শিরোনাম

পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ঘিরে বেরোবিতে উত্তেজনা

বেরোবি সংবাদদাতা
পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলন ঘিরে বেরোবিতে উত্তেজনা
উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করছেন প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. মো. ফেরদৌস রহমান। চবি: সংবাদদাতা

রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি) সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে পাল্টাপাল্টি সংবাদ সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার (৮ মে) দুপুর দুইটার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটকে এ ঘটনা ঘটে।

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রিফাত রাফির বিরুদ্ধে হাফিজুর রহমান সিয়ামের কলার ধরার অভিযোগ ওঠে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রিফাত রাফি।

সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেওয়া পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী হাফিজুর রহমান সিয়াম বলেন, আমরা পদত্যাগের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করছিলাম। একই সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মহোদয় এসে সকল অভিযোগ শোনেন। একপর্যায়ে আমাকে টার্গেট করা হয়। পরে আমার কলার ধরে হেনস্থা করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারের উপস্থিতিতে দিনের বেলায় যদি কোনো শিক্ষার্থীর গায়ে হাত তোলা হয়, তাহলে নিরাপত্তা কোথায়? আমি এ বিষয়ে তারেক রহমানের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

অন্যদিকে সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেওয়া অপর পক্ষের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী ইসমাইল ইসলাম বলেন, ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে আমরা সংবাদ সম্মেলনের ডাক দিয়েছিলাম। তবে আমরা সেখানে স্বাভাবিক পরিবেশ পাইনি। এর দায় প্রশাসনের। সংবাদ সম্মেলনের নামে কোনো ধরনের মব আমরা ক্যাম্পাসে হতে দেব না।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও রেজিস্ট্রার (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মো. ফেরদৌস রহমান বলেন, ইউনুস সরকারের আমলে প্রতিদিন মব হতো। এখন সেই পরিস্থিতি নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া ও গবেষণার পরিবেশ বজায় থাকবে। কেউ যদি বিশ্ববিদ্যালয়ের সুষ্ঠু পরিবেশ নষ্ট করার চেষ্টা করে, প্রশাসন তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেন হাফিজুর রহমান সিয়াম। ক্যাম্পাসকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে সাধারণ শিক্ষার্থী ব্যানারে আরেকটি পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের ডাক দেন তুহিন রানা। তবে উভয় পক্ষই ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা গেছে।

/এসআর/