জবিতে অতীত অনিয়ম তদন্তে বিচারিক কমিশন গঠনের ঘোষণা
জবি প্রতিনিধি

জবিতে অতীত অনিয়ম তদন্তে বিচারিক কমিশন গঠনের ঘোষণা
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৩২

বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদখল হলসমূহ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত এক সভায় জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত সময়ের নানা অপরাধ ও অনিয়ম অনুসন্ধানে বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন। এই কমিশনের মাধ্যমে অতীতের ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখে দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদখল হলসমূহ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করছি। এখানে বিগত সময়ে অনেকেই অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। এসব বিষয় অনুসন্ধানে একটি বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে, যা তিন মাস কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক সমিতির নির্বাচন পরিচালনার সময় ‘জবি ঐক্য’র কাছে অতীতের তথ্য চাওয়া হয়েছিল, তবে তা পাওয়া যায়নি। অতীত নিয়ে অনুসন্ধান করায় তখন নানা সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। আমি বলেছি, নির্বাচনে প্রয়োজনে হারলেও সমস্যা নেই, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধের কুশীলবদের খুঁজে বের করব। তাদের শাস্তি হবে না, এটা ভাবার সুযোগ নেই।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, হল পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান বিশ্ববিদ্যালয় করবে। সামাজিক, আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে সফলতা আসবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-কর্মকর্তা, জকসু প্রতিনিধি, ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত সময়ের নানা অপরাধ ও অনিয়ম অনুসন্ধানে বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন। এই কমিশনের মাধ্যমে অতীতের ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখে দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদখল হলসমূহ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করছি। এখানে বিগত সময়ে অনেকেই অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। এসব বিষয় অনুসন্ধানে একটি বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে, যা তিন মাস কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক সমিতির নির্বাচন পরিচালনার সময় ‘জবি ঐক্য’র কাছে অতীতের তথ্য চাওয়া হয়েছিল, তবে তা পাওয়া যায়নি। অতীত নিয়ে অনুসন্ধান করায় তখন নানা সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। আমি বলেছি, নির্বাচনে প্রয়োজনে হারলেও সমস্যা নেই, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধের কুশীলবদের খুঁজে বের করব। তাদের শাস্তি হবে না, এটা ভাবার সুযোগ নেই।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, হল পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান বিশ্ববিদ্যালয় করবে। সামাজিক, আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে সফলতা আসবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-কর্মকর্তা, জকসু প্রতিনিধি, ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।

জবিতে অতীত অনিয়ম তদন্তে বিচারিক কমিশন গঠনের ঘোষণা
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ২০: ৩২

বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদখল হলসমূহ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত এক সভায় জবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন। ছবি: সিটিজেন জার্নাল
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত সময়ের নানা অপরাধ ও অনিয়ম অনুসন্ধানে বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে বলে জানিয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদ্দিন। এই কমিশনের মাধ্যমে অতীতের ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখে দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তিনি জানান।
রবিবার (১৯ এপ্রিল) বিশ্ববিদ্যালয়ে বেদখল হলসমূহ পুনরুদ্ধার সংক্রান্ত এক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।
উপাচার্য বলেন, আমি দীর্ঘদিন ধরে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করছি। এখানে বিগত সময়ে অনেকেই অপরাধের সঙ্গে জড়িত ছিল। এসব বিষয় অনুসন্ধানে একটি বিচারিক কমিশন গঠন করা হবে, যা তিন মাস কাজ করবে।
তিনি আরও বলেন, শিক্ষক সমিতির নির্বাচন পরিচালনার সময় ‘জবি ঐক্য’র কাছে অতীতের তথ্য চাওয়া হয়েছিল, তবে তা পাওয়া যায়নি। অতীত নিয়ে অনুসন্ধান করায় তখন নানা সমালোচনার মুখোমুখি হতে হয়েছিল। আমি বলেছি, নির্বাচনে প্রয়োজনে হারলেও সমস্যা নেই, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাধের কুশীলবদের খুঁজে বের করব। তাদের শাস্তি হবে না, এটা ভাবার সুযোগ নেই।
সভায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. সাবিনা শরমীন বলেন, হল পুনরুদ্ধারে প্রয়োজনীয় অর্থের জোগান বিশ্ববিদ্যালয় করবে। সামাজিক, আইনগত ও রাজনৈতিকভাবে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া গেলে সফলতা আসবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মো. শেখ গিয়াস উদ্দিন, শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মঞ্জুর মুর্শেদ ভূঁইয়া, বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক-কর্মকর্তা, জকসু প্রতিনিধি, ছাত্র সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও গণমাধ্যমকর্মীরা।
/এসএ/




