শিরোনাম

বিদেশফেরত যুবকের আঙুর চাষে দিনবদলের স্বপ্ন

চুয়াডাঙ্গা সংবাদদাতা
বিদেশফেরত যুবকের আঙুর চাষে দিনবদলের স্বপ্ন

মোহাম্মদ শাওন ইসলাম। তিনি একজন তরুণ উদ্যোক্তা। বাড়ি চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার হাসাদহ ইউনিয়নে। দীর্ঘ ১০ বছর বাহারাইনে কাটিয়েছেন। দেশে ফিরে ইউটিউব দেখে গড়ে তুলেছেন একটি আঙুর বাগান। হাসাদহ ইউনিয়নের পনেরশতি পাড়া বাগমারা মাঠে প্রায় ৮ বিঘা জমির ওপর গড়ে উঠেছে এই বাগান।

আঙুরের পাশাপাশি সেখানে চাষ করা হয়েছে ড্রাগন ফল, মাল্টা ও পেয়ারা–যা ইতোমধ্যে স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে।

শাওন ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, প্রবাসে থাকাকালীন ইউটিউবে ভিডিও দেখে আঙুর চাষে আগ্রহী হয়ে উঠি। সেই আগ্রহ থেকে দুই বছর আগে দেশে ফিরে শুরু করি বাণিজ্যিকভাবে আঙুর চাষ। আশা করছি, প্রতি গাছে ২০ থেকে ২৫ কেজি পর্যন্ত আঙুর উৎপাদন সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে ২২০ টাকা দরে আঙুর বিক্রি শুরু করেছি।

এই বাগান দেখাশোনার দায়িত্বে রয়েছেন স্থানীয় কৃষক ওলিয়ার রহমান। তিনি বলেন, আগে আঙুর চাষ সম্পর্কে জানতাম না। শাওন ভাই বিনিয়োগ করেছেন, আমি কাজ করি সেখানে। এখন ভালো ফলন হচ্ছে, আলহামদুলিল্লাহ।

তরুণদের উদ্দেশে শাওন ইসলাম বলেন, চাকরি বা বিদেশ যাওয়ার পেছনে সময় নষ্ট না করে, যদি সম্ভব হয় অল্প জমি লিজ নিয়ে কৃষি কাজ শুরু করুন। ইচ্ছা থাকলে দেশেই সফল হওয়া সম্ভব।

তিনি আক্ষেপ করে বলেন, স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ হয়নি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কখনো বাগানটি পরিদর্শন করেননি।

এ বিষয়ে জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আলমগীর হোসেন গণমাধ্যমকে বলেন, উপজেলায় বর্তমানে ৫৫ থেকে ৬০ বিঘা জমিতে আঙুর চাষ হচ্ছে। যারা আঙুর চাষ করছেন, তাদের উপজেলা কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে।

/এসআর/