নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের বিক্ষোভ

নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের বিক্ষোভ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি যৌন সহিংসতা, নির্যাতন ও নৃশংস আচরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি মোমেনা শাহনূর।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা, আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন শান্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক কানিজ ফাতেমা টগরসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সময়ের সঙ্গে সহিংসতার ধরন বদলাচ্ছে। তাই প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। তারা গণমাধ্যমে নারীর প্রতি অবমাননাকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার বন্ধের দাবি জানান। একইসঙ্গে সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর জোর দেন বক্তারা।
ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় রাষ্ট্র, পরিবার ও সমাজের সংবেদনশীলতা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। দেশে সংঘটিত সহিংসতার মাত্র ৩ শতাংশ ঘটনার বিচার হয়, বাকি ৯৭ শতাংশই বিচারের বাইরে থেকে যায়। দীর্ঘদিনের বিচারহীনতা, মব সন্ত্রাস ও প্রতিহিংসার রাজনীতি সমাজকে অমানবিক করে তুলছে।
লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মাত্র ৩ মাসে ৫৫৬ জন নারী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় কোমলমতি শিশু ও তরুণীরা বর্বর যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ভয়াবহতা বিবেচনায় সারা দেশের ৫৭টি জেলা শাখায় একযোগে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে মোমেনা শাহনূর বলেন, কন্যাশিশুরা কোথাও নিরাপদ নয়। আমরা নীরব থাকলে কখনও এই বিচারহীনতা শেষ হবে না। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্য শেষে প্রস্তাব পাঠ করেন ঢাকা মহানগরের সদস্য ও শাহজাহানপুর পাড়া শাখার লিগ্যাল এইড সম্পাদক কাজী দ্রাকসিন্দ্রা জবীন টুইসি।
প্রস্তাবে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে ‘শূন্য সহিংসতা নীতি’ গ্রহণ, দ্রুত বিচার নিশ্চিত, ধর্ষকের সঙ্গে ভুক্তভোগীর বিয়ে ও সালিশি মীমাংসা বন্ধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটি গঠন এবং গণপরিবহন ও গণপরিসরে নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া পাঠ্যসূচিতে জেন্ডার ধারণা অন্তর্ভুক্ত করা, সাইবার সহিংসতার শিকার নারী ও কন্যাদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং নারী নির্যাতনকারীদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটির নেত্রীবৃন্দ, বিভিন্ন শাখার সদস্য, সাংবাদিকসহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি যৌন সহিংসতা, নির্যাতন ও নৃশংস আচরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি মোমেনা শাহনূর।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা, আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন শান্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক কানিজ ফাতেমা টগরসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সময়ের সঙ্গে সহিংসতার ধরন বদলাচ্ছে। তাই প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। তারা গণমাধ্যমে নারীর প্রতি অবমাননাকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার বন্ধের দাবি জানান। একইসঙ্গে সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর জোর দেন বক্তারা।
ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় রাষ্ট্র, পরিবার ও সমাজের সংবেদনশীলতা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। দেশে সংঘটিত সহিংসতার মাত্র ৩ শতাংশ ঘটনার বিচার হয়, বাকি ৯৭ শতাংশই বিচারের বাইরে থেকে যায়। দীর্ঘদিনের বিচারহীনতা, মব সন্ত্রাস ও প্রতিহিংসার রাজনীতি সমাজকে অমানবিক করে তুলছে।
লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মাত্র ৩ মাসে ৫৫৬ জন নারী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় কোমলমতি শিশু ও তরুণীরা বর্বর যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ভয়াবহতা বিবেচনায় সারা দেশের ৫৭টি জেলা শাখায় একযোগে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে মোমেনা শাহনূর বলেন, কন্যাশিশুরা কোথাও নিরাপদ নয়। আমরা নীরব থাকলে কখনও এই বিচারহীনতা শেষ হবে না। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্য শেষে প্রস্তাব পাঠ করেন ঢাকা মহানগরের সদস্য ও শাহজাহানপুর পাড়া শাখার লিগ্যাল এইড সম্পাদক কাজী দ্রাকসিন্দ্রা জবীন টুইসি।
প্রস্তাবে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে ‘শূন্য সহিংসতা নীতি’ গ্রহণ, দ্রুত বিচার নিশ্চিত, ধর্ষকের সঙ্গে ভুক্তভোগীর বিয়ে ও সালিশি মীমাংসা বন্ধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটি গঠন এবং গণপরিবহন ও গণপরিসরে নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া পাঠ্যসূচিতে জেন্ডার ধারণা অন্তর্ভুক্ত করা, সাইবার সহিংসতার শিকার নারী ও কন্যাদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং নারী নির্যাতনকারীদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটির নেত্রীবৃন্দ, বিভিন্ন শাখার সদস্য, সাংবাদিকসহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার প্রতিবাদে মহিলা পরিষদের বিক্ষোভ
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি যৌন সহিংসতা, নির্যাতন ও নৃশংস আচরণের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ।
মঙ্গলবার (১৯ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের ঢাকা মহানগর কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত এ প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন মহানগর কমিটির সহ-সভাপতি মোমেনা শাহনূর।
বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি ডা. ফওজিয়া মোসলেম, লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা, আন্দোলন সম্পাদক রাবেয়া খাতুন শান্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক কানিজ ফাতেমা টগরসহ কেন্দ্রীয় ও মহানগর নেতৃবৃন্দ।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, সময়ের সঙ্গে সহিংসতার ধরন বদলাচ্ছে। তাই প্রতিরোধ ও প্রতিকারের পদ্ধতিতেও পরিবর্তন আনতে হবে। তারা গণমাধ্যমে নারীর প্রতি অবমাননাকর ও বিদ্বেষমূলক বক্তব্য প্রচার বন্ধের দাবি জানান। একইসঙ্গে সাইবার সহিংসতা প্রতিরোধে বিদ্যমান আইনের যথাযথ প্রয়োগের ওপর জোর দেন বক্তারা।
ডা. ফওজিয়া মোসলেম বলেন, নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতার ঘটনায় রাষ্ট্র, পরিবার ও সমাজের সংবেদনশীলতা ক্রমেই কমে যাচ্ছে। দেশে সংঘটিত সহিংসতার মাত্র ৩ শতাংশ ঘটনার বিচার হয়, বাকি ৯৭ শতাংশই বিচারের বাইরে থেকে যায়। দীর্ঘদিনের বিচারহীনতা, মব সন্ত্রাস ও প্রতিহিংসার রাজনীতি সমাজকে অমানবিক করে তুলছে।
লিগ্যাল এইড সম্পাদক রেখা সাহা বলেন, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত মাত্র ৩ মাসে ৫৫৬ জন নারী সহিংসতার শিকার হয়েছেন। স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় ও মাদ্রাসায় কোমলমতি শিশু ও তরুণীরা বর্বর যৌন সহিংসতার শিকার হচ্ছে। নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার ভয়াবহতা বিবেচনায় সারা দেশের ৫৭টি জেলা শাখায় একযোগে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
সভাপতির বক্তব্যে মোমেনা শাহনূর বলেন, কন্যাশিশুরা কোথাও নিরাপদ নয়। আমরা নীরব থাকলে কখনও এই বিচারহীনতা শেষ হবে না। নারী ও শিশুর নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানান তিনি।
বক্তব্য শেষে প্রস্তাব পাঠ করেন ঢাকা মহানগরের সদস্য ও শাহজাহানপুর পাড়া শাখার লিগ্যাল এইড সম্পাদক কাজী দ্রাকসিন্দ্রা জবীন টুইসি।
প্রস্তাবে নারী ও কন্যাশিশুর প্রতি সহিংসতা বন্ধে ‘শূন্য সহিংসতা নীতি’ গ্রহণ, দ্রুত বিচার নিশ্চিত, ধর্ষকের সঙ্গে ভুক্তভোগীর বিয়ে ও সালিশি মীমাংসা বন্ধ, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যৌন নিপীড়ন প্রতিরোধ কমিটি গঠন এবং গণপরিবহন ও গণপরিসরে নারীদের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার দাবি জানানো হয়।
এ ছাড়া পাঠ্যসূচিতে জেন্ডার ধারণা অন্তর্ভুক্ত করা, সাইবার সহিংসতার শিকার নারী ও কন্যাদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং নারী নির্যাতনকারীদের রাজনৈতিক, সামাজিক ও প্রশাসনিক আশ্রয়-প্রশ্রয় বন্ধের আহ্বান জানানো হয়।
সমাবেশে বাংলাদেশ মহিলা পরিষদের কেন্দ্রীয় ও মহানগর কমিটির নেত্রীবৃন্দ, বিভিন্ন শাখার সদস্য, সাংবাদিকসহ প্রায় শতাধিক ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।

নারী উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দেওয়ার আহ্বান ডা. জুবাইদার

