বজ্রপাতে ৭ জেলায় প্রাণ গেল ১৪ জনের
নিজস্ব প্রতিবেদক

বজ্রপাতে ৭ জেলায় প্রাণ গেল ১৪ জনের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৪২

দেশের বিভিন্ন জেলায় রবিবার বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল
দেশের ৬ জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, বগুড়া, নাটোর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, সিরাজগঞ্জে দুজন, জামালপুরে দুজন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুজন, বগুড়ায় একজন, নাটোরের সিংড়ায় একজন এবং পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একই দিন বিকাল পাঁচটার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান এলাকায় বজ্রপাতে হাসান শেখ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই এলাকার আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জমিতে কাটা ধান জড়ো করার সময় হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান হাসান।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকাল পৌনে চারটার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির পাশের জমি থেকে নিজের ছাগল আনতে যান সুমন। কিছুক্ষণ পর বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
গাবতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু মুসা বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বিকালে ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামের মাঠে কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে ধান কাটছিলেন তিনি। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতে সম্রাট গুরুতর আহত হন। পরে তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে সিংড়ায় ধান কাটতে এসে বজ্রপাতে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার দুপুরে উপজেলার নিয়ামতপুর ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন নিয়ামতপুর গ্রামের রশিদুল ইসলামের স্ত্রী লাবণী আক্তার (৩৫) এবং কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী (৩৭)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা পৌনে দুইটার দিকে গরুর ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন লাবণী। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি মারা যান।
অন্যদিকে দুপুরে জমিতে ফসল দেখতে যান ইলিয়াস। হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।
এ ছাড়া রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে বজ্রপাতে দুই নারী শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
আহতরা হলেন সুফিয়া আক্তার (২২) ও ফারাহ আক্তার (২২)। তারা দুজনই ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, বজ্রপাতে আহত দুই শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

দেশের ৬ জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, বগুড়া, নাটোর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, সিরাজগঞ্জে দুজন, জামালপুরে দুজন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুজন, বগুড়ায় একজন, নাটোরের সিংড়ায় একজন এবং পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একই দিন বিকাল পাঁচটার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান এলাকায় বজ্রপাতে হাসান শেখ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই এলাকার আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জমিতে কাটা ধান জড়ো করার সময় হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান হাসান।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকাল পৌনে চারটার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির পাশের জমি থেকে নিজের ছাগল আনতে যান সুমন। কিছুক্ষণ পর বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
গাবতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু মুসা বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বিকালে ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামের মাঠে কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে ধান কাটছিলেন তিনি। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতে সম্রাট গুরুতর আহত হন। পরে তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে সিংড়ায় ধান কাটতে এসে বজ্রপাতে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার দুপুরে উপজেলার নিয়ামতপুর ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন নিয়ামতপুর গ্রামের রশিদুল ইসলামের স্ত্রী লাবণী আক্তার (৩৫) এবং কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী (৩৭)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা পৌনে দুইটার দিকে গরুর ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন লাবণী। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি মারা যান।
অন্যদিকে দুপুরে জমিতে ফসল দেখতে যান ইলিয়াস। হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।
এ ছাড়া রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে বজ্রপাতে দুই নারী শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
আহতরা হলেন সুফিয়া আক্তার (২২) ও ফারাহ আক্তার (২২)। তারা দুজনই ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, বজ্রপাতে আহত দুই শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।

বজ্রপাতে ৭ জেলায় প্রাণ গেল ১৪ জনের
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৯: ৪২

দেশের বিভিন্ন জেলায় রবিবার বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। গ্রাফিক্স: সিটিজেন জার্নাল
দেশের ৬ জেলায় বজ্রপাতে অন্তত ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। রবিবার (২৬ এপ্রিল) সকাল থেকে বিকাল পর্যন্ত গাইবান্ধা, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, বগুড়া, নাটোর, ঠাকুরগাঁও ও পঞ্চগড়ে এসব প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। আহত হয়েছেন আরও বেশ কয়েকজন।
এর মধ্যে গাইবান্ধায় পাঁচজন, সিরাজগঞ্জে দুজন, জামালপুরে দুজন, ঠাকুরগাঁওয়ে দুজন, বগুড়ায় একজন, নাটোরের সিংড়ায় একজন এবং পঞ্চগড়ে একজন মারা গেছেন।
সিরাজগঞ্জের তাড়াশ ও রায়গঞ্জ উপজেলায় পৃথক দুটি ঘটনায় এক কৃষক ও এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
তাড়াশ উপজেলার মাধাইনগর ইউনিয়নের বেত্রাশীন গ্রামে বিকেল সাড়ে চারটার দিকে বজ্রপাতে আব্দুল হামিদ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই গ্রামের মৃত গফুর আলীর ছেলে।
তাড়াশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাবিবুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে কৃষকের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
একই দিন বিকাল পাঁচটার দিকে রায়গঞ্জ উপজেলার ধানগড়া ইউনিয়নের মল্লিকচান এলাকায় বজ্রপাতে হাসান শেখ (২৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়। তিনি ওই এলাকার আব্দুল হালিম শেখের ছেলে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে জমিতে কাটা ধান জড়ো করার সময় হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টি শুরু হয়। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান হাসান।
রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহসানুজ্জামান বলেন, ঘটনাটি অত্যন্ত দুঃখজনক। বজ্রপাতে এক যুবকের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
বগুড়ার গাবতলী উপজেলার সোনারায় ইউনিয়নের মুচিখালী গ্রামে জমি থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতে সুমন (৩৫) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিকাল পৌনে চারটার দিকে বৃষ্টি শুরু হলে বাড়ির পাশের জমি থেকে নিজের ছাগল আনতে যান সুমন। কিছুক্ষণ পর বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
গাবতলী থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. আবু মুসা বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।
নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চলনবিলে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে সম্রাট হোসেন (২৬) নামে এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে।
বিকালে ঠ্যাঙ্গা পাকুরিয়া গ্রামের মাঠে কয়েকজন শ্রমিকের সঙ্গে ধান কাটছিলেন তিনি। হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের একটি ঘরে আশ্রয় নেন। এ সময় বজ্রপাতে সম্রাট গুরুতর আহত হন। পরে তাকে নাটোর সদর হাসপাতালে নেওয়া হলে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
সিংড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, সিরাজগঞ্জ থেকে সিংড়ায় ধান কাটতে এসে বজ্রপাতে সম্রাটের মৃত্যু হয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলায় পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
রবিবার দুপুরে উপজেলার নিয়ামতপুর ও কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন নিয়ামতপুর গ্রামের রশিদুল ইসলামের স্ত্রী লাবণী আক্তার (৩৫) এবং কোষাডাঙ্গীপাড়া গ্রামের আকবর আলীর ছেলে ইলিয়াস আলী (৩৭)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বেলা পৌনে দুইটার দিকে গরুর ঘাস কেটে বাড়ি ফিরছিলেন লাবণী। এ সময় আকস্মিক বজ্রপাতে তিনি মারা যান।
অন্যদিকে দুপুরে জমিতে ফসল দেখতে যান ইলিয়াস। হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
পীরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বলেন, বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যুর ঘটনায় অপমৃত্যুর (ইউডি) মামলা হয়েছে।
এ ছাড়া রাজধানীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলার সামনে বজ্রপাতে দুই নারী শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন।
রবিবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে অচেতন অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।
আহতরা হলেন সুফিয়া আক্তার (২২) ও ফারাহ আক্তার (২২)। তারা দুজনই ইস্ট ওয়েস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক বলেন, বজ্রপাতে আহত দুই শিক্ষার্থীকে জরুরি বিভাগে ভর্তি করা হয়েছে।
/এসএ/

দুই বিভাগে বজ্রবৃষ্টির শঙ্কা


