হত্যা মামলার আসামি জবি শিক্ষককে পুনর্বাসনের উদ্যোগ, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা

হত্যা মামলার আসামি জবি শিক্ষককে পুনর্বাসনের উদ্যোগ, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘বিতর্কিত’ অধ্যাপক ও জুলাই হত্যা মামলার আসামি ড. মিল্টন বিশ্বাসকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি তাকে পুনরায় ক্লাস রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করে বাংলা বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটি। এমন ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ জানা যায়, অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস জবির আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জয় বাংলা শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক। তার বিরুদ্ধে চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় মামলা রয়েছে। জবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা ও অনিক কুমার দাসের দায়ের করা এসব মামলার অন্যতম আসামি তিনি।
এছাড়া, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজপথে থাকা শিক্ষার্থীদের ‘জঙ্গি’ ও ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এদিকে, গত বুধবার বাংলা বিভাগের কোর্স বণ্টন ও রুটিন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহী চৌধুরী স্বাক্ষরিত ক্লাস রুটিনে দেখা যায়, ‘বাংলা কবিতা-৫’ (কোর্স কোড-৩২০৬) কোর্সটি ড. মিল্টন বিশ্বাসের নামে বরাদ্দ করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠে।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জবি ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসর ড. মিল্টন বিশ্বাস সাসপেন্ড থাকা অবস্থায় তাকে দিয়ে ক্লাস নেওয়ার রুটিন প্রকাশ করা চরম ন্যক্কারজনক ও অগ্রহণযোগ্য।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা দেখেছি জুলাই আন্দোলনের সময় কীভাবে মিল্টন বিশ্বাস শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলো। জুলাই পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা তাকে বয়কট করছিল। তবে হঠাৎ বিভাগের কিছু শিক্ষকদের ও প্রশাসনের সহায়তায় তিনি অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসন অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে ব্যবস্থা না নিলে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।’
জানতে চাইলে বাংলা বিভাগের কোর্স বণ্টন ও রুটিন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহী চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কমিটির উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমেই তাকে ক্লাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রুটিনে ড. মিল্টন বিশ্বাসের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোজাহারুল আলম সেলিম প্রথমে দাবি করেন, ড. মিল্টন বিশ্বাস কোনো ক্লাস নিচ্ছেন না।
তবে পরে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘ড. মিল্টন বিশ্বাস নিজেই ক্লাস নেওয়ার আবেদন করেছিলেন এবং অ্যাকাডেমিক কমিটির সভায় তাকে একটি অনলাইন ক্লাস নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত কোনো সাসপেন্ড আদেশ না আসায় তাকে রুটিন থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।’
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডীন ড. আরজুমন্দ আরা বানু সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এমন কারোর ক্লাস নেওয়ার সুযোগ নেই। যদি তিনি (ড. মিল্টন বিশ্বাস) ক্লাস নিয়ে থাকেন, তবে সেটা কীভাবে নিলেন–তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই ভালো বলতে পারবেন। বিষয়টি নিয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।’
এ বিষয়ে জানতে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘বিতর্কিত’ অধ্যাপক ও জুলাই হত্যা মামলার আসামি ড. মিল্টন বিশ্বাসকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি তাকে পুনরায় ক্লাস রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করে বাংলা বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটি। এমন ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ জানা যায়, অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস জবির আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জয় বাংলা শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক। তার বিরুদ্ধে চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় মামলা রয়েছে। জবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা ও অনিক কুমার দাসের দায়ের করা এসব মামলার অন্যতম আসামি তিনি।
এছাড়া, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজপথে থাকা শিক্ষার্থীদের ‘জঙ্গি’ ও ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এদিকে, গত বুধবার বাংলা বিভাগের কোর্স বণ্টন ও রুটিন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহী চৌধুরী স্বাক্ষরিত ক্লাস রুটিনে দেখা যায়, ‘বাংলা কবিতা-৫’ (কোর্স কোড-৩২০৬) কোর্সটি ড. মিল্টন বিশ্বাসের নামে বরাদ্দ করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠে।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জবি ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসর ড. মিল্টন বিশ্বাস সাসপেন্ড থাকা অবস্থায় তাকে দিয়ে ক্লাস নেওয়ার রুটিন প্রকাশ করা চরম ন্যক্কারজনক ও অগ্রহণযোগ্য।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা দেখেছি জুলাই আন্দোলনের সময় কীভাবে মিল্টন বিশ্বাস শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলো। জুলাই পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা তাকে বয়কট করছিল। তবে হঠাৎ বিভাগের কিছু শিক্ষকদের ও প্রশাসনের সহায়তায় তিনি অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসন অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে ব্যবস্থা না নিলে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।’
জানতে চাইলে বাংলা বিভাগের কোর্স বণ্টন ও রুটিন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহী চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কমিটির উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমেই তাকে ক্লাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রুটিনে ড. মিল্টন বিশ্বাসের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোজাহারুল আলম সেলিম প্রথমে দাবি করেন, ড. মিল্টন বিশ্বাস কোনো ক্লাস নিচ্ছেন না।
তবে পরে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘ড. মিল্টন বিশ্বাস নিজেই ক্লাস নেওয়ার আবেদন করেছিলেন এবং অ্যাকাডেমিক কমিটির সভায় তাকে একটি অনলাইন ক্লাস নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত কোনো সাসপেন্ড আদেশ না আসায় তাকে রুটিন থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।’
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডীন ড. আরজুমন্দ আরা বানু সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এমন কারোর ক্লাস নেওয়ার সুযোগ নেই। যদি তিনি (ড. মিল্টন বিশ্বাস) ক্লাস নিয়ে থাকেন, তবে সেটা কীভাবে নিলেন–তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই ভালো বলতে পারবেন। বিষয়টি নিয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।’
এ বিষয়ে জানতে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

হত্যা মামলার আসামি জবি শিক্ষককে পুনর্বাসনের উদ্যোগ, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা
জবি প্রতিনিধি

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘বিতর্কিত’ অধ্যাপক ও জুলাই হত্যা মামলার আসামি ড. মিল্টন বিশ্বাসকে পুনর্বাসনের উদ্যোগ কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি তাকে পুনরায় ক্লাস রুটিনে অন্তর্ভুক্ত করে বাংলা বিভাগের অ্যাকাডেমিক কমিটি। এমন ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন শিক্ষার্থীরা।
খোঁজ জানা যায়, অধ্যাপক ড. মিল্টন বিশ্বাস জবির আওয়ামীপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন জয় বাংলা শিক্ষক সমাজের আহ্বায়ক। তার বিরুদ্ধে চব্বিশের ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হামলার ঘটনায় মামলা রয়েছে। জবি ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা ও অনিক কুমার দাসের দায়ের করা এসব মামলার অন্যতম আসামি তিনি।
এছাড়া, জুলাই আন্দোলনের সময় রাজপথে থাকা শিক্ষার্থীদের ‘জঙ্গি’ ও ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে তাদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
এদিকে, গত বুধবার বাংলা বিভাগের কোর্স বণ্টন ও রুটিন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহী চৌধুরী স্বাক্ষরিত ক্লাস রুটিনে দেখা যায়, ‘বাংলা কবিতা-৫’ (কোর্স কোড-৩২০৬) কোর্সটি ড. মিল্টন বিশ্বাসের নামে বরাদ্দ করা হয়েছে। এরপরই বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসজুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠে।
এ বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে জবি ছাত্রশক্তির আহ্বায়ক ফয়সাল মুরাদ সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘ফ্যাসিবাদের দোসর ড. মিল্টন বিশ্বাস সাসপেন্ড থাকা অবস্থায় তাকে দিয়ে ক্লাস নেওয়ার রুটিন প্রকাশ করা চরম ন্যক্কারজনক ও অগ্রহণযোগ্য।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাংলা বিভাগের এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমরা দেখেছি জুলাই আন্দোলনের সময় কীভাবে মিল্টন বিশ্বাস শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছিলো। জুলাই পরবর্তী সময়ে শিক্ষার্থীরা তাকে বয়কট করছিল। তবে হঠাৎ বিভাগের কিছু শিক্ষকদের ও প্রশাসনের সহায়তায় তিনি অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘প্রশাসন অবিলম্বে এই সিদ্ধান্ত বাতিল করে ব্যবস্থা না নিলে রাজপথে নামতে বাধ্য হবে শিক্ষার্থীরা। পরবর্তীতে কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে তার দায় প্রশাসনকেই নিতে হবে।’
জানতে চাইলে বাংলা বিভাগের কোর্স বণ্টন ও রুটিন কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. ফজলে এলাহী চৌধুরী সিটিজেন জার্নালকে বলেন, ‘অ্যাকাডেমিক কমিটির উপস্থিত সদস্যদের সম্মতিক্রমেই তাকে ক্লাস দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী রুটিনে ড. মিল্টন বিশ্বাসের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।’
এসব বিষয়ে জানতে চাইলে বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোজাহারুল আলম সেলিম প্রথমে দাবি করেন, ড. মিল্টন বিশ্বাস কোনো ক্লাস নিচ্ছেন না।
তবে পরে তিনি বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ‘ড. মিল্টন বিশ্বাস নিজেই ক্লাস নেওয়ার আবেদন করেছিলেন এবং অ্যাকাডেমিক কমিটির সভায় তাকে একটি অনলাইন ক্লাস নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে লিখিত কোনো সাসপেন্ড আদেশ না আসায় তাকে রুটিন থেকে বাদ দেওয়া সম্ভব নয়।’
এদিকে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কলা অনুষদের ডীন ড. আরজুমন্দ আরা বানু সিটিজেন জার্নালকে বলেন, এমন কারোর ক্লাস নেওয়ার সুযোগ নেই। যদি তিনি (ড. মিল্টন বিশ্বাস) ক্লাস নিয়ে থাকেন, তবে সেটা কীভাবে নিলেন–তা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনই ভালো বলতে পারবেন। বিষয়টি নিয়ে আমাকে কিছুই জানানো হয়নি।’
এ বিষয়ে জানতে জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দীন ও প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নাসির উদ্দিনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও, তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জবির দ্বিতীয় ক্যাম্পাস প্রকল্পে নেই দৃশ্যমান অগ্রগতি, ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা


