৭ দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের সমাবেশ

৭ দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের সমাবেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

৭ দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিলের দিলকুশায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী গ্রাহক, শেয়ারহেল্ডার ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বক্তারা বলেন, ব্যাংক লুটেরা এস আলমের হাতে ইসলামী ব্যাংক তুলে দিলে গভর্নরকে পদত্যাগ করতে হবে। তারা দাবি করেন, একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ দেওয়ায় ব্যাংকিং সেক্টর সংকটের মুখোমুখি।
সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরু নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড মিটিং হতে হবে ব্যাংকের প্রকৃত মালিক ও পরিচালকদের উপস্থিতিতে ব্যাংকের কার্যালয়ে। সোমবার (১ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিং সম্পূর্ণ অবৈধ। মিটিং যদি অবৈধ হয়, মিটিংয়ের সব সিদ্ধান্তও অবৈধ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৩ মাসের মাথায় ইসলামী ব্যাংককে আবারও ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের হাতে তুলে দেওয়ার নীল-নকশা আঁকছে। খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও হতে পারে।
৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে–
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ, ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে না রাখা, ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করা, এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করা, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়– এস আলম যেন কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারেন সেই ব্যবস্থা করা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

৭ দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিলের দিলকুশায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী গ্রাহক, শেয়ারহেল্ডার ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বক্তারা বলেন, ব্যাংক লুটেরা এস আলমের হাতে ইসলামী ব্যাংক তুলে দিলে গভর্নরকে পদত্যাগ করতে হবে। তারা দাবি করেন, একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ দেওয়ায় ব্যাংকিং সেক্টর সংকটের মুখোমুখি।
সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরু নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড মিটিং হতে হবে ব্যাংকের প্রকৃত মালিক ও পরিচালকদের উপস্থিতিতে ব্যাংকের কার্যালয়ে। সোমবার (১ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিং সম্পূর্ণ অবৈধ। মিটিং যদি অবৈধ হয়, মিটিংয়ের সব সিদ্ধান্তও অবৈধ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৩ মাসের মাথায় ইসলামী ব্যাংককে আবারও ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের হাতে তুলে দেওয়ার নীল-নকশা আঁকছে। খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও হতে পারে।
৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে–
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ, ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে না রাখা, ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করা, এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করা, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়– এস আলম যেন কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারেন সেই ব্যবস্থা করা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

৭ দাবিতে ইসলামী ব্যাংক গ্রাহক ফোরামের সমাবেশ
নিজস্ব প্রতিবেদক

৭ দফা দাবিতে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের উদ্যোগে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২ জুন) রাজধানীর ব্যাংকপাড়া মতিঝিলের দিলকুশায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন ভুক্তভোগী গ্রাহক, শেয়ারহেল্ডার ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ীরা।
বক্তারা বলেন, ব্যাংক লুটেরা এস আলমের হাতে ইসলামী ব্যাংক তুলে দিলে গভর্নরকে পদত্যাগ করতে হবে। তারা দাবি করেন, একজন গার্মেন্টস ব্যবসায়ীকে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর নিয়োগ দেওয়ায় ব্যাংকিং সেক্টর সংকটের মুখোমুখি।
সভাপতির বক্তব্যে ইসলামী ব্যাংক সচেতন গ্রাহক ফোরামের আহ্বায়ক অধ্যাপক নুরু নবী মানিক বলেন, ইসলামী ব্যাংকের বোর্ড মিটিং হতে হবে ব্যাংকের প্রকৃত মালিক ও পরিচালকদের উপস্থিতিতে ব্যাংকের কার্যালয়ে। সোমবার (১ জুন) রাতে অনুষ্ঠিত বোর্ড মিটিং সম্পূর্ণ অবৈধ। মিটিং যদি অবৈধ হয়, মিটিংয়ের সব সিদ্ধান্তও অবৈধ।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার ক্ষমতা গ্রহণের মাত্র ৩ মাসের মাথায় ইসলামী ব্যাংককে আবারও ব্যাংক লুটেরা এস আলম গ্রুপের হাতে তুলে দেওয়ার নীল-নকশা আঁকছে। খুরশীদ আলমকে ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যানের চেয়ারে বসতে দেওয়া যাবে না। প্রয়োজনে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের পদত্যাগের দাবিতে বাংলাদেশ ব্যাংক ঘেরাও হতে পারে।
৭ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে–
ইসলামী ব্যাংকের চেয়ারম্যান খুরশীদ আলমের পদত্যাগ, ওমর ফারুক খানকে এমডি পদে পুনর্বহাল, লুটপাটের সঙ্গে জড়িত কাউকে ইসলামী ব্যাংকের বোর্ডে না রাখা, ব্যাংক রেজুলেশন অ্যাক্ট থেকে ১৮(ক) ধারা বাতিল করা, এস আলমের দখলকৃত মালিকানা ও দেশে থাকা সম্পত্তি বিক্রি করে লুট করা অর্থের সমন্বয় করা, শুধু ইসলামী ব্যাংক নয়– এস আলম যেন কোনো ব্যাংকেই ফিরতে না পারেন সেই ব্যবস্থা করা এবং ইসলামী ব্যাংকসহ সব ব্যাংক লুটকারীদের বিচারের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করা।

ইসলামী ব্যাংকে সভা করেছেন চেয়ারম্যান খুরশীদ আলম, এমডির পদত্যাগ 


