মধ্যপ্রাচ্যে আড়াই হাজার সেনা ও উভচর যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

মধ্যপ্রাচ্যে আড়াই হাজার সেনা ও উভচর যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক শক্তি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী আড়াই হাজার মেরিন সেনা ও উভচর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলিকে ওই অঞ্চলে যাওয়ার আদেশ দিয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউইয়র্কভিত্তিক একটি বার্তা সংস্থাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। যুদ্ধ শুরুর দুই সপ্তাহের মাথায় এ ধরনের মোতায়েন সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খোলা না রাখলে দ্বীপটির তেল স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হতে পারে।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার সতর্ক করে বলেন, খারগ দ্বীপের তেল স্থাপনায় হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়া হবে ‘অন্য মাত্রার’।
এদিকে শুক্রবার ইরানে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে পালিত হয়েছে আল-কুদস দিবস। রাজধানী তেহরানে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতির মধ্যেই একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বর্তমান সংঘাতের মধ্যে ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির ওপরও কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে দেশটি। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ পাওয়া বাহিনীর মধ্যে রয়েছে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা এবং উভচর আক্রমণকারী জাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি। এই ইউনিটের সদস্যরা সমুদ্র ও স্থল– উভয় পরিবেশেই অভিযান পরিচালনায় সক্ষম। দূতাবাসের নিরাপত্তা জোরদার, বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও তারা প্রশিক্ষিত।
তবে এই মোতায়েন মানেই ইরানে স্থল অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে– এমন নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বার্তা সংস্থা।
৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট ও ইউএসএস ত্রিপোলি সাধারণত জাপানভিত্তিক। সাম্প্রতিক সময়ে তারা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থান করছিল। বাণিজ্যিক উপগ্রহের ছবিতে জাহাজটিকে তাইওয়ানের কাছাকাছি দেখা গেছে। সেখান থেকে ইরানের জলসীমায় পৌঁছাতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
বর্তমানে আরব সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ আটটি ডেস্ট্রয়ার ও মোট ১২টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ইউএসএস ত্রিপোলি ওই বহরে যোগ দিলে মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে ঠিক কত মার্কিন সেনা রয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে সাধারণত প্রায় আট হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করে বলে জানা গেছে।

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক শক্তি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী আড়াই হাজার মেরিন সেনা ও উভচর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলিকে ওই অঞ্চলে যাওয়ার আদেশ দিয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউইয়র্কভিত্তিক একটি বার্তা সংস্থাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। যুদ্ধ শুরুর দুই সপ্তাহের মাথায় এ ধরনের মোতায়েন সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খোলা না রাখলে দ্বীপটির তেল স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হতে পারে।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার সতর্ক করে বলেন, খারগ দ্বীপের তেল স্থাপনায় হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়া হবে ‘অন্য মাত্রার’।
এদিকে শুক্রবার ইরানে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে পালিত হয়েছে আল-কুদস দিবস। রাজধানী তেহরানে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতির মধ্যেই একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বর্তমান সংঘাতের মধ্যে ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির ওপরও কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে দেশটি। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ পাওয়া বাহিনীর মধ্যে রয়েছে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা এবং উভচর আক্রমণকারী জাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি। এই ইউনিটের সদস্যরা সমুদ্র ও স্থল– উভয় পরিবেশেই অভিযান পরিচালনায় সক্ষম। দূতাবাসের নিরাপত্তা জোরদার, বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও তারা প্রশিক্ষিত।
তবে এই মোতায়েন মানেই ইরানে স্থল অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে– এমন নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বার্তা সংস্থা।
৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট ও ইউএসএস ত্রিপোলি সাধারণত জাপানভিত্তিক। সাম্প্রতিক সময়ে তারা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থান করছিল। বাণিজ্যিক উপগ্রহের ছবিতে জাহাজটিকে তাইওয়ানের কাছাকাছি দেখা গেছে। সেখান থেকে ইরানের জলসীমায় পৌঁছাতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
বর্তমানে আরব সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ আটটি ডেস্ট্রয়ার ও মোট ১২টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ইউএসএস ত্রিপোলি ওই বহরে যোগ দিলে মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে ঠিক কত মার্কিন সেনা রয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে সাধারণত প্রায় আট হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করে বলে জানা গেছে।

মধ্যপ্রাচ্যে আড়াই হাজার সেনা ও উভচর যুদ্ধজাহাজ পাঠাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে অতিরিক্ত সামরিক শক্তি পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির সামরিক বাহিনী আড়াই হাজার মেরিন সেনা ও উভচর যুদ্ধজাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলিকে ওই অঞ্চলে যাওয়ার আদেশ দিয়েছে।
শুক্রবার (১৩ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্রের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে নিউইয়র্কভিত্তিক একটি বার্তা সংস্থাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন। যুদ্ধ শুরুর দুই সপ্তাহের মাথায় এ ধরনের মোতায়েন সংঘাত আরও তীব্র হওয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ঘটনার কয়েক ঘণ্টা পর জানান, যুক্তরাষ্ট্রের বাহিনী ইরানের তেল রপ্তানির প্রধান কেন্দ্র খারগ দ্বীপে থাকা সব সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করেছে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, হরমুজ প্রণালি পুরোপুরি খোলা না রাখলে দ্বীপটির তেল স্থাপনাগুলোতেও হামলা চালানো হতে পারে।
এর আগে ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার সতর্ক করে বলেন, খারগ দ্বীপের তেল স্থাপনায় হামলা হলে তার প্রতিক্রিয়া হবে ‘অন্য মাত্রার’।
এদিকে শুক্রবার ইরানে ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে পালিত হয়েছে আল-কুদস দিবস। রাজধানী তেহরানে এ উপলক্ষে আয়োজিত এক সমাবেশে লাখো মানুষের উপস্থিতির মধ্যেই একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে এতে এখন পর্যন্ত হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।
বর্তমান সংঘাতের মধ্যে ইরান ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের স্থাপনা লক্ষ্য করে ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা অব্যাহত রেখেছে। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালির ওপরও কার্যত নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে দেশটি। বিশ্বের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ তেল এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
মার্কিন কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যাওয়ার নির্দেশ পাওয়া বাহিনীর মধ্যে রয়েছে ৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিটের সদস্যরা এবং উভচর আক্রমণকারী জাহাজ ইউএসএস ত্রিপোলি। এই ইউনিটের সদস্যরা সমুদ্র ও স্থল– উভয় পরিবেশেই অভিযান পরিচালনায় সক্ষম। দূতাবাসের নিরাপত্তা জোরদার, বেসামরিক নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়া ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায়ও তারা প্রশিক্ষিত।
তবে এই মোতায়েন মানেই ইরানে স্থল অভিযান শুরু হতে যাচ্ছে– এমন নয় বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট বার্তা সংস্থা।
৩১তম মেরিন এক্সপেডিশনারি ইউনিট ও ইউএসএস ত্রিপোলি সাধারণত জাপানভিত্তিক। সাম্প্রতিক সময়ে তারা প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থান করছিল। বাণিজ্যিক উপগ্রহের ছবিতে জাহাজটিকে তাইওয়ানের কাছাকাছি দেখা গেছে। সেখান থেকে ইরানের জলসীমায় পৌঁছাতে প্রায় এক সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।
বর্তমানে আরব সাগরে যুক্তরাষ্ট্রের বিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনসহ আটটি ডেস্ট্রয়ার ও মোট ১২টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। ইউএসএস ত্রিপোলি ওই বহরে যোগ দিলে মার্কিন নৌবাহিনীর শক্তি আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে ঠিক কত মার্কিন সেনা রয়েছে তা স্পষ্ট নয়। তবে কাতারের আল-উদেইদ বিমানঘাঁটিতে সাধারণত প্রায় আট হাজার মার্কিন সেনা অবস্থান করে বলে জানা গেছে।




