সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ঝুঁকি কতটা
সিটিজেন জার্নাল

সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ঝুঁকি কতটা
সিটিজেন জার্নাল
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ২১: ১৪

ছবি : সংগৃহীত
বর্তমান ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে অনলাইন ব্যাংকিং—সবক্ষেত্রেই আমাদের সরব উপস্থিতি। তবে অসংখ্য অ্যাকাউন্টের এই ভিড়ে লগইন পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই একটি আত্মঘাতী পথ বেছে নিচ্ছেন। আর তা হলো—সব প্ল্যাটফর্মে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
গবেষণায় দেখা গেছে, সাইবার জগতের প্রায় ৮০ শতাংশ তথ্য ফাঁসের মূলে রয়েছে চুরি হওয়া বা দুর্বল পাসওয়ার্ড। যখন কোনো ব্যবহারকারী সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, তখন হ্যাকারদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। কোনো একটি সাধারণ ওয়েবসাইট হ্যাক করে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তারা স্বয়ংক্রিয় বটের মাধ্যমে অন্যান্য জনপ্রিয় সাইটে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। একে প্রযুক্তিগত ভাষায় বলা হয় ‘ক্রিডেনশিয়াল স্টাফিং’।
একটি পাসওয়ার্ড সব জায়গায় ব্যবহারের ফলে তৈরি হয় ‘ডমিনো ইফেক্ট’। অর্থাৎ, একটি প্ল্যাটফর্ম আক্রান্ত হওয়া মানে আপনার ডিজিটাল অস্তিত্বের সবগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়া।
২০১৩ সালে ইয়াহুর বিশাল তথ্য ফাঁসের ঘটনার উদাহরণ টেনে বিশেষজ্ঞরা জানান, সে সময় লাখ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়েছিল। যারা ওই একই পাসওয়ার্ড অন্য সাইটে ব্যবহার করেছিলেন, তাদের ফেসবুক বা ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টও নিমিষেই হ্যাকারদের দখলে চলে গিয়েছিল।
ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি অফিসের কাজেও একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে। ফ্রিল্যান্সার বা রিমোট কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীল তথ্য বা ক্লায়েন্টের ডাটা ফাঁস হয়ে গেলে চাকরি হারানো বা আইনি জটিলতার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।
সাইবার ঝুঁকি থেকে বাঁচতে তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেগুলো হলো-
১. পাসওয়ার্ড ম্যানেজার:
প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা ও জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি ও তা মনে রাখতে নির্ভরযোগ্য পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করতে হবে।
২. টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন:
পাসওয়ার্ড চুরি হলেও যেন অন্য কেউ ঢুকতে না পারে, সেজন্য মোবাইলে আসা ওটিপি বা বাড়তি নিরাপত্তা স্তর চালু রাখতে হবে।
৩. ভিন্নতা বজায় রাখা:
অন্তত আর্থিক লেনদেনের সাইট এবং ব্যক্তিগত ই-মেইলের পাসওয়ার্ড অন্য সব সাইট থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা জরুরি।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে অনলাইন ব্যাংকিং—সবক্ষেত্রেই আমাদের সরব উপস্থিতি। তবে অসংখ্য অ্যাকাউন্টের এই ভিড়ে লগইন পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই একটি আত্মঘাতী পথ বেছে নিচ্ছেন। আর তা হলো—সব প্ল্যাটফর্মে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
গবেষণায় দেখা গেছে, সাইবার জগতের প্রায় ৮০ শতাংশ তথ্য ফাঁসের মূলে রয়েছে চুরি হওয়া বা দুর্বল পাসওয়ার্ড। যখন কোনো ব্যবহারকারী সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, তখন হ্যাকারদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। কোনো একটি সাধারণ ওয়েবসাইট হ্যাক করে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তারা স্বয়ংক্রিয় বটের মাধ্যমে অন্যান্য জনপ্রিয় সাইটে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। একে প্রযুক্তিগত ভাষায় বলা হয় ‘ক্রিডেনশিয়াল স্টাফিং’।
একটি পাসওয়ার্ড সব জায়গায় ব্যবহারের ফলে তৈরি হয় ‘ডমিনো ইফেক্ট’। অর্থাৎ, একটি প্ল্যাটফর্ম আক্রান্ত হওয়া মানে আপনার ডিজিটাল অস্তিত্বের সবগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়া।
২০১৩ সালে ইয়াহুর বিশাল তথ্য ফাঁসের ঘটনার উদাহরণ টেনে বিশেষজ্ঞরা জানান, সে সময় লাখ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়েছিল। যারা ওই একই পাসওয়ার্ড অন্য সাইটে ব্যবহার করেছিলেন, তাদের ফেসবুক বা ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টও নিমিষেই হ্যাকারদের দখলে চলে গিয়েছিল।
ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি অফিসের কাজেও একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে। ফ্রিল্যান্সার বা রিমোট কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীল তথ্য বা ক্লায়েন্টের ডাটা ফাঁস হয়ে গেলে চাকরি হারানো বা আইনি জটিলতার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।
সাইবার ঝুঁকি থেকে বাঁচতে তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেগুলো হলো-
১. পাসওয়ার্ড ম্যানেজার:
প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা ও জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি ও তা মনে রাখতে নির্ভরযোগ্য পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করতে হবে।
২. টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন:
পাসওয়ার্ড চুরি হলেও যেন অন্য কেউ ঢুকতে না পারে, সেজন্য মোবাইলে আসা ওটিপি বা বাড়তি নিরাপত্তা স্তর চালু রাখতে হবে।
৩. ভিন্নতা বজায় রাখা:
অন্তত আর্থিক লেনদেনের সাইট এবং ব্যক্তিগত ই-মেইলের পাসওয়ার্ড অন্য সব সাইট থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা জরুরি।

সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের ঝুঁকি কতটা
সিটিজেন জার্নাল
প্রকাশ : ০৫ মে ২০২৬, ২১: ১৪

ছবি : সংগৃহীত
বর্তমান ডিজিটাল যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে শুরু করে অনলাইন ব্যাংকিং—সবক্ষেত্রেই আমাদের সরব উপস্থিতি। তবে অসংখ্য অ্যাকাউন্টের এই ভিড়ে লগইন পাসওয়ার্ড মনে রাখার ঝামেলা এড়াতে অনেকেই একটি আত্মঘাতী পথ বেছে নিচ্ছেন। আর তা হলো—সব প্ল্যাটফর্মে একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করা।
গবেষণায় দেখা গেছে, সাইবার জগতের প্রায় ৮০ শতাংশ তথ্য ফাঁসের মূলে রয়েছে চুরি হওয়া বা দুর্বল পাসওয়ার্ড। যখন কোনো ব্যবহারকারী সব জায়গায় একই পাসওয়ার্ড ব্যবহার করেন, তখন হ্যাকারদের জন্য কাজটা সহজ হয়ে যায়। কোনো একটি সাধারণ ওয়েবসাইট হ্যাক করে সেখান থেকে তথ্য সংগ্রহ করে তারা স্বয়ংক্রিয় বটের মাধ্যমে অন্যান্য জনপ্রিয় সাইটে প্রবেশের চেষ্টা চালায়। একে প্রযুক্তিগত ভাষায় বলা হয় ‘ক্রিডেনশিয়াল স্টাফিং’।
একটি পাসওয়ার্ড সব জায়গায় ব্যবহারের ফলে তৈরি হয় ‘ডমিনো ইফেক্ট’। অর্থাৎ, একটি প্ল্যাটফর্ম আক্রান্ত হওয়া মানে আপনার ডিজিটাল অস্তিত্বের সবগুলো তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়া।
২০১৩ সালে ইয়াহুর বিশাল তথ্য ফাঁসের ঘটনার উদাহরণ টেনে বিশেষজ্ঞরা জানান, সে সময় লাখ লাখ ব্যবহারকারীর তথ্য চুরি হয়েছিল। যারা ওই একই পাসওয়ার্ড অন্য সাইটে ব্যবহার করেছিলেন, তাদের ফেসবুক বা ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টও নিমিষেই হ্যাকারদের দখলে চলে গিয়েছিল।
ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের পাশাপাশি অফিসের কাজেও একই পাসওয়ার্ড ব্যবহারের প্রবণতা বাড়ছে। এটি প্রতিষ্ঠানের জন্য চরম নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে। ফ্রিল্যান্সার বা রিমোট কর্মীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি। ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সংবেদনশীল তথ্য বা ক্লায়েন্টের ডাটা ফাঁস হয়ে গেলে চাকরি হারানো বা আইনি জটিলতার মতো ঘটনাও ঘটতে পারে।
সাইবার ঝুঁকি থেকে বাঁচতে তিনটি পরামর্শ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। সেগুলো হলো-
১. পাসওয়ার্ড ম্যানেজার:
প্রতিটি অ্যাকাউন্টের জন্য আলাদা ও জটিল পাসওয়ার্ড তৈরি ও তা মনে রাখতে নির্ভরযোগ্য পাসওয়ার্ড ম্যানেজার ব্যবহার করতে হবে।
২. টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন:
পাসওয়ার্ড চুরি হলেও যেন অন্য কেউ ঢুকতে না পারে, সেজন্য মোবাইলে আসা ওটিপি বা বাড়তি নিরাপত্তা স্তর চালু রাখতে হবে।
৩. ভিন্নতা বজায় রাখা:
অন্তত আর্থিক লেনদেনের সাইট এবং ব্যক্তিগত ই-মেইলের পাসওয়ার্ড অন্য সব সাইট থেকে সম্পূর্ণ আলাদা রাখা জরুরি।
/এসবি/

পাসওয়ার্ডের বিকল্প হিসেবে জনপ্রিয় হচ্ছে পাসকি


