
৩৪৬টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অভ্যন্তরীণ কোন্দলকে কেন্দ্র করে ৯৫টি ঘটনায় ৫৯৯ জন আহত এবং ৮ জন নিহত হন। বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষে ১৯১টি ঘটনায় ৯৯৮ জন আহত ও ১ জন নিহত হন। এছাড়া বিএনপি-আওয়ামী লীগ সংঘর্ষে ৯টি ঘটনায় ২৭ জন আহত এবং ১ জন নিহত হন।

নির্বাচন-পরবর্তী দুই দিনে ৩০টি জেলায় সহিংসতার ঘটনা ঘটে। সহিংসতায় মুন্সিগঞ্জ ও বাগেরহাটে দুই যুবক নিহত হন।

নির্বাচনী প্রচারের শেষ সপ্তাহেও সহিংসতার ঘটনা ঘটছে। তফসিল ঘোষণার পর অন্তত ২৫টি জেলা এবং তিনটি মহানগরে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

এ বিষয়ে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর বলেন, ‘এটি হাসান মামুনের সাজানো নাটক। তার লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের নেতা-কর্মীদের ধাওয়া করেছে।’