় দেশগুলো একটি কূটনৈতিক সমাধানের রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছে।
এ আলোচনা নিয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরান ইস্যু এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুতই একটি চুক্তি হতে পারে, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ সাময়িক যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে চরম ক্ষুব্ধ করেছে। নেতানিয়াহু মনে করেন, এ বিলম্ব কেবল ইরানকে সময় দেবে এবং এটি একটি বড় ভুল। দীর্ঘ এক ঘণ্টার ফোনালাপে তিনি ট্রাম্পকে অবিলম্বে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য চাপ দেন।
ইসরায়েলি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যেও ট্রাম্পের পিছু হটার সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে নেতানিয়াহুর এ চাপকে পাত্তা না দিয়ে ট্রাম্প বুধবার (২০ মে) মন্তব্য করেন, নেতানিয়াহু তা-ই করবেন যা তিনি (ট্রাম্প) তাকে করতে বলবেন। ট্রাম্পের মতে, মানুষের জীবন বাঁচাতে কূটনীতিকে আরও কয়েকটা দিন সময় দেওয়া উচিত।
এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করছেন। এর আগে এপ্রিলে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানি স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের মধ্যে মুখোমুখি বৈঠকের আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, তাদের ১৪ দফার ভিত্তিতে পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সাথে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। তবে পরমাণু কর্মসূচি ও জব্দ করা সম্পদ নিয়ে এখনো মূল জটিলতাগুলোর সমাধান হয়নি। ট্রাম্পও স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সঠিক উত্তর না পাওয়া গেলে যেকোনো মুহূর্তে তারা সামরিক অ্যাকশনে যেতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
সূত্র: সিএনএন

ইরান যুদ্ধ ও পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ ও ফোনালাপে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউসের একটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা স্থগিত রেখে ট্রাম্পের কূটনৈতিক পথ খোঁজার সিদ্ধান্তে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নেতানিয়াহু। ট্রাম্পের এ আকস্মিক নীতি পরিবর্তন দুই দেশের দীর্ঘদিনের যুদ্ধ কৌশলে স্পষ্ট ফাটল ধরেছে।
এর আগে রবিবার (১৭ মে) দুই নেতার আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ইরানে অপারেশন স্লেজহ্যামার নামে নতুন ও সুনির্দিষ্ট সামরিক হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশ কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষ অনুরোধে মঙ্গলবার (১৯ মে) পরিকল্পিত সে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। বর্তমানে হোয়াইট হাউস ও পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় উপসাগরীয় দেশগুলো একটি কূটনৈতিক সমাধানের রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছে।
এ আলোচনা নিয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরান ইস্যু এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুতই একটি চুক্তি হতে পারে, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ সাময়িক যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে চরম ক্ষুব্ধ করেছে। নেতানিয়াহু মনে করেন, এ বিলম্ব কেবল ইরানকে সময় দেবে এবং এটি একটি বড় ভুল। দীর্ঘ এক ঘণ্টার ফোনালাপে তিনি ট্রাম্পকে অবিলম্বে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য চাপ দেন।
ইসরায়েলি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যেও ট্রাম্পের পিছু হটার সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে নেতানিয়াহুর এ চাপকে পাত্তা না দিয়ে ট্রাম্প বুধবার (২০ মে) মন্তব্য করেন, নেতানিয়াহু তা-ই করবেন যা তিনি (ট্রাম্প) তাকে করতে বলবেন। ট্রাম্পের মতে, মানুষের জীবন বাঁচাতে কূটনীতিকে আরও কয়েকটা দিন সময় দেওয়া উচিত।
এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করছেন। এর আগে এপ্রিলে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানি স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের মধ্যে মুখোমুখি বৈঠকের আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, তাদের ১৪ দফার ভিত্তিতে পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সাথে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। তবে পরমাণু কর্মসূচি ও জব্দ করা সম্পদ নিয়ে এখনো মূল জটিলতাগুলোর সমাধান হয়নি। ট্রাম্পও স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সঠিক উত্তর না পাওয়া গেলে যেকোনো মুহূর্তে তারা সামরিক অ্যাকশনে যেতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
সূত্র: সিএনএন

ইরান যুদ্ধ নিয়ে ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ফোনালাপ, তীব্র মতবিরোধ
সিটিজেন ডেস্ক
প্রকাশ : ২১ মে ২০২৬, ১৫: ২৭

ইরান যুদ্ধ ও পরবর্তী সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মধ্যে তীব্র মতবিরোধ ও ফোনালাপে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। হোয়াইট হাউসের একটি বিশ্বস্ত সূত্রের বরাত দিয়ে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনএন এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, তেহরানের বিরুদ্ধে সামরিক হামলা স্থগিত রেখে ট্রাম্পের কূটনৈতিক পথ খোঁজার সিদ্ধান্তে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন নেতানিয়াহু। ট্রাম্পের এ আকস্মিক নীতি পরিবর্তন দুই দেশের দীর্ঘদিনের যুদ্ধ কৌশলে স্পষ্ট ফাটল ধরেছে।
এর আগে রবিবার (১৭ মে) দুই নেতার আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট চলতি সপ্তাহের শুরুতেই ইরানে অপারেশন স্লেজহ্যামার নামে নতুন ও সুনির্দিষ্ট সামরিক হামলা চালানোর ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে মধ্যপ্রাচ্যের মিত্র দেশ কাতার, সৌদি আরব এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিশেষ অনুরোধে মঙ্গলবার (১৯ মে) পরিকল্পিত সে হামলা স্থগিতের ঘোষণা দেন ট্রাম্প। বর্তমানে হোয়াইট হাউস ও পাকিস্তানি মধ্যস্থতাকারীদের সহায়তায় উপসাগরীয় দেশগুলো একটি কূটনৈতিক সমাধানের রূপরেখা তৈরিতে কাজ করছে।
এ আলোচনা নিয়ে ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, ইরান ইস্যু এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং দ্রুতই একটি চুক্তি হতে পারে, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হবে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্টের এ সাময়িক যুদ্ধবিরতি ও কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রীকে চরম ক্ষুব্ধ করেছে। নেতানিয়াহু মনে করেন, এ বিলম্ব কেবল ইরানকে সময় দেবে এবং এটি একটি বড় ভুল। দীর্ঘ এক ঘণ্টার ফোনালাপে তিনি ট্রাম্পকে অবিলম্বে সামরিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য চাপ দেন।
ইসরায়েলি প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের মধ্যেও ট্রাম্পের পিছু হটার সিদ্ধান্তে গভীর হতাশা ও অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। তবে নেতানিয়াহুর এ চাপকে পাত্তা না দিয়ে ট্রাম্প বুধবার (২০ মে) মন্তব্য করেন, নেতানিয়াহু তা-ই করবেন যা তিনি (ট্রাম্প) তাকে করতে বলবেন। ট্রাম্পের মতে, মানুষের জীবন বাঁচাতে কূটনীতিকে আরও কয়েকটা দিন সময় দেওয়া উচিত।
এদিকে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে চলমান সংকটের কূটনৈতিক সমাধানে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালন করছে পাকিস্তান। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, এ প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির তেহরান সফর করছেন। এর আগে এপ্রিলে মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স এবং ইরানি স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফের মধ্যে মুখোমুখি বৈঠকের আয়োজন করেছিল পাকিস্তান। ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে, তাদের ১৪ দফার ভিত্তিতে পাকিস্তানের মাধ্যমে ওয়াশিংটনের সাথে বার্তা আদান-প্রদান চলছে। তবে পরমাণু কর্মসূচি ও জব্দ করা সম্পদ নিয়ে এখনো মূল জটিলতাগুলোর সমাধান হয়নি। ট্রাম্পও স্পষ্টভাবে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, সঠিক উত্তর না পাওয়া গেলে যেকোনো মুহূর্তে তারা সামরিক অ্যাকশনে যেতে সম্পূর্ণ প্রস্তুত।
সূত্র: সিএনএন
/এমএকে/

দেশে দেশে ইসরায়েলি রাষ্ট্রদূতদের তলব, নেপথ্যে কী


