সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে এমপিদের শপথের মানে নেই: আসিফ মাহমুদ

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে এমপিদের শপথের মানে নেই: আসিফ মাহমুদ

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ এড়িয়ে গেলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের কোনো মানে নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ আগামীকাল নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। ‘সংবিধানে নেই’ মর্মে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ না নিতে চান, তাহলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথেরও কোনো মানে নেই।
গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপি নেতারা বলছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর থাকবে। এই পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যরাই। সে কারণে এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও আলাদাভাবে শপথ নিতে হবে।
অন্যদিকে এই বিষয়ের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির সিনিয়র এই নেতা। তিনি বলেন, এটা যদি কনস্টিটিউশনে (সংবিধান) ধারণ করা হয়, সেই মর্মে অ্যামেন্ডমেন্ড হয় এবং সে শপথ পরিচালনার জন্য সংবিধানের তৃতীয় তফসিল ফর্ম হয়, সে শপথ কে পাঠ করাবেন, সেটা নির্ধারিত হয়, এতগুলো ‘হয়’ এর পরে, তারপরে হলেও হতে পারে।
সালাহউদ্দিন আহমদের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচন কোন সংবিধানে ছিল জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ?’

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ এড়িয়ে গেলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের কোনো মানে নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ আগামীকাল নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। ‘সংবিধানে নেই’ মর্মে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ না নিতে চান, তাহলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথেরও কোনো মানে নেই।
গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপি নেতারা বলছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর থাকবে। এই পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যরাই। সে কারণে এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও আলাদাভাবে শপথ নিতে হবে।
অন্যদিকে এই বিষয়ের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির সিনিয়র এই নেতা। তিনি বলেন, এটা যদি কনস্টিটিউশনে (সংবিধান) ধারণ করা হয়, সেই মর্মে অ্যামেন্ডমেন্ড হয় এবং সে শপথ পরিচালনার জন্য সংবিধানের তৃতীয় তফসিল ফর্ম হয়, সে শপথ কে পাঠ করাবেন, সেটা নির্ধারিত হয়, এতগুলো ‘হয়’ এর পরে, তারপরে হলেও হতে পারে।
সালাহউদ্দিন আহমদের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচন কোন সংবিধানে ছিল জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ?’

সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ না নিলে এমপিদের শপথের মানে নেই: আসিফ মাহমুদ

সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ এড়িয়ে গেলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথের কোনো মানে নেই বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।
পোস্টে আসিফ মাহমুদ লেখেন, সংবিধান সংস্কার পরিষদের শপথ আগামীকাল নির্ধারিত সময়েই হতে হবে। ‘সংবিধানে নেই’ মর্মে যদি সংবিধান সংস্কার পরিষদ সদস্য হিসেবে শপথ না নিতে চান, তাহলে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথেরও কোনো মানে নেই।
গত বৃহস্পতিবার ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের সঙ্গে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটও অনুষ্ঠিত হয়। এনসিপি নেতারা বলছেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হওয়ায় জুলাই সনদের সংস্কার প্রস্তাবগুলো বাস্তবায়নের দায়িত্ব সংবিধান সংস্কার পরিষদের ওপর থাকবে। এই পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন ত্রয়োদশ সংসদের সদস্যরাই। সে কারণে এমপি হিসেবে শপথ নেওয়ার পাশাপাশি মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাদের সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও আলাদাভাবে শপথ নিতে হবে।
অন্যদিকে এই বিষয়ের সঙ্গে পুরোপুরি একমত নন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ।
সোমবার এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন বিএনপির সিনিয়র এই নেতা। তিনি বলেন, এটা যদি কনস্টিটিউশনে (সংবিধান) ধারণ করা হয়, সেই মর্মে অ্যামেন্ডমেন্ড হয় এবং সে শপথ পরিচালনার জন্য সংবিধানের তৃতীয় তফসিল ফর্ম হয়, সে শপথ কে পাঠ করাবেন, সেটা নির্ধারিত হয়, এতগুলো ‘হয়’ এর পরে, তারপরে হলেও হতে পারে।
সালাহউদ্দিন আহমদের এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘২০২৬ সালের নির্বাচন কোন সংবিধানে ছিল জনাব সালাহউদ্দিন আহমদ?’




