‘একটা ভোটের মূল্যায়ন হলো, আরেকটা ফেলে দেওয়া হয়েছে’

‘একটা ভোটের মূল্যায়ন হলো, আরেকটা ফেলে দেওয়া হয়েছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার জনগণের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের আশা ছিল, এতগুলো মানুষের ত্যাগ এবং জীবনের বিনিময়ে আমরা একটা পরিবর্তন পেয়েছি, এখন বাংলাদেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে। এরইমধ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন এবং সংস্কার পরিষদ সংস্কারের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে ভোট হলো। একটা ভোটের মূল্যায়ন হলো, আরেকটা ভোট ফেলে দেওয়া হয়েছে। অথচ দুইটার কোনোটিই অগুরুত্বপূর্ণ নয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ চাচ্ছে না। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন ভোট কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে না। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলোর কারণে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল সেসব জায়গা আগের মতো থেকে গেলো।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের এই মতকে অগ্রাহ্য করেছে। আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই থেকে গেলাম। কোনো পরিবর্তন এলো না। হয়তো কেউ কেউ বলবেন যে, ৪ মাসের সরকার... আমরা তো অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু না, ফাউন্ডেশনের ওপরে একটা দেশ এবং রাষ্ট্র চলে। আমরা সবাই জানি একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ– দিনটি কেমন যাবে সকালবেলাই তা বলে দেবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব যাদের ছিল, তাদের ব্যর্থতার কারণে আজও আমাদের দেশে কোনো সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষের জীবনে শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই। যুবকদের হাতে কাজ নেই। মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা নেই। অহরহ আমরা সে ঘটনাগুলো দেখছি।
অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

সরকার জনগণের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের আশা ছিল, এতগুলো মানুষের ত্যাগ এবং জীবনের বিনিময়ে আমরা একটা পরিবর্তন পেয়েছি, এখন বাংলাদেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে। এরইমধ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন এবং সংস্কার পরিষদ সংস্কারের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে ভোট হলো। একটা ভোটের মূল্যায়ন হলো, আরেকটা ভোট ফেলে দেওয়া হয়েছে। অথচ দুইটার কোনোটিই অগুরুত্বপূর্ণ নয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ চাচ্ছে না। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন ভোট কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে না। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলোর কারণে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল সেসব জায়গা আগের মতো থেকে গেলো।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের এই মতকে অগ্রাহ্য করেছে। আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই থেকে গেলাম। কোনো পরিবর্তন এলো না। হয়তো কেউ কেউ বলবেন যে, ৪ মাসের সরকার... আমরা তো অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু না, ফাউন্ডেশনের ওপরে একটা দেশ এবং রাষ্ট্র চলে। আমরা সবাই জানি একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ– দিনটি কেমন যাবে সকালবেলাই তা বলে দেবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব যাদের ছিল, তাদের ব্যর্থতার কারণে আজও আমাদের দেশে কোনো সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষের জীবনে শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই। যুবকদের হাতে কাজ নেই। মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা নেই। অহরহ আমরা সে ঘটনাগুলো দেখছি।
অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

‘একটা ভোটের মূল্যায়ন হলো, আরেকটা ফেলে দেওয়া হয়েছে’
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার জনগণের দাবিকে অগ্রাহ্য করছে বলে অভিযোগ করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান।
তিনি বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর মানুষের আশা ছিল, এতগুলো মানুষের ত্যাগ এবং জীবনের বিনিময়ে আমরা একটা পরিবর্তন পেয়েছি, এখন বাংলাদেশ সঠিক পথে পরিচালিত হবে। এরইমধ্যে ১২ ফেব্রুয়ারি সাধারণ নির্বাচন এবং সংস্কার পরিষদ সংস্কারের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে। একই দিনে ভোট হলো। একটা ভোটের মূল্যায়ন হলো, আরেকটা ভোট ফেলে দেওয়া হয়েছে। অথচ দুইটার কোনোটিই অগুরুত্বপূর্ণ নয়।
শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে রাজধানীর মগবাজার আল-ফালাহ মিলনায়তনে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরার অধিবেশনে তিনি এসব কথা বলেন।
জামায়াতের আমির বলেন, সরকার স্বাধীন বিচার বিভাগ চাচ্ছে না। স্বাধীন দুর্নীতি দমন কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন মানবাধিকার কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন ভোট কমিশন চাচ্ছে না। স্বাধীন নির্বাচন কমিশন চাচ্ছে না। এভাবে গুরুত্বপূর্ণ যে জায়গাগুলোর কারণে ফ্যাসিবাদ কায়েম হয়েছিল সেসব জায়গা আগের মতো থেকে গেলো।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকারি দল প্রায় ৭০ ভাগ জনগণের এই মতকে অগ্রাহ্য করেছে। আমরা যেখানে ছিলাম সেখানেই থেকে গেলাম। কোনো পরিবর্তন এলো না। হয়তো কেউ কেউ বলবেন যে, ৪ মাসের সরকার... আমরা তো অপেক্ষা করতে পারি। কিন্তু না, ফাউন্ডেশনের ওপরে একটা দেশ এবং রাষ্ট্র চলে। আমরা সবাই জানি একটা গুরুত্বপূর্ণ প্রবাদ– দিনটি কেমন যাবে সকালবেলাই তা বলে দেবে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, দেশ পরিচালনার দায়িত্ব যাদের ছিল, তাদের ব্যর্থতার কারণে আজও আমাদের দেশে কোনো সামাজিক শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠিত হয়নি। মানুষের জীবনে শান্তি নেই, নিরাপত্তা নেই। যুবকদের হাতে কাজ নেই। মা-বোনদের ইজ্জতের কোনো নিরাপত্তা নেই। অহরহ আমরা সে ঘটনাগুলো দেখছি।
অধিবেশনে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

আওয়ামী লীগের পথে হাঁটছে বিএনপি: জামায়াত আমির

