মোহাম্মদপুর-বসিলায় নিম্নাঞ্চল ভরাট করে অর্ধশতাধিক অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্প

মোহাম্মদপুর-বসিলায় নিম্নাঞ্চল ভরাট করে অর্ধশতাধিক অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্প
জুবায়ের আহমেদ

মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও কলাতিয়া নিয়ে রাজউক জোন-৫। এই জোনে অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি। এখানে ৫৩টি অননুমোদিত আবাসন প্রকল্প রয়েছে। মোট জমির পরিমাণ তিন হাজার একরের বেশি। রাজউকের নথি অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের বড় অংশ প্লাবনভূমি ও কৃষিজমিতে গড়ে উঠেছে।
রাজউক জোন-৫-এর প্রায় ৩৫০ একর জমি কৃষি ও বন্যাপ্রবাহ অঞ্চলে। এসব জমিতেই আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছে মধুমতি মডেল টাউন। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে অবৈধ ঘোষিত হলেও থেমে নেই এই প্রকল্পের কাজ। নাম বদল করে ‘নান্দনিক হাউজিং’ নামে চলছে প্রকল্পটির কার্যক্রম। গোপনে চলছে প্লট হস্তান্তর। ভেতরে রয়েছে বেশ কয়েকটি রিসোর্টও।
একইভাবে ২২৯ একর কৃষিজমিতে গড়ে ওঠা সিলিকন সিটি আবাসন প্রকল্পের সব কার্যক্রম বন্ধে রাজউককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অথচ বছরের পর বছর ধরে মাটি ভরাট করে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। আর রাজউক কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে কেবল তালিকা করেই বসে আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের মূল প্রতিষ্ঠান চন্দ্রিমা রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপক লুৎফর রহমান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘একটা সময় পর্যন্ত এটা বন্যাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ছিল। কিন্তু ২০২২ সালে রাজউক এই অঞ্চলটিকে বন্যাপ্রবণমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে প্রকল্পের মধ্যে ভবন নির্মাণের অনুমোদন রাজউক এখনও দিচ্ছে না। আমরা চাচ্ছি দ্রুতই যেন তারা এই অনুমোদন দিয়ে দেয়।’

অনুমোদন ছাড়াই প্লট বিক্রি, ভবন নির্মাণের বিষয়ে অননুমোদিত অনান্য আবাসন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের পক্ষ থেকে কথা বলতে তাদের মুঠোফোনে কল করা হয়েছে। কিন্তু তারা ফোন ধরেননি।
রাজউকের অননুমোদিত হাউজিং প্রকল্পের তালিকায় আরও রয়েছে ৯৯ একরের মায়াকানন ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড, ৫১ একরের ঢাকা উদ্যান, ৬৮ একরের নবীনগর হাউজিং, ৫৭ একরের বসিলা ফিউচার টাউন, ৬৫ একরের মধু হাজী রিভারভিউ, ৫০ একরের মুনসিটি, ৮৫ একরের বামনশুর হাউজিং, ৮০ একরের নিউ ভিশন ইকো সিটি, ৬৫ একরের ম্যাক্সওয়েল ওয়েস্টার্ন সিটি, ৫০ একরের সাফা মারওয়া মডেল টাউন, ৩৬ একরের ভাওয়াল হাউজিং, ৩০ একরের মনহারিয়া লেক সিটি, ৩৪ একরের সাতমসজিদ হাউজিংসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্প। এগুলোর বেশিরভাগই কৃষি জমি ও প্লাবনভূমিতে গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে পুরোদমে ভবন নির্মাণ করে বসবাস করছে মানুষ।
দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই অনিয়ম
এ বিষয়ে রাজউক জোন–৫-এর পরিচালক মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই এই আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো সব জায়গায় গোপনে নানা অনিয়ম করে আসছে। মোহাম্মদপুর-বসিলা এলাকার কিছু কিছু অননুমোদিত প্রকল্পে আরও ১০ বছর আগেই বসতি গড়ে উঠেছে। সম্প্রতি আমরা এসব বিষয় মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। তারা দ্রুতই একটি কার্যকর নীতিমালা তৈরি করে ব্যবস্থা নেবে।’
রাজউকেরই অন্য একটি শাখার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভূমি ব্যবসায়ীদের সব ধরনের কাজের সুযোগ দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কৌশলে তালিকা করে ফাইলে জমা রাখে। এর বিনিময়ে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ নিজেদের পকেটে ভরে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত
অনুমোদনহীন থাকার পরও বছরের পর বছর কীভাবে এসব প্রকল্পে জমি বিক্রি ও ভবন নির্মাণ চলেছে-এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘নানা সময় নানা অবহেলার কারণে এসব প্রকল্প দাঁড়িয়েছে। এলাকাগুলো যেহেতু এখন রাজউকের আওতাধীন, সেহেতু রাজউক থেকেও প্রকল্পের অনুমোদন নিতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এখন থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও কলাতিয়া নিয়ে রাজউক জোন-৫। এই জোনে অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি। এখানে ৫৩টি অননুমোদিত আবাসন প্রকল্প রয়েছে। মোট জমির পরিমাণ তিন হাজার একরের বেশি। রাজউকের নথি অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের বড় অংশ প্লাবনভূমি ও কৃষিজমিতে গড়ে উঠেছে।
রাজউক জোন-৫-এর প্রায় ৩৫০ একর জমি কৃষি ও বন্যাপ্রবাহ অঞ্চলে। এসব জমিতেই আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছে মধুমতি মডেল টাউন। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে অবৈধ ঘোষিত হলেও থেমে নেই এই প্রকল্পের কাজ। নাম বদল করে ‘নান্দনিক হাউজিং’ নামে চলছে প্রকল্পটির কার্যক্রম। গোপনে চলছে প্লট হস্তান্তর। ভেতরে রয়েছে বেশ কয়েকটি রিসোর্টও।
একইভাবে ২২৯ একর কৃষিজমিতে গড়ে ওঠা সিলিকন সিটি আবাসন প্রকল্পের সব কার্যক্রম বন্ধে রাজউককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অথচ বছরের পর বছর ধরে মাটি ভরাট করে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। আর রাজউক কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে কেবল তালিকা করেই বসে আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের মূল প্রতিষ্ঠান চন্দ্রিমা রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপক লুৎফর রহমান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘একটা সময় পর্যন্ত এটা বন্যাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ছিল। কিন্তু ২০২২ সালে রাজউক এই অঞ্চলটিকে বন্যাপ্রবণমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে প্রকল্পের মধ্যে ভবন নির্মাণের অনুমোদন রাজউক এখনও দিচ্ছে না। আমরা চাচ্ছি দ্রুতই যেন তারা এই অনুমোদন দিয়ে দেয়।’

অনুমোদন ছাড়াই প্লট বিক্রি, ভবন নির্মাণের বিষয়ে অননুমোদিত অনান্য আবাসন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের পক্ষ থেকে কথা বলতে তাদের মুঠোফোনে কল করা হয়েছে। কিন্তু তারা ফোন ধরেননি।
রাজউকের অননুমোদিত হাউজিং প্রকল্পের তালিকায় আরও রয়েছে ৯৯ একরের মায়াকানন ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড, ৫১ একরের ঢাকা উদ্যান, ৬৮ একরের নবীনগর হাউজিং, ৫৭ একরের বসিলা ফিউচার টাউন, ৬৫ একরের মধু হাজী রিভারভিউ, ৫০ একরের মুনসিটি, ৮৫ একরের বামনশুর হাউজিং, ৮০ একরের নিউ ভিশন ইকো সিটি, ৬৫ একরের ম্যাক্সওয়েল ওয়েস্টার্ন সিটি, ৫০ একরের সাফা মারওয়া মডেল টাউন, ৩৬ একরের ভাওয়াল হাউজিং, ৩০ একরের মনহারিয়া লেক সিটি, ৩৪ একরের সাতমসজিদ হাউজিংসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্প। এগুলোর বেশিরভাগই কৃষি জমি ও প্লাবনভূমিতে গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে পুরোদমে ভবন নির্মাণ করে বসবাস করছে মানুষ।
দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই অনিয়ম
এ বিষয়ে রাজউক জোন–৫-এর পরিচালক মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই এই আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো সব জায়গায় গোপনে নানা অনিয়ম করে আসছে। মোহাম্মদপুর-বসিলা এলাকার কিছু কিছু অননুমোদিত প্রকল্পে আরও ১০ বছর আগেই বসতি গড়ে উঠেছে। সম্প্রতি আমরা এসব বিষয় মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। তারা দ্রুতই একটি কার্যকর নীতিমালা তৈরি করে ব্যবস্থা নেবে।’
রাজউকেরই অন্য একটি শাখার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভূমি ব্যবসায়ীদের সব ধরনের কাজের সুযোগ দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কৌশলে তালিকা করে ফাইলে জমা রাখে। এর বিনিময়ে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ নিজেদের পকেটে ভরে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত
অনুমোদনহীন থাকার পরও বছরের পর বছর কীভাবে এসব প্রকল্পে জমি বিক্রি ও ভবন নির্মাণ চলেছে-এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘নানা সময় নানা অবহেলার কারণে এসব প্রকল্প দাঁড়িয়েছে। এলাকাগুলো যেহেতু এখন রাজউকের আওতাধীন, সেহেতু রাজউক থেকেও প্রকল্পের অনুমোদন নিতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এখন থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’

মোহাম্মদপুর-বসিলায় নিম্নাঞ্চল ভরাট করে অর্ধশতাধিক অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্প
জুবায়ের আহমেদ

মোহাম্মদপুর, হাজারীবাগ, কামরাঙ্গীরচর ও কলাতিয়া নিয়ে রাজউক জোন-৫। এই জোনে অনুমোদনহীন আবাসন প্রকল্পের ছড়াছড়ি। এখানে ৫৩টি অননুমোদিত আবাসন প্রকল্প রয়েছে। মোট জমির পরিমাণ তিন হাজার একরের বেশি। রাজউকের নথি অনুযায়ী, এসব প্রকল্পের বড় অংশ প্লাবনভূমি ও কৃষিজমিতে গড়ে উঠেছে।
রাজউক জোন-৫-এর প্রায় ৩৫০ একর জমি কৃষি ও বন্যাপ্রবাহ অঞ্চলে। এসব জমিতেই আবাসন প্রকল্প গড়ে তুলেছে মধুমতি মডেল টাউন। সর্বোচ্চ আদালতের রায়ে অবৈধ ঘোষিত হলেও থেমে নেই এই প্রকল্পের কাজ। নাম বদল করে ‘নান্দনিক হাউজিং’ নামে চলছে প্রকল্পটির কার্যক্রম। গোপনে চলছে প্লট হস্তান্তর। ভেতরে রয়েছে বেশ কয়েকটি রিসোর্টও।
একইভাবে ২২৯ একর কৃষিজমিতে গড়ে ওঠা সিলিকন সিটি আবাসন প্রকল্পের সব কার্যক্রম বন্ধে রাজউককে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। অথচ বছরের পর বছর ধরে মাটি ভরাট করে এই প্রকল্প চালু করা হয়েছে। আর রাজউক কোনো ব্যবস্থা না নিয়ে কেবল তালিকা করেই বসে আছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে চন্দ্রিমা মডেল টাউনের মূল প্রতিষ্ঠান চন্দ্রিমা রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপক লুৎফর রহমান সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘একটা সময় পর্যন্ত এটা বন্যাপ্রবণ এলাকা হিসেবে চিহ্নিত ছিল। কিন্তু ২০২২ সালে রাজউক এই অঞ্চলটিকে বন্যাপ্রবণমুক্ত হিসেবে ঘোষণা করেছে। তবে প্রকল্পের মধ্যে ভবন নির্মাণের অনুমোদন রাজউক এখনও দিচ্ছে না। আমরা চাচ্ছি দ্রুতই যেন তারা এই অনুমোদন দিয়ে দেয়।’

অনুমোদন ছাড়াই প্লট বিক্রি, ভবন নির্মাণের বিষয়ে অননুমোদিত অনান্য আবাসন প্রতিষ্ঠানের পরিচালক ও কর্মকর্তাদের সঙ্গে সিজেডএন টোয়েন্টিফোরের পক্ষ থেকে কথা বলতে তাদের মুঠোফোনে কল করা হয়েছে। কিন্তু তারা ফোন ধরেননি।
রাজউকের অননুমোদিত হাউজিং প্রকল্পের তালিকায় আরও রয়েছে ৯৯ একরের মায়াকানন ইস্টার্ন হাউজিং লিমিটেড, ৫১ একরের ঢাকা উদ্যান, ৬৮ একরের নবীনগর হাউজিং, ৫৭ একরের বসিলা ফিউচার টাউন, ৬৫ একরের মধু হাজী রিভারভিউ, ৫০ একরের মুনসিটি, ৮৫ একরের বামনশুর হাউজিং, ৮০ একরের নিউ ভিশন ইকো সিটি, ৬৫ একরের ম্যাক্সওয়েল ওয়েস্টার্ন সিটি, ৫০ একরের সাফা মারওয়া মডেল টাউন, ৩৬ একরের ভাওয়াল হাউজিং, ৩০ একরের মনহারিয়া লেক সিটি, ৩৪ একরের সাতমসজিদ হাউজিংসহ আরও বেশ কয়েকটি প্রকল্প। এগুলোর বেশিরভাগই কৃষি জমি ও প্লাবনভূমিতে গড়ে উঠেছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটিতে পুরোদমে ভবন নির্মাণ করে বসবাস করছে মানুষ।
দীর্ঘদিন ধরে চলছে এই অনিয়ম
এ বিষয়ে রাজউক জোন–৫-এর পরিচালক মো. হামিদুল ইসলাম বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই এই আবাসন প্রতিষ্ঠানগুলো সব জায়গায় গোপনে নানা অনিয়ম করে আসছে। মোহাম্মদপুর-বসিলা এলাকার কিছু কিছু অননুমোদিত প্রকল্পে আরও ১০ বছর আগেই বসতি গড়ে উঠেছে। সম্প্রতি আমরা এসব বিষয় মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছি। তারা দ্রুতই একটি কার্যকর নীতিমালা তৈরি করে ব্যবস্থা নেবে।’
রাজউকেরই অন্য একটি শাখার এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ভূমি ব্যবসায়ীদের সব ধরনের কাজের সুযোগ দিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কৌশলে তালিকা করে ফাইলে জমা রাখে। এর বিনিময়ে তারা বিপুল পরিমাণ অর্থ নিজেদের পকেটে ভরে।
মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত
অনুমোদনহীন থাকার পরও বছরের পর বছর কীভাবে এসব প্রকল্পে জমি বিক্রি ও ভবন নির্মাণ চলেছে-এমন প্রশ্নের জবাবে রাজউকের প্রধান নগর পরিকল্পনাবিদ মো. আশরাফুল ইসলাম সিজেডএন টোয়েন্টিফোরকে বলেন, ‘নানা সময় নানা অবহেলার কারণে এসব প্রকল্প দাঁড়িয়েছে। এলাকাগুলো যেহেতু এখন রাজউকের আওতাধীন, সেহেতু রাজউক থেকেও প্রকল্পের অনুমোদন নিতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে এখন থেকে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’









