ইরান অভিমুখে আরেক মার্কিন নৌবহর

ইরান অভিমুখে আরেক মার্কিন নৌবহর

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে এমন গুঞ্জনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার দেশটি ইরানের উদ্দেশে আরও একটি নৌবহর পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে সামরিক মহড়া পরিচালনার কথাও জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আরও একটি সুসজ্জিত নৌবহর ইরানের পথে আছে। আমি আশা করছি, তারা (ইরান) সমঝোতা করতে রাজি হবে।’
যদিও ট্রাম্পের এমন হুমকিকে পাত্তা দিচ্ছে না ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বলেছেন, ‘ইরানকে হুমকি দিলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘সামরিক হুমকি দিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো কোনো ফলপ্রসূ উপায় হতে পারে না। যদি তারা আলোচনায় বসতেই চায়, তাহলে হুমকি ও অযৌক্তিক প্রসঙ্গ তোলা বাদ দিতে হবে।’
গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বিমানবাহিনী শাখা এয়ার ফোর্সেস সেন্ট্রাল গত মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি প্রস্তুতিমূলক সামরিক মহড়া পরিচালনা করবে। এই মহড়া কয়েকদিন ধরে চলবে। সেন্টকমের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঞ্চলে যুদ্ধবিমান মোতায়েন এবং সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনই এ মহড়ার মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার এবং নমনীয় হামলা পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়ার উদ্দেশ্যে মহড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে মহড়ার নির্দিষ্ট দিন-তারিখ, স্থান কিংবা এতে ব্যবহৃত সামরিক সরঞ্জামের কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত সোমবার সেন্টকম জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে। কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক বহনকারী এই বিমানবাহী রণতরিতে একাধিক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ডেস্ট্রয়ার রয়েছে। যে কোনো হামলা থেকে নৌবহরকে সুরক্ষা দিতে এই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
এদিকে ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে কোনো দেশকে সৌদি আরবের আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না রিয়াদ। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এক ফোনালাপে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ এমন তথ্য দিয়েছে।
ফোনালাপে সৌদি যুবরাজ বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য মেটানোর যেকোনো উদ্যোগকে সৌদি আরব সমর্থন করে। সৌদি আরবের যুবরাজের আশ্বাসের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ধরনের অবস্থান জানিয়েছে। তারাও বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে তারা তাদের আকাশসীমা বা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ঘোষণা করে। ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় নিজেদের ভূখণ্ড, আকাশ ও জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না বলে জানায় আবুধাবি।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এসব বিক্ষোভ দমনে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পথচারীরাও ছিলেন। সংগঠনগুলোর মতে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে শিয়া ধর্মীয় নেতারা ক্ষমতায় আসার পর থেকে এটিই সবচেয়ে বড় দমন-পীড়নের ঘটনা। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতা ও প্রাণহানির জন্য বিদেশে থাকা বিরোধীদের সমর্থনপুষ্ট ‘সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজদের’ দায়ী করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে এমন গুঞ্জনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার দেশটি ইরানের উদ্দেশে আরও একটি নৌবহর পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে সামরিক মহড়া পরিচালনার কথাও জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আরও একটি সুসজ্জিত নৌবহর ইরানের পথে আছে। আমি আশা করছি, তারা (ইরান) সমঝোতা করতে রাজি হবে।’
যদিও ট্রাম্পের এমন হুমকিকে পাত্তা দিচ্ছে না ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বলেছেন, ‘ইরানকে হুমকি দিলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘সামরিক হুমকি দিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো কোনো ফলপ্রসূ উপায় হতে পারে না। যদি তারা আলোচনায় বসতেই চায়, তাহলে হুমকি ও অযৌক্তিক প্রসঙ্গ তোলা বাদ দিতে হবে।’
গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বিমানবাহিনী শাখা এয়ার ফোর্সেস সেন্ট্রাল গত মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি প্রস্তুতিমূলক সামরিক মহড়া পরিচালনা করবে। এই মহড়া কয়েকদিন ধরে চলবে। সেন্টকমের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঞ্চলে যুদ্ধবিমান মোতায়েন এবং সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনই এ মহড়ার মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার এবং নমনীয় হামলা পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়ার উদ্দেশ্যে মহড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে মহড়ার নির্দিষ্ট দিন-তারিখ, স্থান কিংবা এতে ব্যবহৃত সামরিক সরঞ্জামের কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত সোমবার সেন্টকম জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে। কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক বহনকারী এই বিমানবাহী রণতরিতে একাধিক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ডেস্ট্রয়ার রয়েছে। যে কোনো হামলা থেকে নৌবহরকে সুরক্ষা দিতে এই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
এদিকে ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে কোনো দেশকে সৌদি আরবের আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না রিয়াদ। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এক ফোনালাপে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ এমন তথ্য দিয়েছে।
ফোনালাপে সৌদি যুবরাজ বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য মেটানোর যেকোনো উদ্যোগকে সৌদি আরব সমর্থন করে। সৌদি আরবের যুবরাজের আশ্বাসের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ধরনের অবস্থান জানিয়েছে। তারাও বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে তারা তাদের আকাশসীমা বা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ঘোষণা করে। ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় নিজেদের ভূখণ্ড, আকাশ ও জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না বলে জানায় আবুধাবি।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এসব বিক্ষোভ দমনে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পথচারীরাও ছিলেন। সংগঠনগুলোর মতে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে শিয়া ধর্মীয় নেতারা ক্ষমতায় আসার পর থেকে এটিই সবচেয়ে বড় দমন-পীড়নের ঘটনা। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতা ও প্রাণহানির জন্য বিদেশে থাকা বিরোধীদের সমর্থনপুষ্ট ‘সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজদের’ দায়ী করেছে।
সূত্র: রয়টার্স

ইরান অভিমুখে আরেক মার্কিন নৌবহর

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র হামলা চালাতে পারে এমন গুঞ্জনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন মোতায়েন করেছে যুক্তরাষ্ট্র। এবার দেশটি ইরানের উদ্দেশে আরও একটি নৌবহর পাঠানোর ঘোষণা দিয়েছে। পাশাপাশি ওই অঞ্চলে সামরিক মহড়া পরিচালনার কথাও জানানো হয়েছে।
গত মঙ্গলবার এক ভাষণে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আরও একটি সুসজ্জিত নৌবহর ইরানের পথে আছে। আমি আশা করছি, তারা (ইরান) সমঝোতা করতে রাজি হবে।’
যদিও ট্রাম্পের এমন হুমকিকে পাত্তা দিচ্ছে না ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বলেছেন, ‘ইরানকে হুমকি দিলে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কোনো আলোচনা সম্ভব নয়।’
তিনি বলেন, ‘সামরিক হুমকি দিয়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা চালানো কোনো ফলপ্রসূ উপায় হতে পারে না। যদি তারা আলোচনায় বসতেই চায়, তাহলে হুমকি ও অযৌক্তিক প্রসঙ্গ তোলা বাদ দিতে হবে।’
গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) বিমানবাহিনী শাখা এয়ার ফোর্সেস সেন্ট্রাল গত মঙ্গলবার জানিয়েছে, তারা মধ্যপ্রাচ্যে একটি প্রস্তুতিমূলক সামরিক মহড়া পরিচালনা করবে। এই মহড়া কয়েকদিন ধরে চলবে। সেন্টকমের দায়িত্বপ্রাপ্ত অঞ্চলে যুদ্ধবিমান মোতায়েন এবং সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনই এ মহড়ার মূল লক্ষ্য। পাশাপাশি আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে সহযোগিতা জোরদার এবং নমনীয় হামলা পরিচালনার প্রস্তুতি নেওয়ার উদ্দেশ্যে মহড়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে।
তবে মহড়ার নির্দিষ্ট দিন-তারিখ, স্থান কিংবা এতে ব্যবহৃত সামরিক সরঞ্জামের কোনো বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করা হয়নি। ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শনের লক্ষ্যেই এই মহড়ার আয়োজন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
গত সোমবার সেন্টকম জানিয়েছে, পারমাণবিক শক্তিচালিত বিমানবাহী রণতরি ইউএসএস আব্রাহাম লিংকনের নেতৃত্বে একটি বড় নৌবহর ওই অঞ্চলে পৌঁছেছে। কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও প্রায় পাঁচ হাজার নাবিক বহনকারী এই বিমানবাহী রণতরিতে একাধিক গাইডেড ক্ষেপণাস্ত্র ডেস্ট্রয়ার রয়েছে। যে কোনো হামলা থেকে নৌবহরকে সুরক্ষা দিতে এই আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা ব্যবহার করা হয়।
এদিকে ইরানে সামরিক অভিযান চালাতে কোনো দেশকে সৌদি আরবের আকাশসীমা ও ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না রিয়াদ। সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান এক ফোনালাপে ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে এ বিষয়ে আশ্বস্ত করেছেন। মঙ্গলবার দেশটির রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা এসপিএ এমন তথ্য দিয়েছে।
ফোনালাপে সৌদি যুবরাজ বলেন, আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা জোরদারে সংলাপের মাধ্যমে মতপার্থক্য মেটানোর যেকোনো উদ্যোগকে সৌদি আরব সমর্থন করে। সৌদি আরবের যুবরাজের আশ্বাসের আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ধরনের অবস্থান জানিয়েছে। তারাও বলেছে, ইরানের বিরুদ্ধে কোনো সামরিক অভিযানে তারা তাদের আকাশসীমা বা আঞ্চলিক জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না।
এর আগে সংযুক্ত আরব আমিরাতও একই ঘোষণা করে। ইরানের বিরুদ্ধে হামলায় নিজেদের ভূখণ্ড, আকাশ ও জলসীমা ব্যবহার করতে দেবে না বলে জানায় আবুধাবি।
মানবাধিকার সংগঠনগুলোর দাবি, এসব বিক্ষোভ দমনে ইরানের নিরাপত্তা বাহিনীর হাতে কয়েক হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে পথচারীরাও ছিলেন। সংগঠনগুলোর মতে, ১৯৭৯ সালের ইসলামি বিপ্লবে শিয়া ধর্মীয় নেতারা ক্ষমতায় আসার পর থেকে এটিই সবচেয়ে বড় দমন-পীড়নের ঘটনা। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষ এই অস্থিরতা ও প্রাণহানির জন্য বিদেশে থাকা বিরোধীদের সমর্থনপুষ্ট ‘সন্ত্রাসী ও দাঙ্গাবাজদের’ দায়ী করেছে।
সূত্র: রয়টার্স




