অস্ট্রেলিয়ায় যুদ্ধজাহাজ সরবরাহে ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি জাপানের

অস্ট্রেলিয়ায় যুদ্ধজাহাজ সরবরাহে ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি জাপানের
সিটিজেন ডেস্ক

আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া ও জাপান প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশাল যুদ্ধজাহাজ সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এবং জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি এ ঐতিহাসিক স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ২০১৪ সালে সামরিক রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর এটিই জাপানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি। এ চুক্তি দেশটির যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতি থেকে ক্রমশ সরে আসার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আওতায় জাপানের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর জন্য তিনটি অত্যাধুনিক মোগামি-শ্রেণির বহুমুখী ফ্রিগেট নির্মাণ করবে, যার সরবরাহ শুরু হবে ২০২৯ সাল থেকে।
চুক্তির শর্তানুযায়ী, প্রথম ৩টি জাহাজ জাপানে তৈরি হলেও পরবর্তী আটটি ফ্রিগেট পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থের নিকটবর্তী হেন্ডারসন শিপইয়ার্ডে স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হবে, যা অস্ট্রেলিয়ার নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করে তুলবে। বিশেষ করে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব মোকাবিলায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নিরাপত্তা জোট জোরালো করতে এ পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। মোগামি-শ্রেণির এ যুদ্ধজাহাজগুলো সাবমেরিন শনাক্তকরণ, সরাসরি আক্রমণ এবং শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ সব ধরনের আধুনিক সমরকৌশলে সক্ষম।
মূলত দেশের উত্তরাঞ্চল রক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই অস্ট্রেলিয়া এ কৌশলগত বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঐতিহাসিক এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া ও জাপান প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশাল যুদ্ধজাহাজ সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এবং জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি এ ঐতিহাসিক স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ২০১৪ সালে সামরিক রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর এটিই জাপানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি। এ চুক্তি দেশটির যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতি থেকে ক্রমশ সরে আসার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আওতায় জাপানের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর জন্য তিনটি অত্যাধুনিক মোগামি-শ্রেণির বহুমুখী ফ্রিগেট নির্মাণ করবে, যার সরবরাহ শুরু হবে ২০২৯ সাল থেকে।
চুক্তির শর্তানুযায়ী, প্রথম ৩টি জাহাজ জাপানে তৈরি হলেও পরবর্তী আটটি ফ্রিগেট পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থের নিকটবর্তী হেন্ডারসন শিপইয়ার্ডে স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হবে, যা অস্ট্রেলিয়ার নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করে তুলবে। বিশেষ করে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব মোকাবিলায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নিরাপত্তা জোট জোরালো করতে এ পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। মোগামি-শ্রেণির এ যুদ্ধজাহাজগুলো সাবমেরিন শনাক্তকরণ, সরাসরি আক্রমণ এবং শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ সব ধরনের আধুনিক সমরকৌশলে সক্ষম।
মূলত দেশের উত্তরাঞ্চল রক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই অস্ট্রেলিয়া এ কৌশলগত বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঐতিহাসিক এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

অস্ট্রেলিয়ায় যুদ্ধজাহাজ সরবরাহে ৭ বিলিয়ন ডলারের চুক্তি জাপানের
সিটিজেন ডেস্ক

আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও প্রতিরক্ষা খাতে নতুন দিগন্তের সূচনা করে অস্ট্রেলিয়া ও জাপান প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি বিশাল যুদ্ধজাহাজ সরবরাহ চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) এক অনুষ্ঠানে অস্ট্রেলিয়ার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রিচার্ড মার্লেস এবং জাপানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিনজিরো কোইজুমি এ ঐতিহাসিক স্মারকে স্বাক্ষর করেন। ২০১৪ সালে সামরিক রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা শিথিলের পর এটিই জাপানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিরক্ষা চুক্তি। এ চুক্তি দেশটির যুদ্ধ-পরবর্তী শান্তিবাদী নীতি থেকে ক্রমশ সরে আসার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আওতায় জাপানের শীর্ষ শিল্পপ্রতিষ্ঠান মিতসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ অস্ট্রেলিয়ার নৌবাহিনীর জন্য তিনটি অত্যাধুনিক মোগামি-শ্রেণির বহুমুখী ফ্রিগেট নির্মাণ করবে, যার সরবরাহ শুরু হবে ২০২৯ সাল থেকে।
চুক্তির শর্তানুযায়ী, প্রথম ৩টি জাহাজ জাপানে তৈরি হলেও পরবর্তী আটটি ফ্রিগেট পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার পার্থের নিকটবর্তী হেন্ডারসন শিপইয়ার্ডে স্থানীয়ভাবে তৈরি করা হবে, যা অস্ট্রেলিয়ার নিজস্ব প্রতিরক্ষা শিল্পকে আরও শক্তিশালী ও স্বাবলম্বী করে তুলবে। বিশেষ করে ভারত ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে চীনের ক্রমবর্ধমান সামরিক প্রভাব মোকাবিলায় এবং যুক্তরাষ্ট্রের বাইরে নিরাপত্তা জোট জোরালো করতে এ পদক্ষেপকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকরা। মোগামি-শ্রেণির এ যুদ্ধজাহাজগুলো সাবমেরিন শনাক্তকরণ, সরাসরি আক্রমণ এবং শক্তিশালী আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাসহ সব ধরনের আধুনিক সমরকৌশলে সক্ষম।
মূলত দেশের উত্তরাঞ্চল রক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ সামুদ্রিক বাণিজ্যপথের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই অস্ট্রেলিয়া এ কৌশলগত বিনিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ঐতিহাসিক এ চুক্তির মাধ্যমে দুই দেশই আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে।
সূত্র: রয়টার্স




