রিজার্ভ কমলো ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি

রিজার্ভ কমলো ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্যে আমদানি চাপ বেড়ে যাওয়ায় গত এক মাসে রিজার্ভ কমেছে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যদিও এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। কিন্তু নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতির পুরোটা পূরণ করতে পারেনি বর্ধিত রেমিট্যান্স।
তথ্য বলছে, গত মাসে আকু বিল পরিশোধের মত কোনো বড় ধরনের বৈদেশিক দায় মেটাতে হয়নি বাংলাদেশ ব্যাংকে। আগামী মাসের শুরুতে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আকু দায় পরিশোধ আসছে। তাতে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই রিজার্ভের উপর আরও ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি দায় পরিশোধের চাপ আসছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ রবিবার (২৯ মার্চ) দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি (রিজার্ভ) দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্রস হিসাবে ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফ পদ্ধতিতে ২৯ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভের দুটি তথ্য প্রকাশ করে থাকে। এর বৈদেশিক মুদ্রার দায়, ঋণ বৈদেশিক মুদ্রা ও ধার করা অর্থের যোগফল হচ্ছে গ্রস হিসাব। আর দায় ও ঋণ বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয় আইএমএফ এর দেখানো বিপিএম৬ পদ্ধতিতে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গ্রস হিসাবে ৩ হাজার ৫০৩ কোটি ১৪ লাখ ডলার বা ৩৫ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বর্তমান গভর্নর মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব বুঝে পান।
সে সময়ে আইএমএফ এর বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৭ কোটি ৯৪ লাখ ডলার বা ৩২ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে গত এক মাস দুই দিনের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে গ্রস হিসাবে ১০৩ কোটি ৬৫ লাখ ডলার বা ১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ পদ্ধতিতে কমেছে ৯৮ কোটি ৩২ লাখ ডলার।
নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের মেয়াদে শুধু একবার গত ২ মার্চ বাজার থেকে আড়াই কোটি ডলার কিনেছে। যার কাটঅফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরে মোট ৫৪৯ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বা ৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগদ তথ্য বলছে, চলতি মার্চের ২৮ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বা ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার বেশি। ২০২৫ সালের মার্চের ২৮ দিনে রেমিট্যান্স আসে ৩২ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন ডলার।
চলতি বছরের সবশেষ গত ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রবৃদ্ধি হয় ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। মাসটিতে রেমিট্যান্স আসে ৩ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল ৬৫ শতাংশ। মাসটিতে রেমিট্যান্স আসে ৩২ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।
চব্বিশের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রবাসী আয় বাড়তে শুরু করে। তারই ধারবাহিকতায় মার্চ মাসে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে প্রবাসী আয় অনেক বেড়েছে।

রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্যে আমদানি চাপ বেড়ে যাওয়ায় গত এক মাসে রিজার্ভ কমেছে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যদিও এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। কিন্তু নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতির পুরোটা পূরণ করতে পারেনি বর্ধিত রেমিট্যান্স।
তথ্য বলছে, গত মাসে আকু বিল পরিশোধের মত কোনো বড় ধরনের বৈদেশিক দায় মেটাতে হয়নি বাংলাদেশ ব্যাংকে। আগামী মাসের শুরুতে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আকু দায় পরিশোধ আসছে। তাতে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই রিজার্ভের উপর আরও ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি দায় পরিশোধের চাপ আসছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ রবিবার (২৯ মার্চ) দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি (রিজার্ভ) দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্রস হিসাবে ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফ পদ্ধতিতে ২৯ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভের দুটি তথ্য প্রকাশ করে থাকে। এর বৈদেশিক মুদ্রার দায়, ঋণ বৈদেশিক মুদ্রা ও ধার করা অর্থের যোগফল হচ্ছে গ্রস হিসাব। আর দায় ও ঋণ বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয় আইএমএফ এর দেখানো বিপিএম৬ পদ্ধতিতে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গ্রস হিসাবে ৩ হাজার ৫০৩ কোটি ১৪ লাখ ডলার বা ৩৫ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বর্তমান গভর্নর মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব বুঝে পান।
সে সময়ে আইএমএফ এর বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৭ কোটি ৯৪ লাখ ডলার বা ৩২ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে গত এক মাস দুই দিনের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে গ্রস হিসাবে ১০৩ কোটি ৬৫ লাখ ডলার বা ১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ পদ্ধতিতে কমেছে ৯৮ কোটি ৩২ লাখ ডলার।
নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের মেয়াদে শুধু একবার গত ২ মার্চ বাজার থেকে আড়াই কোটি ডলার কিনেছে। যার কাটঅফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরে মোট ৫৪৯ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বা ৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগদ তথ্য বলছে, চলতি মার্চের ২৮ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বা ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার বেশি। ২০২৫ সালের মার্চের ২৮ দিনে রেমিট্যান্স আসে ৩২ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন ডলার।
চলতি বছরের সবশেষ গত ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রবৃদ্ধি হয় ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। মাসটিতে রেমিট্যান্স আসে ৩ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল ৬৫ শতাংশ। মাসটিতে রেমিট্যান্স আসে ৩২ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।
চব্বিশের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রবাসী আয় বাড়তে শুরু করে। তারই ধারবাহিকতায় মার্চ মাসে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে প্রবাসী আয় অনেক বেড়েছে।

রিজার্ভ কমলো ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি
জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক

রপ্তানিতে নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির মধ্যে আমদানি চাপ বেড়ে যাওয়ায় গত এক মাসে রিজার্ভ কমেছে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি। যদিও এই সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে। কিন্তু নেতিবাচক প্রবৃদ্ধির রপ্তানি আয় ও আমদানি ব্যয়ের মধ্যে ঘাটতির পুরোটা পূরণ করতে পারেনি বর্ধিত রেমিট্যান্স।
তথ্য বলছে, গত মাসে আকু বিল পরিশোধের মত কোনো বড় ধরনের বৈদেশিক দায় মেটাতে হয়নি বাংলাদেশ ব্যাংকে। আগামী মাসের শুরুতে ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি আকু দায় পরিশোধ আসছে। তাতে আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহেই রিজার্ভের উপর আরও ১ বিলিয়ন ডলারের বেশি দায় পরিশোধের চাপ আসছে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান এ বিষয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আজ রবিবার (২৯ মার্চ) দিন শেষে বৈদেশিক মুদ্রার সঞ্চিতি (রিজার্ভ) দাঁড়িয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গ্রস হিসাবে ৩৩ দশমিক ৯৯ বিলিয়ন ডলার। আইএমএফ পদ্ধতিতে ২৯ দশমিক ২৯ বিলিয়ন ডলার।
বাংলাদেশ ব্যাংক রিজার্ভের দুটি তথ্য প্রকাশ করে থাকে। এর বৈদেশিক মুদ্রার দায়, ঋণ বৈদেশিক মুদ্রা ও ধার করা অর্থের যোগফল হচ্ছে গ্রস হিসাব। আর দায় ও ঋণ বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয় আইএমএফ এর দেখানো বিপিএম৬ পদ্ধতিতে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ২৬ ফেব্রুয়ারি গ্রস হিসাবে ৩ হাজার ৫০৩ কোটি ১৪ লাখ ডলার বা ৩৫ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার নিয়ে বর্তমান গভর্নর মোস্তাকুর রহমান দায়িত্ব বুঝে পান।
সে সময়ে আইএমএফ এর বিপিএম৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভ ছিল ৩ হাজার ২৭ কোটি ৯৪ লাখ ডলার বা ৩২ দশমিক ৭৪ বিলিয়ন ডলার। এ হিসাবে গত এক মাস দুই দিনের ব্যবধানে রিজার্ভ কমেছে গ্রস হিসাবে ১০৩ কোটি ৬৫ লাখ ডলার বা ১ দশমিক শূন্য ৩ বিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম৬ পদ্ধতিতে কমেছে ৯৮ কোটি ৩২ লাখ ডলার।
নতুন গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের মেয়াদে শুধু একবার গত ২ মার্চ বাজার থেকে আড়াই কোটি ডলার কিনেছে। যার কাটঅফ রেট ছিল ১২২ টাকা ৩০ পয়সা। এ নিয়ে চলতি অর্থবছরে মোট ৫৪৯ কোটি ৩৫ লাখ ডলার বা ৫ দশমিক ৪৯ বিলিয়ন ডলার কিনলো কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগদ তথ্য বলছে, চলতি মার্চের ২৮ দিনে ব্যাংকিং চ্যানেলে প্রবাসীরা দেশে পাঠিয়েছেন ৩ দশমিক ৩৩ বিলিয়ন ডলার। যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৩ দশমিক ৮ শতাংশ বা ১২ কোটি ৩০ লাখ ডলার বেশি। ২০২৫ সালের মার্চের ২৮ দিনে রেমিট্যান্স আসে ৩২ দশমিক শূন্য ৯ বিলিয়ন ডলার।
চলতি বছরের সবশেষ গত ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স প্রবাহে প্রবৃদ্ধি হয় ১৯ দশমিক ৫০ শতাংশ। মাসটিতে রেমিট্যান্স আসে ৩ দশমিক শূন্য ২ বিলিয়ন ডলার। গত বছরের মার্চে রেমিট্যান্স প্রবৃদ্ধি ছিল ৬৫ শতাংশ। মাসটিতে রেমিট্যান্স আসে ৩২ দশমিক ৯৫ বিলিয়ন ডলার।
চব্বিশের আগস্টে ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের পর থেকে প্রবাসী আয় বাড়তে শুরু করে। তারই ধারবাহিকতায় মার্চ মাসে ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে প্রবাসী আয় অনেক বেড়েছে।




