শিরোনাম

অবৈধ সম্পদ অর্জন; কাস্টমস এজেন্টের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ

# ১১ কোটি টাকার সম্পদ গোপন

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক
অবৈধ সম্পদ অর্জন; কাস্টমস এজেন্টের বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ
দুর্নীতি দমন কমিশন। ছবি: সংগৃহীত

কাস্টমস ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং (সিঅ্যান্ডএফ) এজেন্ট মো. ফয়সাল চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলার সুপারিশ করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন এবং তথ্য গোপনের অভিযোগে দুদকের তদন্তের ভিত্তিতে এ সুপারিশ করেন দুদকের উপপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম।

আজ বৃহস্পতিবার সংস্থাটির প্রধান কার্যালয় থেকে সংগ্রহকৃত তদন্ত রিপোর্ট থেকে এই তথ্য জানা গেছে।

অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তার দাখিলকৃত প্রতিবেদন পর্যালোচনায় দেখা গেছে, অভিযুক্ত মো. ফয়সাল চৌধুরী মেসার্স অনুভব বিজনেস এজেন্সির স্বত্বাধিকারী এবং চাঁদপুর জেলার কচুয়া থানার গুয়াখোলা গ্রামের মো. কামরুজ্জামান চৌধুরীর ছেলে। বর্তমানে তিনি রাজধানীর উত্তরার ১৪ নাম্বার সেক্টরে বসবাস করছেন।

দুদকের অনুসন্ধান প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফয়সাল চৌধুরী ২০২২ সালের ২৪ আগস্ট দুদকে তার সম্পদ বিবরণী দাখিল করেন। সেখানে তিনি ১৪ কোটি ৩১ লাখ ৬৪ হাজার ৩৭০ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। তবে দুদকের যাচাইকালে তার নামে মোট ২৫ কোটি ৩১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৪৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ, তিনি ১১ কোটি ২ লাখ ৫৭৪ টাকার সম্পদের তথ্য গোপন করে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন তথ্য দিয়েছেন।

অনুসন্ধানের তথ্যে আরো জানানো হয়, অভিযুক্ত ফয়সাল চৌধুরীর পারিবারিক ব্যয়সহ অর্জিত সম্পদের মোট মূল্য ৪২ কোটি ৮৮ লাখ ৮৬ হাজার ২০৭ টাকা। এর বিপরীতে তার বৈধ আয়ের উৎস পাওয়া গেছে ৩৯ কোটি ২ লাখ ২৭ হাজার ০৫৩ টাকা। ফলে ৩ কোটি ৮৬ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ টাকার সম্পদ তার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত বলে প্রমাণ পেয়েছে কমিশন।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফয়সাল চৌধুরী দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪ এর ২৬(২) ও ২৭(১) ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। দুদকের উপপরিচালক মো. রাশেদুল ইসলাম বাদী হয়ে এই মামলাটি দায়ের করার জন্য প্রয়োজনীয় নথি দাখিল করেছেন। নতুন কমিশন গঠন হলে তার অনুমোদন সাপেক্ষে মামলার আইনি কার্যক্রম শুরুর জন্য আনেদন করেন।

এর আগে ২০২২ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত বিপুল সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগে সম্পদ বিবরণী দাখিল করতে নোটিশ দেয় দুদক।

/এমএস/