৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ

৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ ৫৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করল মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার ঐতিহাসিক আর্টেমিস-২ মিশনে চার নভোচারী এখন মহাকাশে, যারা চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ (এসএলএস) রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয় এই মিশন। এতে ব্যবহৃত হচ্ছে ওরিয়ন মহাকাশযান, যার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম এই অভিযানে পরীক্ষা করা হবে।
১০ দিনের এই মিশনে নভোচারীরা চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করলেও সেখানে অবতরণ করবেন না। ভবিষ্যতে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি গঠন এবং মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই এই মিশনকে দেখা হচ্ছে।
এ অভিযানে অংশ নিয়েছেন নাসার নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। তারা ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ মানববাহী মহাকাশ যাত্রায় অংশ নিচ্ছেন।

মিশনটি নানা দিক থেকে ‘প্রথম’ ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে। এই প্রথম এসএলএস রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযান মানুষ বহন করে চাঁদের পথে যাত্রা করল। একই সঙ্গে এই মিশনেই প্রথম কোনো নারী, প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী এবং প্রথম অ-মার্কিন নাগরিক চাঁদের কক্ষপথে যাচ্ছেন।
নভোচারীরা চাঁদের ‘ফার সাইড’ বা অদৃশ্য অংশ ঘুরে আসার সময় পৃথিবী থেকে প্রায় ৪ লাখ ৬ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করবেন, যা মানব ইতিহাসে সর্বোচ্চ দূরত্বের রেকর্ড হবে। এর আগে ১৯৭০ সালে অ্যাপোলো ১৩ মিশনের নভোচারীরা এ ধরনের রেকর্ড গড়েছিলেন।
তবে নাসা বলছে, শুধু রেকর্ড নয়– এই মিশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মহাকাশযানের সক্ষমতা যাচাই, নভোচারীদের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং ভবিষ্যৎ অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ।

উৎক্ষেপণের কয়েক মিনিট পর রকেটের বুস্টার আলাদা হয়ে যায় এবং ওরিয়ন মহাকাশযান মহাকাশের দিকে যাত্রা অব্যাহত রাখে। ‘ফ্রি-রিটার্ন ট্র্যাজেক্টরি’ পথ অনুসরণ করে এটি চাঁদের চারপাশ ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে।
এই মিশনের সাফল্যের ওপরই নির্ভর করছে ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযান। নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে আর্টেমিস ৩ এবং ২০২৮ সালে পরবর্তী ধাপের মিশনের মাধ্যমে চাঁদে আবার মানুষের পা রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন এবং পরবর্তীতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর বৃহৎ পরিকল্পনারও গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে এই মিশন।
সব মিলিয়ে, আধুনিক যুগে চাঁদে ফেরার পথে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা মহাকাশ প্রতিযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

দীর্ঘ ৫৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করল মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার ঐতিহাসিক আর্টেমিস-২ মিশনে চার নভোচারী এখন মহাকাশে, যারা চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ (এসএলএস) রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয় এই মিশন। এতে ব্যবহৃত হচ্ছে ওরিয়ন মহাকাশযান, যার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম এই অভিযানে পরীক্ষা করা হবে।
১০ দিনের এই মিশনে নভোচারীরা চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করলেও সেখানে অবতরণ করবেন না। ভবিষ্যতে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি গঠন এবং মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই এই মিশনকে দেখা হচ্ছে।
এ অভিযানে অংশ নিয়েছেন নাসার নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। তারা ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ মানববাহী মহাকাশ যাত্রায় অংশ নিচ্ছেন।

মিশনটি নানা দিক থেকে ‘প্রথম’ ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে। এই প্রথম এসএলএস রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযান মানুষ বহন করে চাঁদের পথে যাত্রা করল। একই সঙ্গে এই মিশনেই প্রথম কোনো নারী, প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী এবং প্রথম অ-মার্কিন নাগরিক চাঁদের কক্ষপথে যাচ্ছেন।
নভোচারীরা চাঁদের ‘ফার সাইড’ বা অদৃশ্য অংশ ঘুরে আসার সময় পৃথিবী থেকে প্রায় ৪ লাখ ৬ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করবেন, যা মানব ইতিহাসে সর্বোচ্চ দূরত্বের রেকর্ড হবে। এর আগে ১৯৭০ সালে অ্যাপোলো ১৩ মিশনের নভোচারীরা এ ধরনের রেকর্ড গড়েছিলেন।
তবে নাসা বলছে, শুধু রেকর্ড নয়– এই মিশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মহাকাশযানের সক্ষমতা যাচাই, নভোচারীদের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং ভবিষ্যৎ অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ।

উৎক্ষেপণের কয়েক মিনিট পর রকেটের বুস্টার আলাদা হয়ে যায় এবং ওরিয়ন মহাকাশযান মহাকাশের দিকে যাত্রা অব্যাহত রাখে। ‘ফ্রি-রিটার্ন ট্র্যাজেক্টরি’ পথ অনুসরণ করে এটি চাঁদের চারপাশ ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে।
এই মিশনের সাফল্যের ওপরই নির্ভর করছে ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযান। নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে আর্টেমিস ৩ এবং ২০২৮ সালে পরবর্তী ধাপের মিশনের মাধ্যমে চাঁদে আবার মানুষের পা রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন এবং পরবর্তীতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর বৃহৎ পরিকল্পনারও গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে এই মিশন।
সব মিলিয়ে, আধুনিক যুগে চাঁদে ফেরার পথে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা মহাকাশ প্রতিযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।

৫৪ বছর পর চাঁদের পথে মানুষ
সিটিজেন ডেস্ক

দীর্ঘ ৫৪ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে আবারও চাঁদের পথে যাত্রা শুরু করল মানুষ। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসার ঐতিহাসিক আর্টেমিস-২ মিশনে চার নভোচারী এখন মহাকাশে, যারা চাঁদের কক্ষপথ ঘুরে পৃথিবীতে ফিরে আসবেন।
বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ (এসএলএস) রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয় এই মিশন। এতে ব্যবহৃত হচ্ছে ওরিয়ন মহাকাশযান, যার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ সিস্টেম এই অভিযানে পরীক্ষা করা হবে।
১০ দিনের এই মিশনে নভোচারীরা চাঁদের চারপাশ প্রদক্ষিণ করলেও সেখানে অবতরণ করবেন না। ভবিষ্যতে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি গঠন এবং মঙ্গল অভিযানের প্রস্তুতি হিসেবেই এই মিশনকে দেখা হচ্ছে।
এ অভিযানে অংশ নিয়েছেন নাসার নভোচারী রিড ওয়াইজম্যান, ভিক্টর গ্লোভার, ক্রিস্টিনা কোচ এবং কানাডিয়ান স্পেস এজেন্সির জেরেমি হ্যানসেন। তারা ইতিহাসের অন্যতম দীর্ঘ মানববাহী মহাকাশ যাত্রায় অংশ নিচ্ছেন।

মিশনটি নানা দিক থেকে ‘প্রথম’ ঘটনার সাক্ষী হচ্ছে। এই প্রথম এসএলএস রকেট ও ওরিয়ন মহাকাশযান মানুষ বহন করে চাঁদের পথে যাত্রা করল। একই সঙ্গে এই মিশনেই প্রথম কোনো নারী, প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নভোচারী এবং প্রথম অ-মার্কিন নাগরিক চাঁদের কক্ষপথে যাচ্ছেন।
নভোচারীরা চাঁদের ‘ফার সাইড’ বা অদৃশ্য অংশ ঘুরে আসার সময় পৃথিবী থেকে প্রায় ৪ লাখ ৬ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করবেন, যা মানব ইতিহাসে সর্বোচ্চ দূরত্বের রেকর্ড হবে। এর আগে ১৯৭০ সালে অ্যাপোলো ১৩ মিশনের নভোচারীরা এ ধরনের রেকর্ড গড়েছিলেন।
তবে নাসা বলছে, শুধু রেকর্ড নয়– এই মিশনের মূল লক্ষ্য হচ্ছে মহাকাশযানের সক্ষমতা যাচাই, নভোচারীদের অভিজ্ঞতা অর্জন এবং ভবিষ্যৎ অভিযানের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ।

উৎক্ষেপণের কয়েক মিনিট পর রকেটের বুস্টার আলাদা হয়ে যায় এবং ওরিয়ন মহাকাশযান মহাকাশের দিকে যাত্রা অব্যাহত রাখে। ‘ফ্রি-রিটার্ন ট্র্যাজেক্টরি’ পথ অনুসরণ করে এটি চাঁদের চারপাশ ঘুরে আবার পৃথিবীতে ফিরে আসবে।
এই মিশনের সাফল্যের ওপরই নির্ভর করছে ভবিষ্যতের চন্দ্রাভিযান। নাসার পরিকল্পনা অনুযায়ী, ২০২৭ সালে আর্টেমিস ৩ এবং ২০২৮ সালে পরবর্তী ধাপের মিশনের মাধ্যমে চাঁদে আবার মানুষের পা রাখার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
একই সঙ্গে চাঁদে স্থায়ী ঘাঁটি স্থাপন এবং পরবর্তীতে মঙ্গল গ্রহে মানুষ পাঠানোর বৃহৎ পরিকল্পনারও গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি তৈরি করবে এই মিশন।
সব মিলিয়ে, আধুনিক যুগে চাঁদে ফেরার পথে এটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা মহাকাশ প্রতিযোগিতায় নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে।




