প্রধানমন্ত্রীর আল্টিমেটামে সরলো আজিমপুর কলোনির ২০ বছরের ময়লার স্তূপ

প্রধানমন্ত্রীর আল্টিমেটামে সরলো আজিমপুর কলোনির ২০ বছরের ময়লার স্তূপ
জুবায়ের আহমেদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আল্টিমেটামের পর বদলে গেছে আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকার চিত্র। নানা সংস্কার কাজের পাশাপাশি সরানো হয়েছে ২০ বছর ধরে জমে থাকা ময়লার স্তূপ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর কয়েক দিনের মধ্যেই দৃশ্যমান এই পরিবর্তন এনেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
গত ১৭ অক্টোবর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় ওই এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশের বেহাল দশা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পরিস্থিতির উন্নয়নে দুই সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে গতি আসে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সরেজমিনে আবাসন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর শুরু হওয়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আবাসনের ভেতরের রাস্তাঘাট এখন সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। পুকুরগুলোও পরিষ্কার করে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। ফুটপাতগুলোর যেসব অংশ ভাঙা ছিলো তা মেরামত করে নতুন করে পার্কিং টাইলস বসানো হয়েছে। রাস্তার ছোট ছোট গর্তও সংস্কার করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে আবাসন জোনের ৮০ থেকে ৯৮ নম্বর ভবন সংলগ্ন এলাকায়। সেখানে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। দিন-রাত এক করে ভেকু দিয়ে এসব ময়লা খুড়ে পরিস্কার করা হয়। ঝোপঝাড়গুলোও সরানো হয়েছে।
এছাড়া আবাসনের খালি জায়গাগুলোতে নতুন মাটি ভরাট করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছে। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকায় আলোকসজ্জার জন্য স্থাপন করা ল্যাম্পপোস্টগুলোও সচল রয়েছে। আর কলোনির অবহেলায় থাকা ৫ তলা ভবন এলাকা পরিস্কার করে মাটি ভরাট ও গাছ লাগানোর কাজ চলছে।
দ্রুত এই পরিবর্তনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কলোনিতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তারা বলছেন, পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের এসব উদ্যোগ এলাকার পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধুলা এবং বয়স্কদের হাঁটাচলার জন্যও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে কোনো কোনো বাসিন্দা কলোনির মধ্যে সাবলেট বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকার পরও সাবলেট থাকার বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। এটি কলোনির বাসিন্দাদের নিরাপত্তার বিষয় বলেও মনে করেন তারা।
কলোনির বাসিন্দা মো. ওবায়দুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর দ্রুতই কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে। চারপাশ বেশ পরিস্কার করা হয়েছে। বিশেষ করে বিকালে শিশুরা খেলতে এবং মুরুব্বিরা হাঁটতে বের হলে স্বস্তি প্রকাশ করছেন।’
গণপূর্ত অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে দিন-রাত কাজ করছেন তারা। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি আবাসন এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে গণপূর্ত রক্ষণাবেক্ষণ সার্কেলের উপসহকারী প্রকৌশলী সৌরভ কুমার দাস সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অল্প সময়ে পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন করা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবুও আমরা প্রায় সব কাজ সম্পন্ন করেছি। বিশেষ করে এখানে প্রায় ২০ বছর ধরে ময়লা জমে ছিল। সেটি পরিষ্কার করে পুরো চিত্র বদলে দিয়েছি। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি গাছ লাগানো ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজও করছি।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আল্টিমেটামের পর বদলে গেছে আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকার চিত্র। নানা সংস্কার কাজের পাশাপাশি সরানো হয়েছে ২০ বছর ধরে জমে থাকা ময়লার স্তূপ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর কয়েক দিনের মধ্যেই দৃশ্যমান এই পরিবর্তন এনেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
গত ১৭ অক্টোবর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় ওই এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশের বেহাল দশা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পরিস্থিতির উন্নয়নে দুই সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে গতি আসে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সরেজমিনে আবাসন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর শুরু হওয়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আবাসনের ভেতরের রাস্তাঘাট এখন সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। পুকুরগুলোও পরিষ্কার করে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। ফুটপাতগুলোর যেসব অংশ ভাঙা ছিলো তা মেরামত করে নতুন করে পার্কিং টাইলস বসানো হয়েছে। রাস্তার ছোট ছোট গর্তও সংস্কার করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে আবাসন জোনের ৮০ থেকে ৯৮ নম্বর ভবন সংলগ্ন এলাকায়। সেখানে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। দিন-রাত এক করে ভেকু দিয়ে এসব ময়লা খুড়ে পরিস্কার করা হয়। ঝোপঝাড়গুলোও সরানো হয়েছে।
এছাড়া আবাসনের খালি জায়গাগুলোতে নতুন মাটি ভরাট করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছে। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকায় আলোকসজ্জার জন্য স্থাপন করা ল্যাম্পপোস্টগুলোও সচল রয়েছে। আর কলোনির অবহেলায় থাকা ৫ তলা ভবন এলাকা পরিস্কার করে মাটি ভরাট ও গাছ লাগানোর কাজ চলছে।
দ্রুত এই পরিবর্তনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কলোনিতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তারা বলছেন, পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের এসব উদ্যোগ এলাকার পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধুলা এবং বয়স্কদের হাঁটাচলার জন্যও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে কোনো কোনো বাসিন্দা কলোনির মধ্যে সাবলেট বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকার পরও সাবলেট থাকার বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। এটি কলোনির বাসিন্দাদের নিরাপত্তার বিষয় বলেও মনে করেন তারা।
কলোনির বাসিন্দা মো. ওবায়দুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর দ্রুতই কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে। চারপাশ বেশ পরিস্কার করা হয়েছে। বিশেষ করে বিকালে শিশুরা খেলতে এবং মুরুব্বিরা হাঁটতে বের হলে স্বস্তি প্রকাশ করছেন।’
গণপূর্ত অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে দিন-রাত কাজ করছেন তারা। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি আবাসন এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে গণপূর্ত রক্ষণাবেক্ষণ সার্কেলের উপসহকারী প্রকৌশলী সৌরভ কুমার দাস সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অল্প সময়ে পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন করা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবুও আমরা প্রায় সব কাজ সম্পন্ন করেছি। বিশেষ করে এখানে প্রায় ২০ বছর ধরে ময়লা জমে ছিল। সেটি পরিষ্কার করে পুরো চিত্র বদলে দিয়েছি। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি গাছ লাগানো ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজও করছি।’

প্রধানমন্ত্রীর আল্টিমেটামে সরলো আজিমপুর কলোনির ২০ বছরের ময়লার স্তূপ
জুবায়ের আহমেদ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আল্টিমেটামের পর বদলে গেছে আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকার চিত্র। নানা সংস্কার কাজের পাশাপাশি সরানো হয়েছে ২০ বছর ধরে জমে থাকা ময়লার স্তূপ। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর কয়েক দিনের মধ্যেই দৃশ্যমান এই পরিবর্তন এনেছে গণপূর্ত অধিদপ্তর।
গত ১৭ অক্টোবর আজিমপুর সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী আবাসন এলাকা আকস্মিক পরিদর্শন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় ওই এলাকার পরিচ্ছন্নতা ও পরিবেশের বেহাল দশা দেখে অসন্তোষ প্রকাশ করেন তিনি। পরিস্থিতির উন্নয়নে দুই সপ্তাহের সময়সীমা বেঁধে দেন প্রধানমন্ত্রী। এরপরই পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজে গতি আসে।
সোমবার (২৬ অক্টোবর) সরেজমিনে আবাসন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর শুরু হওয়া পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও দৃশ্যমান উন্নয়ন কাজের প্রায় ৯০ শতাংশ ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। আবাসনের ভেতরের রাস্তাঘাট এখন সম্পূর্ণ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন। পুকুরগুলোও পরিষ্কার করে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। ফুটপাতগুলোর যেসব অংশ ভাঙা ছিলো তা মেরামত করে নতুন করে পার্কিং টাইলস বসানো হয়েছে। রাস্তার ছোট ছোট গর্তও সংস্কার করা হয়েছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তন দেখা গেছে আবাসন জোনের ৮০ থেকে ৯৮ নম্বর ভবন সংলগ্ন এলাকায়। সেখানে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে জমে থাকা ময়লা-আবর্জনার স্তূপ সরিয়ে ফেলা হয়েছে। দিন-রাত এক করে ভেকু দিয়ে এসব ময়লা খুড়ে পরিস্কার করা হয়। ঝোপঝাড়গুলোও সরানো হয়েছে।
এছাড়া আবাসনের খালি জায়গাগুলোতে নতুন মাটি ভরাট করে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগানো হয়েছে। সন্ধ্যার পর পুরো এলাকায় আলোকসজ্জার জন্য স্থাপন করা ল্যাম্পপোস্টগুলোও সচল রয়েছে। আর কলোনির অবহেলায় থাকা ৫ তলা ভবন এলাকা পরিস্কার করে মাটি ভরাট ও গাছ লাগানোর কাজ চলছে।
দ্রুত এই পরিবর্তনে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন কলোনিতে বসবাসরত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা। তারা বলছেন, পরিচ্ছন্নতা ও সৌন্দর্যবর্ধনের এসব উদ্যোগ এলাকার পরিবেশ উন্নত করার পাশাপাশি শিশুদের খেলাধুলা এবং বয়স্কদের হাঁটাচলার জন্যও স্বস্তিদায়ক পরিবেশ তৈরি হয়েছে। তবে কোনো কোনো বাসিন্দা কলোনির মধ্যে সাবলেট বিষয়ে ক্ষোভ জানিয়েছেন। তারা জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা থাকার পরও সাবলেট থাকার বিষয়ে কোনো উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে না। এটি কলোনির বাসিন্দাদের নিরাপত্তার বিষয় বলেও মনে করেন তারা।
কলোনির বাসিন্দা মো. ওবায়দুল বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনার পর দ্রুতই কাজগুলো সম্পন্ন হয়েছে। চারপাশ বেশ পরিস্কার করা হয়েছে। বিশেষ করে বিকালে শিশুরা খেলতে এবং মুরুব্বিরা হাঁটতে বের হলে স্বস্তি প্রকাশ করছেন।’
গণপূর্ত অধিদপ্তর সংশ্লিষ্টরা জানান, প্রধানমন্ত্রীর বেঁধে দেওয়া সময়ের মধ্যে দৃশ্যমান পরিবর্তন আনতে দিন-রাত কাজ করছেন তারা। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি আবাসন এলাকার পরিবেশ উন্নয়ন ও সৌন্দর্যবর্ধনেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
এ বিষয়ে গণপূর্ত রক্ষণাবেক্ষণ সার্কেলের উপসহকারী প্রকৌশলী সৌরভ কুমার দাস সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অল্প সময়ে পরিচ্ছন্নতার কাজ সম্পন্ন করা বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। তবুও আমরা প্রায় সব কাজ সম্পন্ন করেছি। বিশেষ করে এখানে প্রায় ২০ বছর ধরে ময়লা জমে ছিল। সেটি পরিষ্কার করে পুরো চিত্র বদলে দিয়েছি। পরিচ্ছন্নতার পাশাপাশি গাছ লাগানো ও সৌন্দর্যবর্ধনের কাজও করছি।’

ডিজে পার্টি থেকে বদলি বাণিজ্য, অতিরিক্ত ডিআইজি জহিরের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ







