হরমুজ প্রণালি খুলতে জোট গঠনের উদ্যোগ যুক্তরাজ্যের

হরমুজ প্রণালি খুলতে জোট গঠনের উদ্যোগ যুক্তরাজ্যের
সিটিজেন ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার উপায় খুঁজতে বৃহস্পতিবার প্রায় ৩৫টি দেশ নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করছে যুক্তরাজ্য। লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার।
ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের একাধিক দেশ এতে অংশ নেবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না বলে জানা গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অন্যান্য দেশের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করার পরই যুক্তরাজ্য এই উদ্যোগ নেয়। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর উচিত নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে এটি দখল ও সুরক্ষিত করা।
এছাড়া বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, সংঘাত শেষ হলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিকভাবেই খুলে যাবে এবং তেল সরবরাহ পুনরায় চালু হলে জ্বালানির দাম কমে আসবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তেহরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানান, যুদ্ধবিরতির পর ওই এলাকায় নৌচলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে বৈঠকে ‘সমস্ত সম্ভাব্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ’ বিবেচনা করা হবে।
প্রাথমিকভাবে ইউরোপীয় দেশগুলো সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ওই এলাকায় নৌবাহিনী পাঠানোর ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিল। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হওয়ায় তারা এখন একটি জোট গঠনের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে আগ্রহী।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বৈঠকটি হবে জোটটির প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা। আগামী সপ্তাহগুলোতে সামরিক পরিকল্পনাকারীদের নিয়ে আরও বিস্তারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানান, প্রণালি পুনরায় চালুর পরিকল্পনার প্রথম ধাপে জলপথটি মাইনমুক্ত করা এবং দ্বিতীয় ধাপে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতে পারে।
স্টারমার বলেন, প্রণালি পুনরায় খোলা সহজ হবে না এবং এর জন্য সামরিক শক্তি ও কূটনৈতিক তৎপরতার সমন্বয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন হবে।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার উপায় খুঁজতে বৃহস্পতিবার প্রায় ৩৫টি দেশ নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করছে যুক্তরাজ্য। লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার।
ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের একাধিক দেশ এতে অংশ নেবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না বলে জানা গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অন্যান্য দেশের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করার পরই যুক্তরাজ্য এই উদ্যোগ নেয়। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর উচিত নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে এটি দখল ও সুরক্ষিত করা।
এছাড়া বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, সংঘাত শেষ হলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিকভাবেই খুলে যাবে এবং তেল সরবরাহ পুনরায় চালু হলে জ্বালানির দাম কমে আসবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তেহরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানান, যুদ্ধবিরতির পর ওই এলাকায় নৌচলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে বৈঠকে ‘সমস্ত সম্ভাব্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ’ বিবেচনা করা হবে।
প্রাথমিকভাবে ইউরোপীয় দেশগুলো সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ওই এলাকায় নৌবাহিনী পাঠানোর ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিল। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হওয়ায় তারা এখন একটি জোট গঠনের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে আগ্রহী।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বৈঠকটি হবে জোটটির প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা। আগামী সপ্তাহগুলোতে সামরিক পরিকল্পনাকারীদের নিয়ে আরও বিস্তারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানান, প্রণালি পুনরায় চালুর পরিকল্পনার প্রথম ধাপে জলপথটি মাইনমুক্ত করা এবং দ্বিতীয় ধাপে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতে পারে।
স্টারমার বলেন, প্রণালি পুনরায় খোলা সহজ হবে না এবং এর জন্য সামরিক শক্তি ও কূটনৈতিক তৎপরতার সমন্বয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন হবে।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা

হরমুজ প্রণালি খুলতে জোট গঠনের উদ্যোগ যুক্তরাজ্যের
সিটিজেন ডেস্ক

বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় চালু করার উপায় খুঁজতে বৃহস্পতিবার প্রায় ৩৫টি দেশ নিয়ে বৈঠকের আয়োজন করছে যুক্তরাজ্য। লন্ডনে অনুষ্ঠিত এই ভার্চুয়াল বৈঠকে সভাপতিত্ব করবেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইভেট কুপার।
ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালি, কানাডা এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ বিশ্বের একাধিক দেশ এতে অংশ নেবে। তবে যুক্তরাষ্ট্র এই বৈঠকে অংশ নিচ্ছে না বলে জানা গেছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথটির নিরাপত্তা নিশ্চিত করাকে অন্যান্য দেশের দায়িত্ব বলে মন্তব্য করার পরই যুক্তরাজ্য এই উদ্যোগ নেয়। নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর উচিত নিজেরাই উদ্যোগ নিয়ে এটি দখল ও সুরক্ষিত করা।
এছাড়া বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) জাতির উদ্দেশে দেওয়া ভাষণে ট্রাম্প বলেন, সংঘাত শেষ হলে হরমুজ প্রণালি স্বাভাবিকভাবেই খুলে যাবে এবং তেল সরবরাহ পুনরায় চালু হলে জ্বালানির দাম কমে আসবে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে তেহরান কার্যত হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। এই প্রণালি দিয়ে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ পরিবাহিত হয়। ফলে এটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানির দাম বেড়ে গেছে।
ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার জানান, যুদ্ধবিরতির পর ওই এলাকায় নৌচলাচলের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনতে বৈঠকে ‘সমস্ত সম্ভাব্য কূটনৈতিক ও রাজনৈতিক পদক্ষেপ’ বিবেচনা করা হবে।
প্রাথমিকভাবে ইউরোপীয় দেশগুলো সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কায় ওই এলাকায় নৌবাহিনী পাঠানোর ট্রাম্পের আহ্বান প্রত্যাখ্যান করেছিল। তবে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির ফলে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ সৃষ্টি হওয়ায় তারা এখন একটি জোট গঠনের মাধ্যমে সমাধান খুঁজতে আগ্রহী।
কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, এই বৈঠকটি হবে জোটটির প্রথম আনুষ্ঠানিক আলোচনা। আগামী সপ্তাহগুলোতে সামরিক পরিকল্পনাকারীদের নিয়ে আরও বিস্তারিত বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
একজন ইউরোপীয় কর্মকর্তা জানান, প্রণালি পুনরায় চালুর পরিকল্পনার প্রথম ধাপে জলপথটি মাইনমুক্ত করা এবং দ্বিতীয় ধাপে তেলবাহী ট্যাঙ্কারগুলোর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হতে পারে।
স্টারমার বলেন, প্রণালি পুনরায় খোলা সহজ হবে না এবং এর জন্য সামরিক শক্তি ও কূটনৈতিক তৎপরতার সমন্বয়ে একটি ঐক্যবদ্ধ উদ্যোগ প্রয়োজন হবে।
সূত্র: রয়টার্স, আল জাজিরা




