বেরোবিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: ৯ মাসেও চিহ্নিত হয়নি কেউ
বেরোবি সংবাদদাতা

বেরোবিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: ৯ মাসেও চিহ্নিত হয়নি কেউ
বেরোবি সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭: ০০

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংবাদদাতা
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ক্যাম্পাসের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ৯ মাসেও কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের শাহাদতবার্ষিকী ও জুলাই শহিদ দিবসের আগের দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রী ছাউনি, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে ‘জয় বাংলা’, ‘শেখ হাসিনা ফিরবে’ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেখা যায়।
অথচ ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টার আগমনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, পানি সম্পদ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীরপ্রতীক। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের এবং ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. তানজীমউদ্দীন খান।
কঠোর নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও আগের রাতে দেয়ালে এ ধরনের স্লোগান লেখা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সাবেক সমন্বয়ক এস এম আশিকুর রহমান বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে ‘ছাত্রলীগ’ লেখা দেখা যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দীর্ঘ ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত কমিটি কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি, এটি প্রশাসনের ব্যর্থতা।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ামিন বলেন, ১৬ জুলাইয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে ছাত্রলীগের দেয়াল লিখন খুবই ন্যাক্কারজনক। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা না দিয়ে দীর্ঘসূত্রতা করছে, এতে মনে হচ্ছে তারা ছাত্রলীগকে সুরক্ষা দিচ্ছে। প্রশাসন অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর অবস্থানে যাবো।
শিবিরের সভাপতি সুমন সরকার বলেন, এখন পর্যন্ত ১০ থেকে ১২টি তদন্ত কমিটি হয়েছে, কিন্তু কোনোটিরই আলোর মুখ দেখা যায়নি। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের নানা আশ্বাস দেন, কিন্তু দিন শেষে শিক্ষার্থীরা কিছুই পায় না। এটি দায়িত্বের প্রতি অবহেলার ছাড়া আর কিছুই না।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. ইলিয়াছ প্রামানিক বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছি। সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করেছি। তবে এখনো কাউকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। পরে সিটি করপোরেশনের রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজও দেখা হয়েছে, সেখানেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইলিয়াছ প্রামানিককে আহ্বায়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহবুবকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন–প্রক্টর ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা এবং আইসিটি সেলের শাখা প্রধান ইঞ্জিনিয়ার বেলাল হোসেন।

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ক্যাম্পাসের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ৯ মাসেও কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের শাহাদতবার্ষিকী ও জুলাই শহিদ দিবসের আগের দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রী ছাউনি, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে ‘জয় বাংলা’, ‘শেখ হাসিনা ফিরবে’ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেখা যায়।
অথচ ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টার আগমনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, পানি সম্পদ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীরপ্রতীক। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের এবং ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. তানজীমউদ্দীন খান।
কঠোর নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও আগের রাতে দেয়ালে এ ধরনের স্লোগান লেখা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সাবেক সমন্বয়ক এস এম আশিকুর রহমান বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে ‘ছাত্রলীগ’ লেখা দেখা যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দীর্ঘ ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত কমিটি কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি, এটি প্রশাসনের ব্যর্থতা।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ামিন বলেন, ১৬ জুলাইয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে ছাত্রলীগের দেয়াল লিখন খুবই ন্যাক্কারজনক। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা না দিয়ে দীর্ঘসূত্রতা করছে, এতে মনে হচ্ছে তারা ছাত্রলীগকে সুরক্ষা দিচ্ছে। প্রশাসন অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর অবস্থানে যাবো।
শিবিরের সভাপতি সুমন সরকার বলেন, এখন পর্যন্ত ১০ থেকে ১২টি তদন্ত কমিটি হয়েছে, কিন্তু কোনোটিরই আলোর মুখ দেখা যায়নি। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের নানা আশ্বাস দেন, কিন্তু দিন শেষে শিক্ষার্থীরা কিছুই পায় না। এটি দায়িত্বের প্রতি অবহেলার ছাড়া আর কিছুই না।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. ইলিয়াছ প্রামানিক বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছি। সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করেছি। তবে এখনো কাউকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। পরে সিটি করপোরেশনের রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজও দেখা হয়েছে, সেখানেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইলিয়াছ প্রামানিককে আহ্বায়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহবুবকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন–প্রক্টর ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা এবং আইসিটি সেলের শাখা প্রধান ইঞ্জিনিয়ার বেলাল হোসেন।

বেরোবিতে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান: ৯ মাসেও চিহ্নিত হয়নি কেউ
বেরোবি সংবাদদাতা
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৭: ০০

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়। ছবি: সংবাদদাতা
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) ক্যাম্পাসের দেয়ালে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান লেখার ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি ৯ মাসেও কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বছর বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের প্রথম শহিদ আবু সাঈদের শাহাদতবার্ষিকী ও জুলাই শহিদ দিবসের আগের দিন রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের যাত্রী ছাউনি, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরিসহ ক্যাম্পাসের বিভিন্ন দেয়ালে ‘জয় বাংলা’, ‘শেখ হাসিনা ফিরবে’ সহ বিভিন্ন রাজনৈতিক স্লোগান দেখা যায়।
অথচ ওই দিন বিশ্ববিদ্যালয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের চার উপদেষ্টার আগমনকে কেন্দ্র করে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছিল। উপস্থিত ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. আসিফ নজরুল, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার, পানি সম্পদ ও পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফারুক ই আজম, বীরপ্রতীক। এছাড়া, উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এস এম এ ফায়েজ, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব সিদ্দিক জোবায়ের এবং ইউজিসির সদস্য প্রফেসর ড. তানজীমউদ্দীন খান।
কঠোর নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও আগের রাতে দেয়ালে এ ধরনের স্লোগান লেখা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও নিরাপত্তাহীনতার শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সাবেক সমন্বয়ক এস এম আশিকুর রহমান বলেন, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের কার্যক্রম বন্ধ থাকার পরও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের দেয়ালে ‘ছাত্রলীগ’ লেখা দেখা যাওয়া অত্যন্ত দুঃখজনক। দীর্ঘ ৯ মাস পেরিয়ে গেলেও তদন্ত কমিটি কাউকে চিহ্নিত করতে পারেনি, এটি প্রশাসনের ব্যর্থতা।
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি মো. ইয়ামিন বলেন, ১৬ জুলাইয়ের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ দিনে ছাত্রলীগের দেয়াল লিখন খুবই ন্যাক্কারজনক। তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা না দিয়ে দীর্ঘসূত্রতা করছে, এতে মনে হচ্ছে তারা ছাত্রলীগকে সুরক্ষা দিচ্ছে। প্রশাসন অনতিবিলম্বে ব্যবস্থা না নিলে আমরা শিক্ষার্থীদের নিয়ে কঠোর অবস্থানে যাবো।
শিবিরের সভাপতি সুমন সরকার বলেন, এখন পর্যন্ত ১০ থেকে ১২টি তদন্ত কমিটি হয়েছে, কিন্তু কোনোটিরই আলোর মুখ দেখা যায়নি। উপাচার্য শিক্ষার্থীদের নানা আশ্বাস দেন, কিন্তু দিন শেষে শিক্ষার্থীরা কিছুই পায় না। এটি দায়িত্বের প্রতি অবহেলার ছাড়া আর কিছুই না।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ড. ইলিয়াছ প্রামানিক বলেন, আমরা বিষয়টি নিয়ে কাজ করেছি। সিসিটিভি ফুটেজও পর্যালোচনা করেছি। তবে এখনো কাউকে চিহ্নিত করা সম্ভব হয়নি। পরে সিটি করপোরেশনের রাস্তার সিসিটিভি ফুটেজও দেখা হয়েছে, সেখানেও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেষ্টা ও কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. ইলিয়াছ প্রামানিককে আহ্বায়ক এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আল মাহবুবকে সদস্য সচিব করে ৫ সদস্যের এ তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।
কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন–প্রক্টর ও ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ফেরদৌস রহমান, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মাসুদ রানা এবং আইসিটি সেলের শাখা প্রধান ইঞ্জিনিয়ার বেলাল হোসেন।
/এসআর/




