জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ আজ
জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ জোটের বিক্ষোভ সমাবেশ আজ
গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।


সংবিধান সংশোধনের কোন বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম মনি।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, জাতিকে দুর্যোগে টেনে এনেছে বিএনপি। এর দায়ভার ও পরিণতি বিএনপিকেই ভোগ করতে হবে।

গণভোটের ফলাফল মেনে নিয়ে দ্রুত সংবিধান সংস্কার সভার (কনস্টিটিউশনাল রিফর্ম অ্যাসেম্বলি) অধিবেশন ডাকার আহ্বান জানান সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোহাম্মদ শিশির মনির।

দেশ বর্তমানে ভয়াবহ সংকটের মুখে। আন্তর্জাতিকভাবে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে যা ঘটছে, তা ভয়াবহ পরিস্থিতির দিকে নিয়ে যাচ্ছে বলে সতর্ক করেছেন সুশাসনের জন্য নাগরিকের (সুজন) সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার।
গণভোটের ফল অনুযায়ী সংবিধান সংস্কারের দাবিতে শনিবার (৪ এপ্রিল) বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করবে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট।

সংবিধান সংস্কারের দাবিতে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আন্দোলনে নামার ঘোষণা দিয়েছেন সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

জাতীয় সংসদের প্রধান দায়িত্ব ফ্যাসিবাদের মূল উৎপাটন করা বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান।

নির্ধারিত কার্যসূচির বাইরে এবং সংসদীয় রীতির ব্যত্যয় ঘটিয়ে বক্তব্য দিতে শুরু করায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ও সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানকে থামিয়ে দিয়েছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ।

গণভোটের রায় হিসেবে সংবিধানে ধারণ করতে হলে আগে সংবিধান সংশোধনী হতে হবে। সেটা সংসদে আলাপ আলোচনা হবে।

সংবিধান সংস্কার পরিষদ নিয়ে আলোচনা ও সিদ্ধান্ত– সবই জাতীয় সংসদে আলোচনার মাধ্যমে হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সদস্য হিসেবে শপথ নেওয়ার পর সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ না নিয়ে শপথকক্ষ থেকে বেরিয়ে গেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

এমপিরা আজ সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ নিলেও টেকনিক্যাল ও সাংবিধানিক অসংগতির কারণে সংস্কার পরিষদের অংশ হতে এখনই রাজি নন তারা। বিএনপি মনে করছে, যথাযথ আইনি কাঠামো তৈরি না হওয়া পর্যন্ত এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া সংবিধানসম্মত হবে না।

এটা যদি কনস্টিটিউশনে (সংবিধান) ধারণ করা হয়, সেই মর্মে অ্যামেন্ডমেন্ড হয় এবং সে শপথ পরিচালনার জন্য সংবিধানের তৃতীয় তফসিল ফর্ম হয়, সে শপথ কে পাঠ করাবেন, সেটা নির্ধারিত হয়, এতগুলো ‘হয়’ এর পরে, তারপরে হলেও হতে পারে।
