ফোন ভালো রাখতে কতদিন পরপর রিস্টার্ট করা উচিত

ফোন ভালো রাখতে কতদিন পরপর রিস্টার্ট করা উচিত
সিটিজেন ডেস্ক

বর্তমান যুগে স্মার্টফোন ছাড়া আমাদের এক মুহূর্তও চলে না। কিন্তু যে ডিভাইসটি আমাদের সারা দিনের ক্লান্তিহীন সঙ্গী, তারও কি একটু বিশ্রামের প্রয়োজন নেই? সম্প্রতি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও স্মার্টফোন নির্মাতারা জানিয়েছেন, ফোনকে সচল রাখতে চার্জ দেওয়ার মতোই জরুরি হলো একে নিয়মিত ‘রিস্টার্ট’ করা।
একটি স্মার্টফোন টানা চলতে থাকলে পর্দার আড়ালে অনেক কিছু ঘটে যা ফোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। কেন রিস্টার্ট করা জরুরি, তার প্রধান কারণগুলো হলো:
র্যামের কার্যকারিতা বৃদ্ধি: ফোন চালু থাকলে অনেক সময় অ্যাপ বন্ধ করার পরও তা মেমোরি বা র্যাম দখল করে রাখে। যাকে কারিগরি ভাষায় 'মেমোরি লিক' বলা হয়। রিস্টার্ট করলে র্যাম পুরোপুরি পরিষ্কার হয় এবং ফোন আবার নতুনের মতো গতি পায়।
নিরাপত্তা ও হ্যাকিং রোধ: নিয়মিত রিস্টার্ট করলে ফোনে থাকা অনেক অস্থায়ী ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর ভাইরাস অচল হয়ে যায়। এটি হ্যাকারদের নজরদারি এড়াতেও সাহায্য করে।
ব্যাটারির দীর্ঘায়ু: স্মার্টফোন সারাক্ষণ সচল থাকলে ব্যাটারি ক্রমাগত উত্তপ্ত হতে থাকে। সপ্তাহে অন্তত একবার ফোন বন্ধ করলে ব্যাটারি ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ পায়। যা এর রাসায়নিক স্থায়িত্ব বজায় রাখে।
ক্যাশ ডাটা মুক্তি: দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে ফোনে প্রচুর পরিমাণে অপ্রয়োজনীয় ‘টেম্পোরারি ফাইল’ জমা হয়। রিস্টার্ট দিলে এই ডিজিটাল আবর্জনাগুলো পরিষ্কার হয়ে যায়।
নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধান: ওয়াইফাই বা মোবাইল ডাটা সিগন্যালে সমস্যা দেখা দিলে রিস্টার্ট হলো সবচেয়ে সহজ সমাধান। এটি ফোনের মডেমকে নতুন করে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে ভালো ফল পেতে সপ্তাহে অন্তত একবার ফোনটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে এক মিনিট অপেক্ষা রেখে পুনরায় চালু করা উচিত। তবে ফোনটি যদি কয়েক বছরের পুরনো হয় বা কাজের চাপে স্লো হয়ে যায়, তবে সপ্তাহে ২-৩ বার রিস্টার্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

বর্তমান যুগে স্মার্টফোন ছাড়া আমাদের এক মুহূর্তও চলে না। কিন্তু যে ডিভাইসটি আমাদের সারা দিনের ক্লান্তিহীন সঙ্গী, তারও কি একটু বিশ্রামের প্রয়োজন নেই? সম্প্রতি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও স্মার্টফোন নির্মাতারা জানিয়েছেন, ফোনকে সচল রাখতে চার্জ দেওয়ার মতোই জরুরি হলো একে নিয়মিত ‘রিস্টার্ট’ করা।
একটি স্মার্টফোন টানা চলতে থাকলে পর্দার আড়ালে অনেক কিছু ঘটে যা ফোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। কেন রিস্টার্ট করা জরুরি, তার প্রধান কারণগুলো হলো:
র্যামের কার্যকারিতা বৃদ্ধি: ফোন চালু থাকলে অনেক সময় অ্যাপ বন্ধ করার পরও তা মেমোরি বা র্যাম দখল করে রাখে। যাকে কারিগরি ভাষায় 'মেমোরি লিক' বলা হয়। রিস্টার্ট করলে র্যাম পুরোপুরি পরিষ্কার হয় এবং ফোন আবার নতুনের মতো গতি পায়।
নিরাপত্তা ও হ্যাকিং রোধ: নিয়মিত রিস্টার্ট করলে ফোনে থাকা অনেক অস্থায়ী ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর ভাইরাস অচল হয়ে যায়। এটি হ্যাকারদের নজরদারি এড়াতেও সাহায্য করে।
ব্যাটারির দীর্ঘায়ু: স্মার্টফোন সারাক্ষণ সচল থাকলে ব্যাটারি ক্রমাগত উত্তপ্ত হতে থাকে। সপ্তাহে অন্তত একবার ফোন বন্ধ করলে ব্যাটারি ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ পায়। যা এর রাসায়নিক স্থায়িত্ব বজায় রাখে।
ক্যাশ ডাটা মুক্তি: দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে ফোনে প্রচুর পরিমাণে অপ্রয়োজনীয় ‘টেম্পোরারি ফাইল’ জমা হয়। রিস্টার্ট দিলে এই ডিজিটাল আবর্জনাগুলো পরিষ্কার হয়ে যায়।
নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধান: ওয়াইফাই বা মোবাইল ডাটা সিগন্যালে সমস্যা দেখা দিলে রিস্টার্ট হলো সবচেয়ে সহজ সমাধান। এটি ফোনের মডেমকে নতুন করে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে ভালো ফল পেতে সপ্তাহে অন্তত একবার ফোনটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে এক মিনিট অপেক্ষা রেখে পুনরায় চালু করা উচিত। তবে ফোনটি যদি কয়েক বছরের পুরনো হয় বা কাজের চাপে স্লো হয়ে যায়, তবে সপ্তাহে ২-৩ বার রিস্টার্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ফোন ভালো রাখতে কতদিন পরপর রিস্টার্ট করা উচিত
সিটিজেন ডেস্ক

বর্তমান যুগে স্মার্টফোন ছাড়া আমাদের এক মুহূর্তও চলে না। কিন্তু যে ডিভাইসটি আমাদের সারা দিনের ক্লান্তিহীন সঙ্গী, তারও কি একটু বিশ্রামের প্রয়োজন নেই? সম্প্রতি প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ ও স্মার্টফোন নির্মাতারা জানিয়েছেন, ফোনকে সচল রাখতে চার্জ দেওয়ার মতোই জরুরি হলো একে নিয়মিত ‘রিস্টার্ট’ করা।
একটি স্মার্টফোন টানা চলতে থাকলে পর্দার আড়ালে অনেক কিছু ঘটে যা ফোনের কার্যক্ষমতা কমিয়ে দেয়। কেন রিস্টার্ট করা জরুরি, তার প্রধান কারণগুলো হলো:
র্যামের কার্যকারিতা বৃদ্ধি: ফোন চালু থাকলে অনেক সময় অ্যাপ বন্ধ করার পরও তা মেমোরি বা র্যাম দখল করে রাখে। যাকে কারিগরি ভাষায় 'মেমোরি লিক' বলা হয়। রিস্টার্ট করলে র্যাম পুরোপুরি পরিষ্কার হয় এবং ফোন আবার নতুনের মতো গতি পায়।
নিরাপত্তা ও হ্যাকিং রোধ: নিয়মিত রিস্টার্ট করলে ফোনে থাকা অনেক অস্থায়ী ম্যালওয়্যার বা ক্ষতিকর ভাইরাস অচল হয়ে যায়। এটি হ্যাকারদের নজরদারি এড়াতেও সাহায্য করে।
ব্যাটারির দীর্ঘায়ু: স্মার্টফোন সারাক্ষণ সচল থাকলে ব্যাটারি ক্রমাগত উত্তপ্ত হতে থাকে। সপ্তাহে অন্তত একবার ফোন বন্ধ করলে ব্যাটারি ঠান্ডা হওয়ার সুযোগ পায়। যা এর রাসায়নিক স্থায়িত্ব বজায় রাখে।
ক্যাশ ডাটা মুক্তি: দীর্ঘ ব্যবহারের ফলে ফোনে প্রচুর পরিমাণে অপ্রয়োজনীয় ‘টেম্পোরারি ফাইল’ জমা হয়। রিস্টার্ট দিলে এই ডিজিটাল আবর্জনাগুলো পরিষ্কার হয়ে যায়।
নেটওয়ার্ক সমস্যার সমাধান: ওয়াইফাই বা মোবাইল ডাটা সিগন্যালে সমস্যা দেখা দিলে রিস্টার্ট হলো সবচেয়ে সহজ সমাধান। এটি ফোনের মডেমকে নতুন করে নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, সবচেয়ে ভালো ফল পেতে সপ্তাহে অন্তত একবার ফোনটি সম্পূর্ণ বন্ধ করে এক মিনিট অপেক্ষা রেখে পুনরায় চালু করা উচিত। তবে ফোনটি যদি কয়েক বছরের পুরনো হয় বা কাজের চাপে স্লো হয়ে যায়, তবে সপ্তাহে ২-৩ বার রিস্টার্ট করা বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

চালু হলো নতুন ম্যাসেজিং অ্যাপ ‘এক্সচ্যাট’


