
যুক্তরাষ্ট্রের এমন আচরণ আগামী কয়েক দিনের মধ্যেই ইরানের বিরুদ্ধে সম্ভাব্য হামলার প্রস্তুতির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

মধ্যপ্রাচ্যে বড় ধরনের যুদ্ধ বিশ্ব অর্থনীতির জন্য অশনিসংকেত হবে। যুদ্ধের প্রভাবে জ্বালানি তেলের দাম বেড়ে গেলে উন্নয়নশীল দেশগুলো সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

গত মঙ্গলবার এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আরও একটি সুসজ্জিত নৌবহর ইরানের পথে আছে। আমি আশা করছি, তারা (ইরান) সমঝোতা করতে রাজি হবে।’

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিক্ষোভের শুরু থেকেই বলে আসছিলেন, জনতার বিক্ষোভ দমনে ইরান কঠোর পন্থার আশ্রয় নিলে দেশটিতে সামরিক অভিযান চালাবে যুক্তরাষ্ট্র