২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার
২১ দিনে রেমিট্যান্স এলো ২০৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার
চলতি মাসের ২১ দিনে দেশে এসেছে ২০৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার।


চলতি মাসের ৫ দিনে দেশে এসেছে ৫১৩ মিলিয়ন বা ৫১ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স।

অর্থনীতির ধীরগতির প্রভাব পড়েছে মানুষের আয় ও জীবিকায়। বিশ্বব্যাংকের হিসাবে, ২০২৬ অর্থবছরে দেশে দারিদ্র্য বেড়েছে। এক বছরের ব্যবধানে প্রায় ২১ লাখ মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে।

চলতি বছরের দ্বিতীয়ার্ধে এসে প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সে ধীরগতি দেখা দিয়েছে। সেপ্টেম্বরে দেশে এসেছে ২৭৭ কোটি ডলার।

বন্ধ হয়ে যাওয়া কারখানা পুনরায় চালুর জন্য ২০ হাজার কোটি টাকা এবং কৃষি, সিএমএসএমই ও রপ্তানি বহুমুখীকরণের জন্য আরও
চলতি মাসের ২১ দিনে দেশে এসেছে ২০৬ কোটি ৩০ লাখ ডলার।

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৬ দশমিক ৩১ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে দাঁড়িয়েছে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) হিসাব পদ্ধতি বিপিএম-৬ অনুযায়ী, দেশের রিজার্ভের পরিমাণ ৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, দেশে চলমান এই সংকট বর্তমান সরকারের তৈরি নয়, এটি বৈশ্বিক পরিস্থিতির ফল। সরকার বিকল্প হিসেবে ইন্দোনেশিয়া, মালয়েশিয়া ও মিয়ানমার থেকে গ্যাস আনার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে।

চলতি মাসের ২২ দিনে দেশে এসেছে২৬৬ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৩২ হাজার ৮২৮ কোটি ৭০ লাখ টাকা (ডলারপ্রতি ১২৩ টাকা ধরে)।

চলতি মাসের ২২ দিনে দেশে এসেছে ২৪৫ কোটি ৫০ লাখ মার্কিন ডলার। যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২২ দশমিক ৩ শতাংশ বেশি।

বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশকে জ্বালানি আমদানিতে মোট ১০ দশমিক ৬৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করতে হয়েছে, যা আগের অর্থবছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি।

চলতি মাসের ২২ দিনে দেশে এসেছে ২১৪ কোটি ৮০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৬ হাজার ৪২০ কোটি টাকা (ডলারপ্রতি ১২৩ টাকা ধরে)।

চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে এসেছে ১৯৬ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার।

চলতি মাসের প্রথম ১৭ দিনে দেশে এসেছে ১৮৮ কোটি ৭০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ২৩ হাজার ২১০ কোটি ১০ লাখ টাকা (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা ধরে)।

চলতি মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছে ১৪৯ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ১৮ হাজার ৪৩৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা ধরে)।

চলতি মাসের প্রথম ৫ দিনে দেশে এসেছে ৬০ কোটি ২০ লাখ (৬০২ মিলিয়ন) ডলার। দেশীয় মুদ্রায় যার পরিমাণ প্রায় ৭৩ হাজার ৪৪০ কোটি টাকা। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ দাঁড়ায় প্রায় ৭৩ হাজার ৪৪০ লাখ টাকা (ডলারপ্রতি ১২২ টাকা ধরে)।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম মাস জুলাইয়ে বাংলাদেশে প্রবাসী আয় (রেমিট্যান্স) এসেছে প্রায় ২৮৬ কোটি মার্কিন ডলার।

দেশের রেমিট্যান্স পালে বইছে সুবাতাস। চলতি মাসের প্রথম ১৪ দিনে দেশে এসেছে ১৫৪ কোটি ২০ লাখ মার্কিন ডলার।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে দেশে ৩ হাজার ৫৫৬ কোটি ২০ লাখ ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। যা আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় ১৭ দশমিক ৩০ শতাংশ।

বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৫ থেকে ২৭ জুন এই তিন দিনে দেশে ১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা।

চলতি জুন মাসের ১৬ দিনে দেশে রেমিট্যান্স এসেছে ১৭২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। এই হিসাবে প্রতিদিন গড়ে দেশে এসেছে ১০ কোটি ৮১ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

জুনের প্রথম ১০ দিনে ১২০ কোটি ৩১ লাখ মার্কিন ডলার পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। সে হিসেবে দৈনিক গড়ে দেশে এসেছে ১২ কোটি ৩ লাখ ডলার রেমিট্যান্স।

টানা পাঁচ বছর ধরে প্রবাসী রেমিট্যান্স আয়ে শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি অর্জনের পর ব্র্যাক ব্যাংক এখন ২০২৮ সালের মধ্যে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় রেমিট্যান্স ব্যাংক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে।

চলতি মাসের প্রথম ১৯ দিনেই প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ২৪৮ কোটি ৩০ লাখ মার্কিন ডলার, যা দেশীয় মুদ্রায় ৩০ হাজার ৪৭৮ কোটি টাকারও বেশি।
