ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষক গ্রেপ্তার

ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষক গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। এর আগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. নাসিরুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, ‘ছাত্রীর বাবার করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।’
গ্রেপ্তার হওয়া সুদীপ চক্রবর্তী থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।
এর আগে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন ওই শিক্ষক ও নিহতের এক সহপাঠী। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে সহপাঠীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মুনিরা মাহজাবিন মিমো থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। রবিবার সকালে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে বাড্ডা থানা পুলিশ।

রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। এর আগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. নাসিরুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, ‘ছাত্রীর বাবার করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।’
গ্রেপ্তার হওয়া সুদীপ চক্রবর্তী থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।
এর আগে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন ওই শিক্ষক ও নিহতের এক সহপাঠী। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে সহপাঠীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মুনিরা মাহজাবিন মিমো থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। রবিবার সকালে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে বাড্ডা থানা পুলিশ।

ছাত্রী মৃত্যুর ঘটনায় শিক্ষক গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বাড্ডায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী মৃত্যুর ঘটনায় সহযোগী অধ্যাপক সুদীপ চক্রবর্তীকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে পুলিশ। এর আগে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে হেফাজতে নেওয়া হয়েছিল।
রবিবার (২৬ এপ্রিল) বাড্ডা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কাজী মো. নাসিরুল আমিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, ‘ছাত্রীর বাবার করা আত্মহত্যায় প্ররোচনার মামলায় ওই শিক্ষককে গ্রেফতার করা হয়।’
গ্রেপ্তার হওয়া সুদীপ চক্রবর্তী থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক।
এর আগে পুলিশ হেফাজতে ছিলেন ওই শিক্ষক ও নিহতের এক সহপাঠী। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে সহপাঠীর বিরুদ্ধে কোনও অভিযোগ না থাকায় জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
মুনিরা মাহজাবিন মিমো থিয়েটার অ্যান্ড পারফরম্যান্স স্টাডিজ বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং বাড্ডায় পরিবারের সঙ্গে বসবাস করতেন। রবিবার সকালে ঢাবি শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে বাড্ডা থানা পুলিশ।

নিজ বাসা থেকে ঢাবি শিক্ষার্থীর মরদেহ উদ্ধার

