দ্য ইকোনমিস্টের প্রতিবেদন
ফিনল্যান্ড-জার্মানির মেগা চুক্তি, বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক লিফট শিল্প

ফিনল্যান্ড-জার্মানির মেগা চুক্তি, বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক লিফট শিল্প
সিটিজেন ডেস্ক

আধুনিক নগর জীবনের অপরিহার্য অথচ উপেক্ষিত অনুষঙ্গ লিফটের বিশ্ববাজারে এক ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে। এই শিল্পের দুই শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ফিনল্যান্ডের ‘কোনে’ এবং জার্মানির ‘টিকেই’ নিজেদের মধ্যে মেগা একীভূতকরণ চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। আর এর মধ্য দিয়েই বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রকাশ ঘটতে চলেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঘোষিত এই যুগান্তকারী চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ‘কোনে’ নগদ ৫০০ কোটি ইউরো পরিশোধ করার পাশাপাশি নতুন যৌথ প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার ৫২০ কোটি ইউরো সমমূল্যের শেয়ার হস্তান্তর করবে। এ শেয়ারের মালিকানা পাবে প্রাইভেট ইকুইটি ফার্ম অ্যাডভেন্ট এবং সিনভেন, যারা ঠিক পাঁচ বছর আগে ‘টিকেই’ অধিগ্রহণ করেছিল। এ একীভূতকরণের ফলে কোনে প্রতি বছর প্রায় ৭০ কোটি ইউরো সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিনিয়োগ ব্যাংক জেফারিসের বিশ্লেষণ বলছে, নতুন মেগা-কোম্পানি বিশ্ববাজারের প্রায় ২৮ শতাংশ নিজেদের দখলে নেবে। এর ফলে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওটিস’ ও সুইজারল্যান্ডের ‘শিন্ডলার’ বাজারে প্রতিযোগিতায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে। চীনের আবাসন খাতে চলমান মন্দার কারণে নতুন লিফট বিক্রিতে কিছুটা স্থবিরতা থাকলেও, এই শিল্পের মূল আয়ের উৎস এখন লিফট রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়ন। কনসালট্যান্সি ফার্ম রোনাল্ড বার্জারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে লিফট শিল্পে মোট ১১ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ের বিশাল অংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার ব্যয় হবে সার্ভিসিংয়ে এবং ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার খরচ হবে আধুনিকায়নে। যেখানে নতুন লিফট সংযোজনে ব্যয় হবে মাত্র ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো লিফট রক্ষণাবেক্ষণই আগামী দিনের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হতে যাচ্ছে। ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী ১৫ বছরের বেশি পুরোনো লিফটের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখে পৌঁছাবে এবং প্রতি বছর অন্তত তিন লাখ লিফটের বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন পড়বে। কোনে এবং টিকেই একীভূত হওয়ার ফলে তাদের বৈশ্বিক সার্ভিস নেটওয়ার্ক অভাবনীয় মাত্রায় শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে চীনের বাজারে কোনের জোরালো উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রে টিকেইর শক্তিশালী নেটওয়ার্ক মিলে এ যৌথ প্রতিষ্ঠানকে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত করবে।
বাজার দখলের বিশাল এ চুক্তিতে স্বাভাবিকভাবেই অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। শিন্ডলারের প্রধান নির্বাহী পাওলো কম্পাগনা এ পরিস্থিতিকে একটি ‘রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম’ এর সূচনা হিসেবে দেখছেন। বৈশ্বিক অ্যান্টি-ট্রাস্ট বা একচেটিয়া ব্যবসা বিরোধী নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে চুক্তির নিবিড় তদন্ত নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওটিসও এ বিষয়ে তাদের গভীর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে।
তবে ইউরোপীয় কমিশন তাদের ‘ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন’ তৈরির কৌশলগত নীতির আওতায় এ মেগাচুক্তিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, বিশ্বজুড়ে লিফট শিল্পের চলমান এই প্রতিযোগিতায় একীভূত প্রতিষ্ঠানটি এখন একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তারের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিস্ট

আধুনিক নগর জীবনের অপরিহার্য অথচ উপেক্ষিত অনুষঙ্গ লিফটের বিশ্ববাজারে এক ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে। এই শিল্পের দুই শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ফিনল্যান্ডের ‘কোনে’ এবং জার্মানির ‘টিকেই’ নিজেদের মধ্যে মেগা একীভূতকরণ চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। আর এর মধ্য দিয়েই বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রকাশ ঘটতে চলেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঘোষিত এই যুগান্তকারী চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ‘কোনে’ নগদ ৫০০ কোটি ইউরো পরিশোধ করার পাশাপাশি নতুন যৌথ প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার ৫২০ কোটি ইউরো সমমূল্যের শেয়ার হস্তান্তর করবে। এ শেয়ারের মালিকানা পাবে প্রাইভেট ইকুইটি ফার্ম অ্যাডভেন্ট এবং সিনভেন, যারা ঠিক পাঁচ বছর আগে ‘টিকেই’ অধিগ্রহণ করেছিল। এ একীভূতকরণের ফলে কোনে প্রতি বছর প্রায় ৭০ কোটি ইউরো সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিনিয়োগ ব্যাংক জেফারিসের বিশ্লেষণ বলছে, নতুন মেগা-কোম্পানি বিশ্ববাজারের প্রায় ২৮ শতাংশ নিজেদের দখলে নেবে। এর ফলে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওটিস’ ও সুইজারল্যান্ডের ‘শিন্ডলার’ বাজারে প্রতিযোগিতায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে। চীনের আবাসন খাতে চলমান মন্দার কারণে নতুন লিফট বিক্রিতে কিছুটা স্থবিরতা থাকলেও, এই শিল্পের মূল আয়ের উৎস এখন লিফট রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়ন। কনসালট্যান্সি ফার্ম রোনাল্ড বার্জারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে লিফট শিল্পে মোট ১১ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ের বিশাল অংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার ব্যয় হবে সার্ভিসিংয়ে এবং ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার খরচ হবে আধুনিকায়নে। যেখানে নতুন লিফট সংযোজনে ব্যয় হবে মাত্র ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো লিফট রক্ষণাবেক্ষণই আগামী দিনের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হতে যাচ্ছে। ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী ১৫ বছরের বেশি পুরোনো লিফটের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখে পৌঁছাবে এবং প্রতি বছর অন্তত তিন লাখ লিফটের বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন পড়বে। কোনে এবং টিকেই একীভূত হওয়ার ফলে তাদের বৈশ্বিক সার্ভিস নেটওয়ার্ক অভাবনীয় মাত্রায় শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে চীনের বাজারে কোনের জোরালো উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রে টিকেইর শক্তিশালী নেটওয়ার্ক মিলে এ যৌথ প্রতিষ্ঠানকে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত করবে।
বাজার দখলের বিশাল এ চুক্তিতে স্বাভাবিকভাবেই অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। শিন্ডলারের প্রধান নির্বাহী পাওলো কম্পাগনা এ পরিস্থিতিকে একটি ‘রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম’ এর সূচনা হিসেবে দেখছেন। বৈশ্বিক অ্যান্টি-ট্রাস্ট বা একচেটিয়া ব্যবসা বিরোধী নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে চুক্তির নিবিড় তদন্ত নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওটিসও এ বিষয়ে তাদের গভীর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে।
তবে ইউরোপীয় কমিশন তাদের ‘ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন’ তৈরির কৌশলগত নীতির আওতায় এ মেগাচুক্তিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, বিশ্বজুড়ে লিফট শিল্পের চলমান এই প্রতিযোগিতায় একীভূত প্রতিষ্ঠানটি এখন একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তারের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিস্ট

ফিনল্যান্ড-জার্মানির মেগা চুক্তি, বদলে যাচ্ছে বৈশ্বিক লিফট শিল্প
সিটিজেন ডেস্ক

আধুনিক নগর জীবনের অপরিহার্য অথচ উপেক্ষিত অনুষঙ্গ লিফটের বিশ্ববাজারে এক ঐতিহাসিক পটপরিবর্তন ঘটতে যাচ্ছে। এই শিল্পের দুই শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ফিনল্যান্ডের ‘কোনে’ এবং জার্মানির ‘টিকেই’ নিজেদের মধ্যে মেগা একীভূতকরণ চুক্তির ঘোষণা দিয়েছে। আর এর মধ্য দিয়েই বিশ্বের সবচেয়ে বড় লিফট নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রকাশ ঘটতে চলেছে।
বুধবার (২৯ এপ্রিল) ঘোষিত এই যুগান্তকারী চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, ‘কোনে’ নগদ ৫০০ কোটি ইউরো পরিশোধ করার পাশাপাশি নতুন যৌথ প্রতিষ্ঠানের প্রায় ১ হাজার ৫২০ কোটি ইউরো সমমূল্যের শেয়ার হস্তান্তর করবে। এ শেয়ারের মালিকানা পাবে প্রাইভেট ইকুইটি ফার্ম অ্যাডভেন্ট এবং সিনভেন, যারা ঠিক পাঁচ বছর আগে ‘টিকেই’ অধিগ্রহণ করেছিল। এ একীভূতকরণের ফলে কোনে প্রতি বছর প্রায় ৭০ কোটি ইউরো সাশ্রয় করতে সক্ষম হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
বিনিয়োগ ব্যাংক জেফারিসের বিশ্লেষণ বলছে, নতুন মেগা-কোম্পানি বিশ্ববাজারের প্রায় ২৮ শতাংশ নিজেদের দখলে নেবে। এর ফলে বর্তমানে শীর্ষ অবস্থানে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের ‘ওটিস’ ও সুইজারল্যান্ডের ‘শিন্ডলার’ বাজারে প্রতিযোগিতায় অনেকটাই পিছিয়ে পড়বে। চীনের আবাসন খাতে চলমান মন্দার কারণে নতুন লিফট বিক্রিতে কিছুটা স্থবিরতা থাকলেও, এই শিল্পের মূল আয়ের উৎস এখন লিফট রক্ষণাবেক্ষণ ও আধুনিকায়ন। কনসালট্যান্সি ফার্ম রোনাল্ড বার্জারের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের মধ্যে লিফট শিল্পে মোট ১১ হাজার কোটি ডলার ব্যয়ের বিশাল অংশ, অর্থাৎ প্রায় ৬ হাজার ১০০ কোটি ডলার ব্যয় হবে সার্ভিসিংয়ে এবং ১ হাজার ৬০০ কোটি ডলার খরচ হবে আধুনিকায়নে। যেখানে নতুন লিফট সংযোজনে ব্যয় হবে মাত্র ৩ হাজার ৩০০ কোটি ডলার।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পুরোনো লিফট রক্ষণাবেক্ষণই আগামী দিনের সবচেয়ে লাভজনক ব্যবসা হতে যাচ্ছে। ২০৩০ সাল নাগাদ বিশ্বব্যাপী ১৫ বছরের বেশি পুরোনো লিফটের সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখে পৌঁছাবে এবং প্রতি বছর অন্তত তিন লাখ লিফটের বড় ধরনের সংস্কারের প্রয়োজন পড়বে। কোনে এবং টিকেই একীভূত হওয়ার ফলে তাদের বৈশ্বিক সার্ভিস নেটওয়ার্ক অভাবনীয় মাত্রায় শক্তিশালী হবে। বিশেষ করে চীনের বাজারে কোনের জোরালো উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রে টিকেইর শক্তিশালী নেটওয়ার্ক মিলে এ যৌথ প্রতিষ্ঠানকে এক অপ্রতিরোধ্য শক্তিতে পরিণত করবে।
বাজার দখলের বিশাল এ চুক্তিতে স্বাভাবিকভাবেই অন্য প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানিগুলোর মধ্যে গভীর উদ্বেগ ও অসন্তোষ সৃষ্টি হয়েছে। শিন্ডলারের প্রধান নির্বাহী পাওলো কম্পাগনা এ পরিস্থিতিকে একটি ‘রক্তক্ষয়ী সংগ্রাম’ এর সূচনা হিসেবে দেখছেন। বৈশ্বিক অ্যান্টি-ট্রাস্ট বা একচেটিয়া ব্যবসা বিরোধী নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মাধ্যমে চুক্তির নিবিড় তদন্ত নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তিনি। মার্কিন প্রতিষ্ঠান ওটিসও এ বিষয়ে তাদের গভীর উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে।
তবে ইউরোপীয় কমিশন তাদের ‘ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়ন’ তৈরির কৌশলগত নীতির আওতায় এ মেগাচুক্তিকে ইতিবাচকভাবে গ্রহণ করতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন। সব মিলিয়ে, বিশ্বজুড়ে লিফট শিল্পের চলমান এই প্রতিযোগিতায় একীভূত প্রতিষ্ঠানটি এখন একচেটিয়া আধিপত্য বিস্তারের পথে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।
সূত্র: দ্য ইকোনোমিস্ট

স্ক্রিন বন্ধ রেখে ইউটিউবে গান শুনবেন যেভাবে
৯ সেকেন্ডে সব ডেটা ডিলিট, প্রশ্নবিদ্ধ প্রতিষ্ঠানে এআই এজেন্ট ব্যবহার


