প্যানিক অ্যাটাক হলে যা করবেন

প্যানিক অ্যাটাক হলে যা করবেন
সিটিজেন ডেস্ক

প্যানিক অ্যাটাক হচ্ছে ভয় ও উদ্বেগের অনুভূতি যা আকস্মিক আমাদের হতবিহ্বল করে দিতে পারে। এর সঙ্গে হালকা মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো তীব্র শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক শিশু বা প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ আতঙ্কিত অনুভব করে, যেমন সে মনে করতে পারে খুব খারাপ কিছু ঘটতে চলেছে। এমনকি যখন কোনো বিপদ থাকে না, তখনও এই অনুভূতি হতে পারে।
প্যানিক অ্যাটাকের কারণ
শিশু বা বড়দের মাঝে প্যানিক অ্যাটাকের কারণ কী তা সবসময় স্পষ্ট নয়। আমরা যা জানি তা হলো কোন কিছু নিয়ে উদ্বিগ্ন বোধ করা অথবা কঠিন বা মানসিক চাপযুক্ত কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া প্যানিক অ্যাটাকের কারণ হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবারে কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে উদ্বেগ,পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা,বন্ধুত্ব বা সম্পর্কের মতো বিষয় নিয়ে মানসিক যন্ত্রণা,কাছের মানুষ বা আপন কারো মৃত্যু ,নির্যাতন বা অবহেলার মতো ভীতিকর কোনো অভিজ্ঞতা ,কোন সহিংস অভিজ্ঞতা যা বারবার মনে পরে এবং ইত্যাদি ।

কখন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে
অতিরিক্ত প্যানিক অ্যাটাকের ক্ষেত্রে শিশু বা প্রাপ্ত বয়স্ক অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পেয়ে থাকে। আপনার সন্তানের বা কাছের কোন ব্যক্তির মাঝে প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে, দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়ার সময় এসেছে। প্রথমে তাদের পারিবারিক চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ দিয়ে মূল্যায়ন করা উচিত। যদি উপসর্গের কারণ হিসেবে অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতা পাওয়া না যায়, তাহলে তাদের মূল্যায়নের জন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো যেতে পারে।
চিকিৎসার মাধ্যমে প্যানিক অ্যাটাক থামানো বা এর ক্ষতিকর দিকগুলো কমানো যেতে পারে।প্রাথমিক অবস্থাতেই চিকিৎসা দেওয়া হলে, তা গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

প্যানিক অ্যাটাক হচ্ছে ভয় ও উদ্বেগের অনুভূতি যা আকস্মিক আমাদের হতবিহ্বল করে দিতে পারে। এর সঙ্গে হালকা মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো তীব্র শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক শিশু বা প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ আতঙ্কিত অনুভব করে, যেমন সে মনে করতে পারে খুব খারাপ কিছু ঘটতে চলেছে। এমনকি যখন কোনো বিপদ থাকে না, তখনও এই অনুভূতি হতে পারে।
প্যানিক অ্যাটাকের কারণ
শিশু বা বড়দের মাঝে প্যানিক অ্যাটাকের কারণ কী তা সবসময় স্পষ্ট নয়। আমরা যা জানি তা হলো কোন কিছু নিয়ে উদ্বিগ্ন বোধ করা অথবা কঠিন বা মানসিক চাপযুক্ত কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া প্যানিক অ্যাটাকের কারণ হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবারে কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে উদ্বেগ,পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা,বন্ধুত্ব বা সম্পর্কের মতো বিষয় নিয়ে মানসিক যন্ত্রণা,কাছের মানুষ বা আপন কারো মৃত্যু ,নির্যাতন বা অবহেলার মতো ভীতিকর কোনো অভিজ্ঞতা ,কোন সহিংস অভিজ্ঞতা যা বারবার মনে পরে এবং ইত্যাদি ।

কখন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে
অতিরিক্ত প্যানিক অ্যাটাকের ক্ষেত্রে শিশু বা প্রাপ্ত বয়স্ক অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পেয়ে থাকে। আপনার সন্তানের বা কাছের কোন ব্যক্তির মাঝে প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে, দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়ার সময় এসেছে। প্রথমে তাদের পারিবারিক চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ দিয়ে মূল্যায়ন করা উচিত। যদি উপসর্গের কারণ হিসেবে অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতা পাওয়া না যায়, তাহলে তাদের মূল্যায়নের জন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো যেতে পারে।
চিকিৎসার মাধ্যমে প্যানিক অ্যাটাক থামানো বা এর ক্ষতিকর দিকগুলো কমানো যেতে পারে।প্রাথমিক অবস্থাতেই চিকিৎসা দেওয়া হলে, তা গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।

প্যানিক অ্যাটাক হলে যা করবেন
সিটিজেন ডেস্ক

প্যানিক অ্যাটাক হচ্ছে ভয় ও উদ্বেগের অনুভূতি যা আকস্মিক আমাদের হতবিহ্বল করে দিতে পারে। এর সঙ্গে হালকা মাথাব্যথা, শ্বাসকষ্ট ও হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়ার মতো তীব্র শারীরিক উপসর্গ দেখা দেয়।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে অনেক শিশু বা প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষ আতঙ্কিত অনুভব করে, যেমন সে মনে করতে পারে খুব খারাপ কিছু ঘটতে চলেছে। এমনকি যখন কোনো বিপদ থাকে না, তখনও এই অনুভূতি হতে পারে।
প্যানিক অ্যাটাকের কারণ
শিশু বা বড়দের মাঝে প্যানিক অ্যাটাকের কারণ কী তা সবসময় স্পষ্ট নয়। আমরা যা জানি তা হলো কোন কিছু নিয়ে উদ্বিগ্ন বোধ করা অথবা কঠিন বা মানসিক চাপযুক্ত কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন হওয়া প্যানিক অ্যাটাকের কারণ হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে পরিবারে কোনো তিক্ত অভিজ্ঞতার কারণে উদ্বেগ,পরীক্ষা নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা,বন্ধুত্ব বা সম্পর্কের মতো বিষয় নিয়ে মানসিক যন্ত্রণা,কাছের মানুষ বা আপন কারো মৃত্যু ,নির্যাতন বা অবহেলার মতো ভীতিকর কোনো অভিজ্ঞতা ,কোন সহিংস অভিজ্ঞতা যা বারবার মনে পরে এবং ইত্যাদি ।

কখন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে
অতিরিক্ত প্যানিক অ্যাটাকের ক্ষেত্রে শিশু বা প্রাপ্ত বয়স্ক অনেকেই ঘর থেকে বের হতে ভয় পেয়ে থাকে। আপনার সন্তানের বা কাছের কোন ব্যক্তির মাঝে প্যানিক অ্যাটাকের লক্ষণগুলো দেখা দিলে বুঝতে হবে, দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়ার সময় এসেছে। প্রথমে তাদের পারিবারিক চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞ দিয়ে মূল্যায়ন করা উচিত। যদি উপসর্গের কারণ হিসেবে অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতা পাওয়া না যায়, তাহলে তাদের মূল্যায়নের জন্য একজন মনোরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে পাঠানো যেতে পারে।
চিকিৎসার মাধ্যমে প্যানিক অ্যাটাক থামানো বা এর ক্ষতিকর দিকগুলো কমানো যেতে পারে।প্রাথমিক অবস্থাতেই চিকিৎসা দেওয়া হলে, তা গুরুতর জটিলতা প্রতিরোধে সহায়ক হতে পারে।




