বন্ধ কারখানা চালু করতে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

বন্ধ কারখানা চালু করতে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ২০: ০৩

কোলাজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিল গঠনের ঘোষণা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে ।
সূত্র জানায়, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও কারখানাগুলোর মধ্যে যারা ঋণ পরিশোধে ইচ্ছুক, তারা এই তহবিল থেকে স্বল্প সুদে কার্যকরী মূলধন ঋণ নিতে পারবে। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদী ঋণ নেওয়ারও সুযোগ রয়েছে। এই ঋণের সুদের হার ১৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে এবং এর সঙ্গে ৫ শতাংশ হারে ভর্তুকি থাকতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিল গঠনের ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (১ মে) মে দিবসে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তহবিল গঠনের আগে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালার খসড়া তৈরির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহমেদের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলোকে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর তালিকা এবং তাদের ঋণের অবস্থা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি জানান, শুধুমাত্র ১০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ থাকা কারখানাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, এবং সম্পূর্ণ বন্ধ ও আংশিকভাবে বন্ধ কারখানাগুলোর জন্য আলাদা তালিকা চাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আরও জানা যায়, শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে অর্থায়নের বিষয়ে মোটাদাগে ৩টি পরামর্শ পাওয়া গেছে। এগুলো হচ্ছে-ঋণ প্রদান নিয়মিত করে কারখানা সচলের জন্য ডাউন পেমেন্টের শর্ত শিথিল করা, কারখানা চালুর সঙ্গে সঙ্গে তহবিল সহায়তা, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান, প্রয়োজনে কম মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগ দেওয়া। কারখানা বন্ধ হওয়ার আগে গ্রাহকের আচরণের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো এ সুবিধা দিতে পারবে।

দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিল গঠনের ঘোষণা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে ।
সূত্র জানায়, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও কারখানাগুলোর মধ্যে যারা ঋণ পরিশোধে ইচ্ছুক, তারা এই তহবিল থেকে স্বল্প সুদে কার্যকরী মূলধন ঋণ নিতে পারবে। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদী ঋণ নেওয়ারও সুযোগ রয়েছে। এই ঋণের সুদের হার ১৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে এবং এর সঙ্গে ৫ শতাংশ হারে ভর্তুকি থাকতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিল গঠনের ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (১ মে) মে দিবসে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তহবিল গঠনের আগে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালার খসড়া তৈরির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহমেদের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলোকে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর তালিকা এবং তাদের ঋণের অবস্থা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি জানান, শুধুমাত্র ১০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ থাকা কারখানাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, এবং সম্পূর্ণ বন্ধ ও আংশিকভাবে বন্ধ কারখানাগুলোর জন্য আলাদা তালিকা চাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আরও জানা যায়, শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে অর্থায়নের বিষয়ে মোটাদাগে ৩টি পরামর্শ পাওয়া গেছে। এগুলো হচ্ছে-ঋণ প্রদান নিয়মিত করে কারখানা সচলের জন্য ডাউন পেমেন্টের শর্ত শিথিল করা, কারখানা চালুর সঙ্গে সঙ্গে তহবিল সহায়তা, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান, প্রয়োজনে কম মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগ দেওয়া। কারখানা বন্ধ হওয়ার আগে গ্রাহকের আচরণের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো এ সুবিধা দিতে পারবে।

বন্ধ কারখানা চালু করতে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ২০: ০৩

কোলাজ: সিটিজেন গ্রাফিক্স
দেশের বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প-কারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে অর্থায়ন করবে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ লক্ষ্যে ১৫ থেকে ২০ হাজার কোটি টাকার একটি তহবিল চালুর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। চলতি সপ্তাহেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিল গঠনের ঘোষণা দিতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে ।
সূত্র জানায়, বন্ধ হয়ে যাওয়া শিল্প ও কারখানাগুলোর মধ্যে যারা ঋণ পরিশোধে ইচ্ছুক, তারা এই তহবিল থেকে স্বল্প সুদে কার্যকরী মূলধন ঋণ নিতে পারবে। এছাড়া কিছু ক্ষেত্রে, প্রতিষ্ঠানগুলোর মেয়াদী ঋণ নেওয়ারও সুযোগ রয়েছে। এই ঋণের সুদের হার ১৩ শতাংশ নির্ধারণ করা হতে পারে এবং এর সঙ্গে ৫ শতাংশ হারে ভর্তুকি থাকতে পারে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চলতি সপ্তাহের শেষের দিকে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরুজ্জীবিত করার জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে এই তহবিল গঠনের ঘোষণা দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।
এর আগে, গত শুক্রবার (১ মে) মে দিবসে জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দল আয়োজিত এক সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলো পুনরায় চালু করে শ্রমিকদের অধিকার নিশ্চিত করতে এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
তহবিল গঠনের আগে একটি পূর্ণাঙ্গ নীতিমালার খসড়া তৈরির জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর মো. কবির আহমেদের নেতৃত্বাধীন একটি কমিটি কাজ শুরু করেছে বলে জানা গেছে। এছাড়া ইতোমধ্যে ব্যাংকগুলোকে বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানাগুলোর তালিকা এবং তাদের ঋণের অবস্থা সম্পর্কে হালনাগাদ তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান।
তিনি জানান, শুধুমাত্র ১০০ কোটি টাকার বেশি ঋণ থাকা কারখানাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, এবং সম্পূর্ণ বন্ধ ও আংশিকভাবে বন্ধ কারখানাগুলোর জন্য আলাদা তালিকা চাওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে আরও জানা যায়, শিল্পকারখানাগুলো পুনরায় চালু করতে অর্থায়নের বিষয়ে মোটাদাগে ৩টি পরামর্শ পাওয়া গেছে। এগুলো হচ্ছে-ঋণ প্রদান নিয়মিত করে কারখানা সচলের জন্য ডাউন পেমেন্টের শর্ত শিথিল করা, কারখানা চালুর সঙ্গে সঙ্গে তহবিল সহায়তা, আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমের জন্য ব্যাংকিং সুবিধা প্রদান, প্রয়োজনে কম মার্জিনে এলসি খোলার সুযোগ দেওয়া। কারখানা বন্ধ হওয়ার আগে গ্রাহকের আচরণের ভিত্তিতে ব্যাংকগুলো এ সুবিধা দিতে পারবে।
/এমআর/




