হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য

হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যে হাজারো ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার এ বিষয়ে সম্ভাব্য পদক্ষেপ পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে।
‘অক্টোপাস’ নামে পরিচিত অত্যাধুনিক ড্রোন প্রতিরোধী এই ব্যবস্থা বর্তমানে যুক্তরাজ্যে তৈরি হচ্ছে, যা ইউক্রেনকে রাশিয়ার ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে সহায়তার জন্য উৎপাদন করা হচ্ছে। এখন প্রতি মাসে হাজার হাজার ইউনিট তৈরির লক্ষ্য নিয়ে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।
সামরিক কর্মকর্তারা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই প্রতিরোধী ড্রোনগুলো ইরানের শাহেদ ড্রোনের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা জোরদার করতেও ব্যবহার করা যায় কি না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের বিষয়ে স্টারমারের তুলনামূলক সতর্ক অবস্থানের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিছু সামরিক কর্মকর্তার সমালোচনার মুখে পড়েন। এর জবাব দিতেও এই পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে।
এছাড়া বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আধিপত্য কমাতে সেখানে মাইন শনাক্তকারী ড্রোন পাঠানোর কথাও ভাবছে ব্রিটেন।
এর আগে শনিবার ট্রাম্প যুক্তরাজ্যকে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের অবরোধ ভাঙতে একটি আন্তর্জাতিক নৌবহর গঠন করা প্রয়োজন।
যুক্তরাজ্য সরকার উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করলেও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘নানা ধরনের বিকল্প’ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমস জানায়, ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ‘মাইন অ্যান্ড থ্রেট এক্সপ্লোয়িটেশন গ্রুপ’ থেকে এসব ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে; যারা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে।
তবে বর্তমানে ঠিক কতগুলো ড্রোন কার্যকর রয়েছে এবং এর মধ্যে কতটি মোতায়েন করা সম্ভব, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট উত্তোলিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ প্রতিদিন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য গার্ডিয়ান

ইরানের ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যে হাজারো ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার এ বিষয়ে সম্ভাব্য পদক্ষেপ পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে।
‘অক্টোপাস’ নামে পরিচিত অত্যাধুনিক ড্রোন প্রতিরোধী এই ব্যবস্থা বর্তমানে যুক্তরাজ্যে তৈরি হচ্ছে, যা ইউক্রেনকে রাশিয়ার ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে সহায়তার জন্য উৎপাদন করা হচ্ছে। এখন প্রতি মাসে হাজার হাজার ইউনিট তৈরির লক্ষ্য নিয়ে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।
সামরিক কর্মকর্তারা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই প্রতিরোধী ড্রোনগুলো ইরানের শাহেদ ড্রোনের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা জোরদার করতেও ব্যবহার করা যায় কি না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের বিষয়ে স্টারমারের তুলনামূলক সতর্ক অবস্থানের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিছু সামরিক কর্মকর্তার সমালোচনার মুখে পড়েন। এর জবাব দিতেও এই পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে।
এছাড়া বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আধিপত্য কমাতে সেখানে মাইন শনাক্তকারী ড্রোন পাঠানোর কথাও ভাবছে ব্রিটেন।
এর আগে শনিবার ট্রাম্প যুক্তরাজ্যকে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের অবরোধ ভাঙতে একটি আন্তর্জাতিক নৌবহর গঠন করা প্রয়োজন।
যুক্তরাজ্য সরকার উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করলেও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘নানা ধরনের বিকল্প’ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমস জানায়, ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ‘মাইন অ্যান্ড থ্রেট এক্সপ্লোয়িটেশন গ্রুপ’ থেকে এসব ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে; যারা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে।
তবে বর্তমানে ঠিক কতগুলো ড্রোন কার্যকর রয়েছে এবং এর মধ্যে কতটি মোতায়েন করা সম্ভব, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট উত্তোলিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ প্রতিদিন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য গার্ডিয়ান

হরমুজ প্রণালিতে ড্রোন পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য
সিটিজেন ডেস্ক

ইরানের ড্রোন হুমকি মোকাবিলায় মধ্যপ্রাচ্যে হাজারো ড্রোন প্রতিরোধী ব্যবস্থা পাঠানোর কথা ভাবছে যুক্তরাজ্য। দেশটির প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকার এ বিষয়ে সম্ভাব্য পদক্ষেপ পর্যালোচনা করছে বলে জানা গেছে।
‘অক্টোপাস’ নামে পরিচিত অত্যাধুনিক ড্রোন প্রতিরোধী এই ব্যবস্থা বর্তমানে যুক্তরাজ্যে তৈরি হচ্ছে, যা ইউক্রেনকে রাশিয়ার ড্রোন হামলা প্রতিহত করতে সহায়তার জন্য উৎপাদন করা হচ্ছে। এখন প্রতি মাসে হাজার হাজার ইউনিট তৈরির লক্ষ্য নিয়ে উৎপাদন বাড়ানো হয়েছে।
সামরিক কর্মকর্তারা এখন খতিয়ে দেখছেন, এই প্রতিরোধী ড্রোনগুলো ইরানের শাহেদ ড্রোনের বিরুদ্ধে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাজ্যের প্রতিরক্ষা জোরদার করতেও ব্যবহার করা যায় কি না।
বিশ্লেষকদের মতে, ইরান যুদ্ধের বিষয়ে স্টারমারের তুলনামূলক সতর্ক অবস্থানের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও কিছু সামরিক কর্মকর্তার সমালোচনার মুখে পড়েন। এর জবাব দিতেও এই পদক্ষেপ বিবেচনা করা হতে পারে।
এছাড়া বিশ্ব বাণিজ্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালিতে ইরানের আধিপত্য কমাতে সেখানে মাইন শনাক্তকারী ড্রোন পাঠানোর কথাও ভাবছে ব্রিটেন।
এর আগে শনিবার ট্রাম্প যুক্তরাজ্যকে হরমুজ প্রণালীতে যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ইরানের অবরোধ ভাঙতে একটি আন্তর্জাতিক নৌবহর গঠন করা প্রয়োজন।
যুক্তরাজ্য সরকার উপসাগরীয় অঞ্চলে একটি যুদ্ধজাহাজ পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করলেও এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্যবাহী জাহাজের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘নানা ধরনের বিকল্প’ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমস জানায়, ব্রিটিশ রয়্যাল নেভির ‘মাইন অ্যান্ড থ্রেট এক্সপ্লোয়িটেশন গ্রুপ’ থেকে এসব ড্রোন মোতায়েন করা হতে পারে; যারা বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থান করছে।
তবে বর্তমানে ঠিক কতগুলো ড্রোন কার্যকর রয়েছে এবং এর মধ্যে কতটি মোতায়েন করা সম্ভব, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে পত্রিকাটি।
উল্লেখ্য, বিশ্বের মোট উত্তোলিত তেলের প্রায় ২০ শতাংশ প্রতিদিন এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ, দ্য গার্ডিয়ান




