চাঁদের পথে সময়ের সঙ্গী: নভোচারীদের হাতে কোন ঘড়ি
চাঁদের পথে সময়ের সঙ্গী: নভোচারীদের হাতে কোন ঘড়ি
মানুষকে আবার চাঁদের পথে পাঠানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আর্টেমিস টু মিশন ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি পুরোনো কিন্তু নির্ভরযোগ্য সঙ্গী– হাতঘড়ি।


২০২৮ সালের মধ্যে আবারো চন্দ্র অভিযানের প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। এই পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান ভরসা ইলন মাস্কের প্রতিষ্ঠান স্পেসএক্সের তৈরি বিশ্বের সবচেয়ে বড় ও শক্তিশালী রকেট ‘স্টারশিপ’।

যুক্তরাষ্ট্রের হিউস্টনে অনুষ্ঠিত ফিফা ফ্যান ফেস্টিভালে নাসার একটি বিশেষ প্রদর্শনী চলছে। সেখানে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস)-এ পরিচালিত গবেষণা কার্যক্রম এবং চাঁদে মানুষ পাঠানোর লক্ষ্যে পরিচালিত আর্টেমিস কর্মসূচির বিভিন্ন দিক তুলে ধরা হয়েছে সেখানে।

আমাদের সৌরজগতের বাইরের গ্রহের সন্ধানে মহাবিশ্বের বিশাল অংশ স্ক্যান করতে এবং ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জির রহস্য উদঘাটনের জন্য নাসা একটি নতুন টেলিস্কোপ উন্মোচন করেছে।

আর্টেমিস-২ মিশন চাঁদের খুব কাছ দিয়ে উড়ে যাওয়ার মাধ্যমে মহাকাশ গবেষণায় এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করেছে। ৭ ঘণ্টা ধরে চলা এ ফ্লাইবাইয়ের সময় মহাকাশচারীরা চাঁদের এমন কিছু দৃশ্য উপভোগ করার সুযোগ পান, যা আগে কখনো কোনো মানুষের চোখে ধরা পড়েনি।
মানুষকে আবার চাঁদের পথে পাঠানোর প্রস্তুতির অংশ হিসেবে আর্টেমিস টু মিশন ঘিরে নতুন করে আলোচনায় এসেছে একটি পুরোনো কিন্তু নির্ভরযোগ্য সঙ্গী– হাতঘড়ি।

বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার ভোর ৪টা ৩৫ মিনিটে ফ্লোরিডার কেনেডি স্পেস সেন্টার থেকে ‘স্পেস লঞ্চ সিস্টেম’ (এসএলএস) রকেটের মাধ্যমে উৎক্ষেপণ করা হয় এই মিশন।

আর্টেমিস টু প্রায় ১০ দিনের অভিযান। তবে এবারের অভিযানে মহাকাশযানটি চাঁদে অবতরণ করবে না। ১৯৬৮ সালে অ্যাপোলো ৮ অভিযানের মতো এবারও শুধু পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহ হয়ে কক্ষপথে ঘুরে বেড়াবে মহাকাশযানটি।

অর্ধ শতাব্দীরও বেশি সময় পর চাঁদে মনুষ্যবাহী মিশন পরিচালনা করতে যাচ্ছে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। সব ঠিক থাকলে আগামী ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে নাসা চাঁদের উদ্দেশে মহকাশযান উৎক্ষেপণ করতে পারে।
