বেতন পরিশোধে ঋণ পাচ্ছে পোশাক খাত

বেতন পরিশোধে ঋণ পাচ্ছে পোশাক খাত
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য মেয়াদি ঋণ সুবিধা নিতে পারবে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান। শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সর্বশেষ তিন মাসের গড়ের সমপরিমাণ ঋণ দেওয়া যাবে। বাজারভিত্তিক সুদে ব্যাংকগুলো এ ঋণ পাবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সম্প্রতি বিজিএমইএ দুই মাসের বেতনের সমপরিমাণ ঋণ সুবিধা চেয়ে আবেদন করে। এছাড়া নগদ সহায়তা দ্রুত ছাড় করার অনুরোধ জানায়।
এদিকে, ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। পোশাক শিল্পের সংকটকালীন মুহূর্তে এই জরুরি ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের জন্য বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সরকারের শীর্ষ পর্যায়সহ অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পোশাক শিল্পের মালিকদের ওপর যখন শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, বোনাস এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল পরিশোধের প্রবল চাপ তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে এই অর্থ বরাদ্দ শিল্পমালিকদের জন্য এক বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়িক পরিবেশে বিঘ্ন ঘটা, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অন্যান্য ব্যয়ের চাপের কারণে অনেক রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সময়মতো পরিশোধে সমস্যায় পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে উৎপাদন সক্ষমতা ও রপ্তানি প্রবাহ সচল রাখতে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
নির্দেশনা অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য চলতি মূলধন ঋণসীমার বাইরে গ্রাহকের সক্ষমতা বিবেচনায় মেয়াদি ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে। ঋণের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিগত তিন মাসে দেওয়া গড় বেতন-ভাতার বেশি হবে না।
আরও বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান মোট উৎপাদনের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ রপ্তানি করে, সেগুলোকে রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি নভেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নিয়মিত বেতন পরিশোধ করেছে– এমন প্রতিষ্ঠানকে সচল ধরা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিত্বকারী বাণিজ্য সংগঠনের প্রত্যয়ন থাকতে হবে। ঋণের বিপরীতে বাজারভিত্তিক প্রচলিত সুদহার প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত সুদের বাইরে কোনো অতিরিক্ত সুদ, মুনাফা, ফি বা চার্জ আরোপ করা যাবে না। ঋণ সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদ হবে। এর মধ্যে তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ মাসিক বা ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য হবে।
সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের মাধ্যমে সরাসরি বেতন-ভাতার অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য মেয়াদি ঋণ সুবিধা নিতে পারবে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান। শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সর্বশেষ তিন মাসের গড়ের সমপরিমাণ ঋণ দেওয়া যাবে। বাজারভিত্তিক সুদে ব্যাংকগুলো এ ঋণ পাবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সম্প্রতি বিজিএমইএ দুই মাসের বেতনের সমপরিমাণ ঋণ সুবিধা চেয়ে আবেদন করে। এছাড়া নগদ সহায়তা দ্রুত ছাড় করার অনুরোধ জানায়।
এদিকে, ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। পোশাক শিল্পের সংকটকালীন মুহূর্তে এই জরুরি ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের জন্য বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সরকারের শীর্ষ পর্যায়সহ অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পোশাক শিল্পের মালিকদের ওপর যখন শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, বোনাস এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল পরিশোধের প্রবল চাপ তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে এই অর্থ বরাদ্দ শিল্পমালিকদের জন্য এক বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়িক পরিবেশে বিঘ্ন ঘটা, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অন্যান্য ব্যয়ের চাপের কারণে অনেক রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সময়মতো পরিশোধে সমস্যায় পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে উৎপাদন সক্ষমতা ও রপ্তানি প্রবাহ সচল রাখতে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
নির্দেশনা অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য চলতি মূলধন ঋণসীমার বাইরে গ্রাহকের সক্ষমতা বিবেচনায় মেয়াদি ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে। ঋণের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিগত তিন মাসে দেওয়া গড় বেতন-ভাতার বেশি হবে না।
আরও বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান মোট উৎপাদনের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ রপ্তানি করে, সেগুলোকে রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি নভেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নিয়মিত বেতন পরিশোধ করেছে– এমন প্রতিষ্ঠানকে সচল ধরা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিত্বকারী বাণিজ্য সংগঠনের প্রত্যয়ন থাকতে হবে। ঋণের বিপরীতে বাজারভিত্তিক প্রচলিত সুদহার প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত সুদের বাইরে কোনো অতিরিক্ত সুদ, মুনাফা, ফি বা চার্জ আরোপ করা যাবে না। ঋণ সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদ হবে। এর মধ্যে তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ মাসিক বা ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য হবে।
সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের মাধ্যমে সরাসরি বেতন-ভাতার অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বেতন পরিশোধে ঋণ পাচ্ছে পোশাক খাত
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য মেয়াদি ঋণ সুবিধা নিতে পারবে রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক শিল্প প্রতিষ্ঠান। শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধের জন্য সর্বশেষ তিন মাসের গড়ের সমপরিমাণ ঋণ দেওয়া যাবে। বাজারভিত্তিক সুদে ব্যাংকগুলো এ ঋণ পাবে।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে জারি করা এক সার্কুলারের মাধ্যমে এ নির্দেশনা দেওয়া হয়।
সম্প্রতি বিজিএমইএ দুই মাসের বেতনের সমপরিমাণ ঋণ সুবিধা চেয়ে আবেদন করে। এছাড়া নগদ সহায়তা দ্রুত ছাড় করার অনুরোধ জানায়।
এদিকে, ঋণ সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ পোশাক প্রস্তুতকারক ও রপ্তানিকারক সমিতি (বিজিএমইএ)। পোশাক শিল্পের সংকটকালীন মুহূর্তে এই জরুরি ও সময়োপযোগী পদক্ষেপের জন্য বিজিএমইএ সভাপতি মাহমুদ হাসান খান সরকারের শীর্ষ পর্যায়সহ অর্থমন্ত্রী, বাণিজ্যমন্ত্রী এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জানান।
বিজিএমইএ সভাপতি বলেন, আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে পোশাক শিল্পের মালিকদের ওপর যখন শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা, বোনাস এবং বিদ্যুৎ-গ্যাস বিল পরিশোধের প্রবল চাপ তৈরি হয়েছে, ঠিক সেই মুহূর্তে এই অর্থ বরাদ্দ শিল্পমালিকদের জন্য এক বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানিয়েছে, বৈশ্বিক ও অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়িক পরিবেশে বিঘ্ন ঘটা, জ্বালানি ও পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধি এবং অন্যান্য ব্যয়ের চাপের কারণে অনেক রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠান উৎপাদন কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে ও শ্রমিকদের বেতন-ভাতা সময়মতো পরিশোধে সমস্যায় পড়ছে। এ পরিস্থিতিতে উৎপাদন সক্ষমতা ও রপ্তানি প্রবাহ সচল রাখতে আর্থিক সহায়তা প্রয়োজন।
নির্দেশনা অনুযায়ী, রপ্তানিমুখী শিল্প প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক-কর্মচারীদের ফেব্রুয়ারি মাসের বেতন পরিশোধের জন্য চলতি মূলধন ঋণসীমার বাইরে গ্রাহকের সক্ষমতা বিবেচনায় মেয়াদি ঋণ সুবিধা দেওয়া যাবে। ঋণের পরিমাণ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিগত তিন মাসে দেওয়া গড় বেতন-ভাতার বেশি হবে না।
আরও বলা হয়েছে, যেসব প্রতিষ্ঠান মোট উৎপাদনের কমপক্ষে ৮০ শতাংশ রপ্তানি করে, সেগুলোকে রপ্তানিমুখী শিল্প হিসেবে বিবেচনা করা হবে। পাশাপাশি নভেম্বর ২০২৫ থেকে জানুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত নিয়মিত বেতন পরিশোধ করেছে– এমন প্রতিষ্ঠানকে সচল ধরা হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিত্বকারী বাণিজ্য সংগঠনের প্রত্যয়ন থাকতে হবে। ঋণের বিপরীতে বাজারভিত্তিক প্রচলিত সুদহার প্রযোজ্য হবে। নির্ধারিত সুদের বাইরে কোনো অতিরিক্ত সুদ, মুনাফা, ফি বা চার্জ আরোপ করা যাবে না। ঋণ সর্বোচ্চ এক বছর মেয়াদ হবে। এর মধ্যে তিন মাসের গ্রেস পিরিয়ডসহ মাসিক বা ত্রৈমাসিক কিস্তিতে পরিশোধযোগ্য হবে।
সার্কুলারে তফসিলি ব্যাংকগুলোকে সংশ্লিষ্ট শ্রমিক-কর্মচারীদের ব্যাংক হিসাব বা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) হিসাবের মাধ্যমে সরাসরি বেতন-ভাতার অর্থ পরিশোধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।




