প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদকের পদত্যাগ
জবি প্রতিনিধি

প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদকের পদত্যাগ
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ২০: ৪৮

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম। ছবি: সংগৃহীত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের নামে প্রতারণার অভিযোগ তুলে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
সোমবার (৪ মে) নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাঈম।
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আসা আমার জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনার কথা বারবার মনে পড়ে। এটি আমার জন্য দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির একটা বিচার আছে। আমি মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে আমার বিচার ছেড়ে দিলাম।’
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে নাঈম প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্যও সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তবে পরদিনই অভিযুক্তকে ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাঈম বলেন, ‘সাময়িক বহিষ্কারের পরও যদি কেউ ক্লাস-পরীক্ষা সব করতে পারে, তাহলে সেটি কেমন বহিষ্কার? এটি কি আমাদের সঙ্গে আইওয়াশ করা নয়?’
এর আগে প্রশাসনের কাছে দুই দফা দাবি জানানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। দাবিগুলো ছিল-অভিযুক্তকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং ক্রীড়া সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। দাবি আদায় না হলে আন্দোলনের কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। নাঈমের অভিযোগ, সেই কর্মসূচি ঠেকাতেই প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম পদত্যাগের বিষয়টি চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জর্জিস আনোয়ার নাঈম ভিপি বরাবর একটি আবেদন জমা দিয়েছেন, তবে সেটি এখনো গ্রহণ করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাঈম এখনো জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবেই বহাল আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পদত্যাগের চূড়ান্ত খবরটি বিভ্রান্তিকর।’
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল জবির অষ্টম ইনডোর গেমসের ক্যারাম ফাইনালকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া সম্পাদক নাঈমকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা নেলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলেও পরদিন ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদকের পদত্যাগ
জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের নামে প্রতারণার অভিযোগ তুলে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
সোমবার (৪ মে) নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাঈম।
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আসা আমার জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনার কথা বারবার মনে পড়ে। এটি আমার জন্য দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির একটা বিচার আছে। আমি মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে আমার বিচার ছেড়ে দিলাম।’
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে নাঈম প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্যও সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তবে পরদিনই অভিযুক্তকে ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাঈম বলেন, ‘সাময়িক বহিষ্কারের পরও যদি কেউ ক্লাস-পরীক্ষা সব করতে পারে, তাহলে সেটি কেমন বহিষ্কার? এটি কি আমাদের সঙ্গে আইওয়াশ করা নয়?’
এর আগে প্রশাসনের কাছে দুই দফা দাবি জানানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। দাবিগুলো ছিল-অভিযুক্তকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং ক্রীড়া সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। দাবি আদায় না হলে আন্দোলনের কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। নাঈমের অভিযোগ, সেই কর্মসূচি ঠেকাতেই প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম পদত্যাগের বিষয়টি চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জর্জিস আনোয়ার নাঈম ভিপি বরাবর একটি আবেদন জমা দিয়েছেন, তবে সেটি এখনো গ্রহণ করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাঈম এখনো জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবেই বহাল আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পদত্যাগের চূড়ান্ত খবরটি বিভ্রান্তিকর।’
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল জবির অষ্টম ইনডোর গেমসের ক্যারাম ফাইনালকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া সম্পাদক নাঈমকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা নেলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলেও পরদিন ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের নামে প্রতারণার অভিযোগ তুলে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
সোমবার (৪ মে) নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাঈম।
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আসা আমার জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনার কথা বারবার মনে পড়ে। এটি আমার জন্য দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির একটা বিচার আছে। আমি মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে আমার বিচার ছেড়ে দিলাম।’
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে নাঈম প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্যও সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তবে পরদিনই অভিযুক্তকে ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাঈম বলেন, ‘সাময়িক বহিষ্কারের পরও যদি কেউ ক্লাস-পরীক্ষা সব করতে পারে, তাহলে সেটি কেমন বহিষ্কার? এটি কি আমাদের সঙ্গে আইওয়াশ করা নয়?’
এর আগে প্রশাসনের কাছে দুই দফা দাবি জানানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। দাবিগুলো ছিল-অভিযুক্তকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং ক্রীড়া সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। দাবি আদায় না হলে আন্দোলনের কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। নাঈমের অভিযোগ, সেই কর্মসূচি ঠেকাতেই প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম পদত্যাগের বিষয়টি চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জর্জিস আনোয়ার নাঈম ভিপি বরাবর একটি আবেদন জমা দিয়েছেন, তবে সেটি এখনো গ্রহণ করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাঈম এখনো জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবেই বহাল আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পদত্যাগের চূড়ান্ত খবরটি বিভ্রান্তিকর।’
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল জবির অষ্টম ইনডোর গেমসের ক্যারাম ফাইনালকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া সম্পাদক নাঈমকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা নেলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলেও পরদিন ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদকের পদত্যাগ
জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের নামে প্রতারণার অভিযোগ তুলে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
সোমবার (৪ মে) নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাঈম।
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আসা আমার জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনার কথা বারবার মনে পড়ে। এটি আমার জন্য দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির একটা বিচার আছে। আমি মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে আমার বিচার ছেড়ে দিলাম।’
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে নাঈম প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্যও সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তবে পরদিনই অভিযুক্তকে ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাঈম বলেন, ‘সাময়িক বহিষ্কারের পরও যদি কেউ ক্লাস-পরীক্ষা সব করতে পারে, তাহলে সেটি কেমন বহিষ্কার? এটি কি আমাদের সঙ্গে আইওয়াশ করা নয়?’
এর আগে প্রশাসনের কাছে দুই দফা দাবি জানানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। দাবিগুলো ছিল-অভিযুক্তকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং ক্রীড়া সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। দাবি আদায় না হলে আন্দোলনের কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। নাঈমের অভিযোগ, সেই কর্মসূচি ঠেকাতেই প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম পদত্যাগের বিষয়টি চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জর্জিস আনোয়ার নাঈম ভিপি বরাবর একটি আবেদন জমা দিয়েছেন, তবে সেটি এখনো গ্রহণ করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাঈম এখনো জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবেই বহাল আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পদত্যাগের চূড়ান্ত খবরটি বিভ্রান্তিকর।’
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল জবির অষ্টম ইনডোর গেমসের ক্যারাম ফাইনালকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া সম্পাদক নাঈমকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা নেলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলেও পরদিন ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।

প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদকের পদত্যাগ
জবি প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ২০: ৪৮

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম। ছবি: সংগৃহীত
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের নামে প্রতারণার অভিযোগ তুলে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
সোমবার (৪ মে) নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাঈম।
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আসা আমার জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনার কথা বারবার মনে পড়ে। এটি আমার জন্য দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির একটা বিচার আছে। আমি মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে আমার বিচার ছেড়ে দিলাম।’
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে নাঈম প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্যও সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তবে পরদিনই অভিযুক্তকে ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাঈম বলেন, ‘সাময়িক বহিষ্কারের পরও যদি কেউ ক্লাস-পরীক্ষা সব করতে পারে, তাহলে সেটি কেমন বহিষ্কার? এটি কি আমাদের সঙ্গে আইওয়াশ করা নয়?’
এর আগে প্রশাসনের কাছে দুই দফা দাবি জানানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। দাবিগুলো ছিল-অভিযুক্তকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং ক্রীড়া সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। দাবি আদায় না হলে আন্দোলনের কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। নাঈমের অভিযোগ, সেই কর্মসূচি ঠেকাতেই প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম পদত্যাগের বিষয়টি চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জর্জিস আনোয়ার নাঈম ভিপি বরাবর একটি আবেদন জমা দিয়েছেন, তবে সেটি এখনো গ্রহণ করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাঈম এখনো জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবেই বহাল আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পদত্যাগের চূড়ান্ত খবরটি বিভ্রান্তিকর।’
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল জবির অষ্টম ইনডোর গেমসের ক্যারাম ফাইনালকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া সম্পাদক নাঈমকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা নেলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলেও পরদিন ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তুলে জকসুর ক্রীড়া সম্পাদকের পদত্যাগ
জবি প্রতিনিধি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (জকসু)-এর ক্রীড়া সম্পাদক জর্জিস আনোয়ার নাঈম পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের বিরুদ্ধে সাময়িক বহিষ্কারের নামে প্রতারণার অভিযোগ তুলে তিনি এ সিদ্ধান্ত নেন।
সোমবার (৪ মে) নিজের পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন নাঈম।
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে আসা আমার জন্য কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। ওই ঘটনার কথা বারবার মনে পড়ে। এটি আমার জন্য দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। প্রকৃতির একটা বিচার আছে। আমি মহান আল্লাহ তা’আলার কাছে আমার বিচার ছেড়ে দিলাম।’
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে নাঈম প্রশাসনের দ্বিচারিতার অভিযোগ তোলেন। তিনি জানান, তাদের দাবির প্রেক্ষিতে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীকে সাময়িক বহিষ্কার ও একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। উপাচার্যও সংবাদ সম্মেলনে এ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন। তবে পরদিনই অভিযুক্তকে ভাইভা পরীক্ষায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে নাঈম বলেন, ‘সাময়িক বহিষ্কারের পরও যদি কেউ ক্লাস-পরীক্ষা সব করতে পারে, তাহলে সেটি কেমন বহিষ্কার? এটি কি আমাদের সঙ্গে আইওয়াশ করা নয়?’
এর আগে প্রশাসনের কাছে দুই দফা দাবি জানানো হয়েছিল বলে জানান তিনি। দাবিগুলো ছিল-অভিযুক্তকে স্থায়ী বহিষ্কার এবং ক্রীড়া সম্পাদকের বিরুদ্ধে আনা স্বজনপ্রীতির অভিযোগ প্রমাণ করতে না পারলে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাওয়া। দাবি আদায় না হলে আন্দোলনের কর্মসূচির হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়েছিল। নাঈমের অভিযোগ, সেই কর্মসূচি ঠেকাতেই প্রশাসন এমন সিদ্ধান্ত নেয়।
তবে জকসুর ভিপি রিয়াজুল ইসলাম পদত্যাগের বিষয়টি চূড়ান্ত নয় বলে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জর্জিস আনোয়ার নাঈম ভিপি বরাবর একটি আবেদন জমা দিয়েছেন, তবে সেটি এখনো গ্রহণ করা হয়নি।’
তিনি আরও বলেন, ‘নাঈম এখনো জকসুর ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবেই বহাল আছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো পদত্যাগের চূড়ান্ত খবরটি বিভ্রান্তিকর।’
উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল জবির অষ্টম ইনডোর গেমসের ক্যারাম ফাইনালকে কেন্দ্র করে ক্রীড়া সম্পাদক নাঈমকে চড় মারার অভিযোগ ওঠে শিক্ষার্থী সাদিয়া সুলতানা নেলীর বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় তাকে সাময়িক বহিষ্কার করা হলেও পরদিন ভাইভা পরীক্ষায় অংশ নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়, যা নিয়ে নতুন করে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে।
/এমআর/




